• ই-পেপার

এইচএসসির প্রস্তুতি : গ্যাপ ফিলিং উইথ ক্লুজ

  • ইকবাল খান, প্রভাষক (ইংরেজি), বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, পিলখানা, ঢাকা

অষ্টম শ্রেণি : রাইট ফর্ম অব ভার্বস

সুমন ভূইয়া, সহকারী শিক্ষক, সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ডেমরা, ঢাকা

অষ্টম শ্রেণি : রাইট ফর্ম অব ভার্বস

ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র

 

Fill in the blanks with the correct form of the verbs given in the brackets.

1.                  Patriotism is a noble virtue. It (a)           (inspire) a man to shed his blood for his country. A true patriot (b)           (love) his motherland more than his own life. We (c)           (achieve) our independence through the supreme sacrifice of our martyrs. We should always (d)           (work) for the welfare of our nation. Those who (e)           (be) not patriotic are not respected by their countrymen. We must be ready to defend our country from any foreign aggression at any cost.

Answers

     a. inspires   b. loves

     c. achieved   d. work

     e. are

 

2.                  Digital Bangladesh (a)           (be) a dream for many years. Now it (b)           (become) a reality. The government (c)           (take) many steps to digitize every sector of the country. This change (d)           (bring) transparency and accountability in the administration. People can now (e)           (get) many services easily sitting at home. We hope that this technological advancement will lead our country to a developed nation soon. It is our duty to support the government in this great initiative.

Answers

     a. has been     b. has become c. has taken         d. has brought

          e. get

 

নবম ও দশম শ্রেণি : সুভা

আতাউর রহমান সায়েম, সিনিয়র শিক্ষক, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা

নবম ও দশম শ্রেণি : সুভা

বাংলা প্রথম পত্র

গদ্য

 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

১। সুভা শিশুকাল থেকে কী বুঝে নিয়েছিল?

    উত্তর : সুভা যে বিধাতার অভিশাপস্বরূপ পিতার ঘরে জন্ম নিয়েছে, সে তা শিশুকাল থেকেই বুঝে নিয়েছিল।

     সুভা জন্ম থেকেই বোবা। কিন্তু মুখে কথা না থাকলেও তার মধ্যে অনুভূতি ছিল। সে তার চারপাশের সব কিছুই অনুভব করত এবং বুঝত। ছোটবেলা থেকেই তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যেসব কথাবার্তা হতো, তা থেকেই সে বুঝে নিয়েছিল যে সে বিধাতার কাছ থেকে আশীর্বাদ নিয়ে জন্মায়নি; বরং তার জন্ম বিধাতার অভিশাপ। আর পরিবারের লোকজনের আলোচনার মধ্য থেকেই বুঝে নিত যে সে তার বাবার ঘরে বিধাতার অভিশাপস্বরূপ জন্ম নিয়েছে।

 

২। সুভার প্রতি তার মায়ের আচরণ কেমন ছিল?

    উত্তর : সুভার প্রতি তার মায়ের আচরণ ছিল বিরক্তিপূর্ণ।

     মায়েরা নিজেদের অংশ মনে করে তাদের  মেয়েদের। মেয়েদের শরীরের কোনো অংশ যদি ত্রুটিপূর্ণ থাকে, তাহলে মায়েরা তা নিজেদের ত্রুটি হিসেবে ধরে নেন। ‘সুভা’ গল্পে সুভার মা সুভার প্রতি বিরক্ত ছিলেন। কারণ সুভা জন্ম থেকে বোবা ছিল। আর এই ত্রুটিকে সুভার মা নিজের গর্ভের কলঙ্ক মনে করতেন। সুভাকে দেখলে সুভার মা নিজের ত্রুটির কথা স্মরণ করতেন বলে তিনি সুভার ওপর বিরক্ত ছিলেন।

 

৩। সুভার কালো চোখকে তর্জমা করতে হয় না কেন?

     উত্তর : সুভার মনের ভাব তার চোখে ফুটে ওঠে, তাই তার কালো চোখকে তর্জমা করতে হয় না।

          সুভা বোবা হলেও তার ছিল সুন্দর বড় বড় দুটো কালো চোখ। আমরা কথার মধ্য দিয়ে যে ভাষা প্রকাশ করি, তা আমাদের নিজের চেষ্টায় গড়ে নিতে হয়। ঠিক কোনো কিছু তর্জমা করার মতো, যা সব সময় ঠিক না। সুভার বড় বড় কালো চোখের যে ভাষা ও যে উজ্জ্বলতা, তাতে অবর্ণনীয় ভাবের প্রকাশ রয়েছে। যার দিকে তাকালে আর কোনো তর্জমা করার দরকার হয় না। কারণ তার চোখ দুটো কথা বলে। সুভার মনের ভাব তার চোখের ওপর কখনো উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে উঠত, আবার কখনো ম্লানভাবে নিভে আসত। কখনো চঞ্চল বিদ্যুতের মতো, আবার কখনো ডুবে যাওয়া চাঁদের মতো হয়ে তার মনের ভাব প্রকাশ করে। সুভার মুখের ভাষা না থাকলেও দৃষ্টির গভীরতা স্পর্শ করা যায়। তাই সুভার কালো চোখকে তর্জমা করতে হয় না।

 

 

বানানচর্চা

জিয়াউল হাসান সবুজ
বানানচর্চা

বৌ নয় বউ

‘বৌ’ বানানটি একসময় প্রচলিত ছিল। এখন প্রমিত বাংলায় শুদ্ধরূপ ‘বউ’। আধুনিক বাংলায় কিছু অতৎসম শব্দে ঐ-কার এবং ঔ-কারের পরিবর্তে ‘ই’ এবং ‘উ’ ব্যবহার করা হয়। বউ বানানটিও তেমন। একইভাবে, ‘বৌভাত’ বর্জনীয়, ‘বউভাত’ শুদ্ধ। তবে এই রীতির ব্যতিক্রম মউ এবং মৌ। উভয় বানানই শুদ্ধ।

 

মনোকষ্ট নয় মনঃকষ্ট

অ-যুক্ত বিসর্গের পর ‘ক’, ‘খ’, ‘প’ বা ‘ফ’ থাকলে বিসর্গ অক্ষুণ্ন থাকে।
যেমন—

মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট

মনঃ + ক্ষুণ্ন = মনঃক্ষুণ্ন

প্রাতঃ + কাল = প্রাতঃকাল

অতঃ + পর = অতঃপর ইত্যাদি।

কিন্তু অ-কারযুক্ত বিসর্গের পর বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ (যেমন: প্রথম বর্গের ‘গ’, ‘ঘ’, ‘ঙ’; দ্বিতীয় বর্গের ‘জ’, ‘ঝ’, ‘ঞ’; তৃতীয় বর্গের ‘ড’, ‘ঢ’, ‘ণ’; চতুর্থ বর্গের ‘দ’, ‘ধ’, ‘ন’ এবং পঞ্চম বর্গের ‘ব’, ‘ভ’, ‘ম’), অন্তঃস্থ বর্ণ ‘য’, ‘র’, ‘ল’, ‘ব’ বা ঊষ্ম বর্ণ ‘হ’ থাকলে বিসর্গটি ও-কার ( ো) হয়ে যায়।

যেমন—

মনঃ + ভূমি = মনোভূমি

শিরঃ + নাম = শিরোনাম

মনঃ + মতো = মনোমতো

মনঃ + ভাব মনোভাব

সরঃ + বর সরোবর ইত্যাদি।

 

অন্তস্থল নয় অন্তস্তল

সন্ধিতে বিসর্গের পর ‘ত’ বা ‘থ’ থাকলে বিসর্গটি ‘স্’ হয়।

যেমন—

নভঃ + তল = নভস্তল

দুঃ + তর = দুস্তর

ইতঃ + তত = ইতস্তত

অন্তঃ + তল = অন্তস্তল ইত্যাদি।

যেহেতু অন্ত শব্দের সঙ্গে ‘তল’ যোগে শব্দটি গঠিত হয়েছে, ‘থল’ যোগে নয়, তাই ‘অন্তস্তল’ প্রমিত বানান, ‘অন্তস্থল’ ভুল।

যদি কেউ লেখেন, ‘অন্তরের অন্তস্তল থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি’, তাহলে কি বাক্যটি শুদ্ধ হবে? অন্তরের একটি অর্থ অন্তঃকরণ বা হৃদয়। আবার ‘অন্তস্তল’ অর্থ মনোমধ্য, মন বা হৃদয়। ফলে ‘অন্তরের অন্তস্তল’ শব্দদ্বয়ের অর্থ হয়ে যায় ‘হৃদয়ের হৃদয় থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি’। এটি আদর্শ বাক্যের লক্ষণ নয়। তাহলে বাক্যটি কী হবে? শুদ্ধ বাক্যটি হবে এমন ‘অন্তস্তল থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

 

ঊষা নয় উষা

আমাদের বেশির ভাগের মধ্যেই উষা না লিখে ‘ঊষা’ লেখার প্রবণতা বেশি। কিন্তু ‘ঊষা’ বানানটি অশুদ্ধ। বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান (মুদ্রণ: এপ্রিল ২০১৮)-এ ‘ঊষা’ শব্দটি নেই। কাজেই আমরা ‘উষা’ লিখব। ‘উষা’ শব্দের দুটো অর্থ অভিধানে পাওয়া যায়—

ক. সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্বক্ষণ বা অহনা।

খ. পৌরাণিক রাজা বাণাসুরের কন্যা ও অনিরুদ্ধের পত্নী।

 

তৈরী নয় তৈরি

এ শব্দটি এসেছে মূলত আরবি শব্দ ‘তৈয়ার’ থেকে। সেখান থেকে ফারসিতে এসে হয়েছে ‘তৈয়ারি’। এরপর বাংলায় এসে হয়েছে ‘তৈরি’। আমরা জানি, বিদেশি শব্দের বানানে কখনোই ঈ-কার ব্যবহৃত হয় না। যেহেতু এ শব্দটি আরবি থেকে ফারসি হয়ে বাংলায় এসেছে, তাই এর বানানে ঈ-কার হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সুতরাং, এর সঠিক বানানটি হবে ‘তৈরি’।

 

শিরোচ্ছেদ নয় শিরশ্ছেদ

শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ। এটি বিসর্গ সন্ধি দ্বারা গঠিত শব্দ। বিসর্গের পরে ‘চ’ বা ‘ছ’ থাকলে বিসর্গের স্থলে ‘শ’ হয়।

যেমন—

নিঃ + চয় = নিশ্চয়

নিঃ + ছিদ্র = নিশ্ছিদ্র

নভঃ + চর = নভশ্চর

শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ ইত্যাদি।

তাই ‘শিরোচ্ছেদ’ ভুল, কিন্তু ‘শিরশ্ছেদ’ সঠিক।

 

 

 

সপ্তম শ্রেণি : নিম্ন শ্রেণির জীব

মো. মিকাইল ইসলাম নিয়ন, সহকারী শিক্ষক, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা

সপ্তম শ্রেণি : নিম্ন শ্রেণির জীব
সবুজ শৈবাল। ছবি : সংগৃহীত

বিজ্ঞান

প্রথম অধ্যায়

 

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

১। অনুজীব কারা?

    উত্তর : যেসব জীবকে খালি চোখে দেখা যায় না এবং যাদের নির্দিষ্ট নিউক্লিয়াসযুক্ত সুগঠিত কোষ নেই, তারাই অণুজীব। যেমন : ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, শৈবাল ইত্যাদি।

২। প্রকৃত পরজীবী কথার অর্থ কী?

     উত্তর : জীবদেহের বাইরে যেসব পরজীবী জীবনের কোনো লক্ষ্মণই প্রকাশ করে না, সেগুলোই প্রকৃত পরজীবী। যেমন : ভাইরাস।

৩। ব্যাকটেরিয়াজনিত চারটি রোগের নাম লেখো।
উত্তর : ব্যাকটেরিয়াজনিত চারটি রোগ নিম্নরূপ— নিউমোনিয়া, রক্তামাশয়, ধনুষ্টঙ্কার ও কলেরা।

৪। ছত্রাককে মৃতজীবী বলা হয় কেন?

    উত্তর : ছত্রাক ক্লোরোফিলের অভাবে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করতে পারে না। খাদ্যের জন্য এদের মৃত জীবদেহের ওপর নির্ভর করতে হয়। যেহেতু ছত্রাক মৃত জীবদেহ থেকেই খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে, তাই ছত্রাককে মৃতজীবী বলা হয়।

৫। ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয় কেন?

    উত্তর : ভাইরাসের দেহ শুধু প্রোটিন আবরণ ও নিউক্লিক এসিড নিয়ে গঠিত। ভাইরাসের দেহে কোষপ্রাচীর, প্লাজমালেমা, সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি কিছুই নেই। তাই ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয়।

৬। যেকোনো চারটি অণুজীবের নাম লেখো।

    উত্তর : চারটি অণুজীবের নাম হলো—

     ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও শৈবাল।

৭। ছত্রাকের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর : ছত্রাক থেকে পেনিসিলিনসহ বহু মূল্যবান ওষুধ পাওয়া যায়। পাউরুটি তৈরিতে ইস্ট নামক ছত্রাক ব্যবহার করা হয়। এগারিকাস নামক মাশরুম শৌখিন খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

৭। ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধ করার দুটি উপায় লেখো।

    উত্তর :  ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধ করার দুটি উপায় হলো—

     র. ছত্রাকজনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির জিনিসপত্র ব্যবহার না করা।

     রর. ছত্রাকজনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে না যাওয়া।

৮। অনুজীব কিভাবে ছড়াতে পারে?

    উত্তর : অনুজীব নানা উপায়ে ছড়াতে পারে। যেমন— অপরিষ্কার হাত জীবাণুর জন্য একটি সুবিধাজনক বাহন। এর মাধ্যমে সহজেই একজন থেকে অন্যজনে জীবাণু ছড়াতে পারে। এ ছাড়া বাতাসের ধুলাবালি, অপরিষ্কার পানি, পচা ও বাসি খাদ্য গ্রহণ করার মাধ্যমে অনুজীব ছড়াতে পারে।

৯। প্রতিকূল পরিবেশে এন্টামিবা কী ধরনের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।

     উত্তর : এন্টামিবা এককোষী। এদের দেহের নির্দিষ্ট কোনো আকৃতি নেই। প্রতিকূল পরিবেশে এন্টামিবা গোলাকার শক্ত আবরণে নিজেদের দেহ ঢেকে ফেলে, যা তাদের প্রতিকূল পরিবেশে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে। এ অবস্থায় একে সিস্ট বলা হয়।

১০।                  ভাইরাস আক্রান্ত প্রাণী মেরে পুঁতে ফেলা উচিত কেন?

     উত্তর : ভাইরাস আক্রান্ত প্রাণী মেরে পুঁতে ফেলা উচিত, কারণ ভাইরাস অতিদ্রুত ছড়ায়। ফলে আক্রান্ত প্রাণীর চিকিৎসা চলাকালীন অন্যান্য পশু আক্রান্ত হতে পারে। তাই আক্রান্ত প্রাণীকে মেরে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হয়।

১১। ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট চারটি রোগের নাম লেখো।
উত্তর : ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট চারটি রোগ হলো—

     যক্ষ্মা, কলেরা, টাইফয়েড ও আমাশয়।

১২।                  ভাইরাস কোন অবস্থায় জীবের লক্ষ্মণ হারিয়ে ফেলে?

          উত্তর : ভাইরাসের দেহ প্রধানত আমিষ ও নিউক্লিক এসিড দ্বারা গঠিত। যখন এদের আমিষ আবরণ থেকে নিউক্লিক এসিড বের হয়ে যায়, তখন এরা জীবের সব লক্ষ্মণ হারিয়ে ফেলে।