আয়াতের অর্থ
‘দুর্ভোগ প্রত্যেক ঘোর মিথ্যাবাদী পাপীর জন্য, যে আল্লাহর আয়াতগুলোর তিলাওয়াত শোনে অথচ ঔদ্ধত্যের সঙ্গে অটল থাকে যেন সে তা শোনেনি। তাদের সংবাদ দাও মর্মন্তুদ শাস্তির। যখন আমার কোনো আয়াত সে অবগত হয় তখন তা নিয়ে পরিহাস করে। তাদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।...এই কোরআন সৎপথের দিশারী; যারা তাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলি প্রত্যাখ্যান করে, তাদের জন্য আছে অতিশয় বেদনাদায়ক শাস্তি।’ (সুরা : জাসিয়া, আয়াত : ৭-১১)
আয়াতগুলোতে আল-কোরআনের সম্মান রক্ষার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা ও বিধান
১. কোরআনের দলিল-প্রমাণ ও যুক্তি প্রত্যাখ্যান করা গুরুতর পাপ। আয়াতে এই বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি রয়েছে।
২. কোরআনের আয়াত ও আল্লাহর কুদরত নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করা হারাম। আয়াতে এমন ব্যক্তির জন্য কঠোর শাস্তি ঘোষণা করা হয়েছে।
৩. কোরআনকে সম্মান করা এবং কোরআনের সম্মান রক্ষা করা মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব।
৪. আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, নবী (সা.) শত্রুদেশে কোরআন নিয়ে সফর করতে নিষেধ করেছেন। যেন তা শত্রুর হাতে না পড়ে (এবং তারা তার অসম্মান না করে)।
৫. কোরআন অসম্মানকারী ও তা অস্বীকারকারীর শাস্তি ঘোষণায় আল্লাহ চারটি বিশেষণ ব্যবহার করেছেন : ক. মর্মন্তুদ, খ. লাঞ্ছনাদায়ক, গ. মহা, ঘ. অতিশয় কঠিন ও বেদনাদায়ক। (তাফসিরে মুনির : ১৩/২৭৭)



