• ই-পেপার

আজ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া ভাতা ১৫% কার্যকর

কুবি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে খাদির নতুন যাত্রা

কুবি প্রতিনিধি
কুবি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে খাদির নতুন যাত্রা
ছবি: কালের কণ্ঠ

কুমিল্লা অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাদি কাপড়কে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে ‘বয়নথ’ নামে একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ড চালু করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আট শিক্ষার্থী।

উদ্যোগটির সঙ্গে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের তারিন সুমাইয়া ও একা তালুকদার; ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের রায়হান মিথ, নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রান্ত ঘোষ, লামিয়া আক্তার ও সুপ্রতিক বড়ুয়া; এবং ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের রুবায়েত হোসেন ও জান্নাতুল নাইমা সম্পা।

প্রতিষ্ঠাতারা জানান, কুমিল্লার চান্দিনায় হাতে গোনা কয়েকজন কারিগর এখনও ঐতিহ্যবাহী খাদি বুননের কাজ ধরে রেখেছেন। তাদের সম্পৃক্ত করে হাতে বোনা খাদি কাপড় দিয়ে ব্যাগ, ওয়ালম্যাট, নকশাদার পাঞ্জাবিসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি ও বাজারজাত করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাও এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

তারা জানান, প্রাথমিকভাবে অনলাইনে পরিচিতদের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে অনলাইন বিক্রির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বুথ স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় খাদি কারিগর ক্ষিতীশ দেবনাথ বলেন, বর্তমানে হাতে বোনা খাদির চাহিদা কমে যাওয়ায় অনেক কারিগর পেশা পরিবর্তন করছেন। তবে ‘বয়নথ’-এর মতো উদ্যোগ বাড়লে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

উদ্যোগটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রান্ত ঘোষ বলেন, শুরুতে কারিগরদের প্রশিক্ষণ, পণ্য নির্বাচন ও উৎপাদন নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে প্রথম পণ্য সফলভাবে তৈরি হওয়ার পর তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে এবং উদ্যোগটিকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরেক প্রতিষ্ঠাতা তারিন সুমাইয়া বলেন, একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন তৈরির কাজে চান্দিনায় গিয়ে খাদি শিল্পের সংকট কাছ থেকে দেখেন। সেখান থেকেই এ শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার ভাবনা আসে। পরে বন্ধুদের নিয়ে ‘বয়নথ’-এর যাত্রা শুরু করেন। তিনি কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী খাদি শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা

ফেনী থেকে অংশ নেবেন প্রায় সাড়ে ১১ হাজার শিক্ষার্থী

ফেনী প্রতিনিধি
ফেনী থেকে অংশ নেবেন প্রায় সাড়ে ১১ হাজার শিক্ষার্থী
সংগৃহীত ছবি

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি, আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় ফেনী থেকে অংশ নেবেন ১১ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ফেনী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলায় গত ১ বছরের ব্যবধানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ৪৫৫ জন। সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের বিদেশমুখী প্রবণতা, কারিগরি শিক্ষায় ঝোঁক, শিশুশ্রম এবং বাল্যবিয়ের মতো সামাজিক কারণে এই ঝরে পড়ার হার বাড়ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে ফেনীতে এইচএসসি, আলিম ও কারিগরিতে পরীক্ষার্থী ছিল ১২ হাজার ৭৮৮ জন। ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ হাজার ১৭৯ জনে। কিন্তু ২০২৫ সালে এসে তা কমে দাঁড়ায় ১২ হাজার ৪৮৭ জনে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি, আলিম ও সমমানে ফেনীর ২১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে এইচএসসিতে ১১ কেন্দ্রে ৮ হাজার ৬৫৭ জন, আলিমে ৭টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৬১৮ জন এবং কারিগরিতে ৩টি কেন্দ্রে ৭৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেনীর সদর উপজেলায় এইচএসসিতে ৪টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৩৭০ জন, আলিমে ১টি কেন্দ্রে ৬১৮ জন ও ভোকেশনালে ১টি কেন্দ্রে ২৭১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। পরশুরাম উপজেলায় এইচএসসিতে ১টি কেন্দ্রে ৬১৮ জন, আলিমে ১০৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। ফুলগাজীর ১টি কেন্দ্রে এইচএসসিতে ৫৯৪ জন, আলিমে ৯৫ জন এবং ভোকেশনালে ১১৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। ছাগলনাইয়ায় ২টি কেন্দ্রে এইচএসসিতে ১ হাজার ১৯৬ জন ও আলিমে ৩৪১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। সোনাগাজীতে ২টি কেন্দ্রে এইচএসসিতে ৬৫৮ জন, আলিমে ২৫৮ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এছাড়া দাগনভূঞার ১টি কেন্দ্রে এইচএসসিতে ২১১ জন, আলিমে ২টি কেন্দ্রে ১৯৭ জন এবং ভোকেশনালে ৩৬৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

ফেনী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফি উল্লাহ বলেন, ‘সুষ্ঠভাবে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা গ্রহণে পূর্বের সব নিয়ম বহাল থাকবে। নকল প্রতিরোধে সিসি ক্যামেরায় মনিটরিং করা হবে।’

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, ‘নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার এবং কেন্দ্রের পার্শ্ববর্তী ফটোকপি দোকানগুলো পরীক্ষা চলাকালীন বন্ধ থাকবে। পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে ২০০ গজ বেষ্টনীর মধ্যে ১৪৪ ধারা বজায় থাকবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে প্রশাসন।’

পরীক্ষার্থী কমে যাওয়া প্রসঙ্গে ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এনামুল হক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ছে। দ্বাদশ শ্রেণিতে ওঠার পর অনেক শিক্ষার্থী ঝরে যায়। নির্বাচনী পরীক্ষা খারাপ হলে অনেকে আবার ফরম পূরণ করারও সুযোগ পায় না। মেয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অনেকের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে না। ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করার জন্য নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করা দরকার।’

বন্ধুত্ব থেকে প্রেম-পরিণয়, একসঙ্গে স্বপ্নের বিসিএস জয়

বাকৃবি প্রতিনিধি
বন্ধুত্ব থেকে প্রেম-পরিণয়, একসঙ্গে স্বপ্নের বিসিএস জয়
সাহাজ উদ্দিন বাদল ও জেরিন আক্তার স্বর্ণা

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সহপাঠী হিসেবে পরিচয়। সেই পরিচয় গড়ায় বন্ধুত্বে, বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, এরপর পরিণয়। এবার জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়েও একসঙ্গে সাফল্যের দেখা পেলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থী দম্পতি সাহাজ উদ্দিন বাদল ও জেরিন আক্তার স্বর্ণা।

সম্প্রতি প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে তারা দুজনই কৃষি বিপণন কর্মকর্তা (সহকারী পরিচালক) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

বাদল ও স্বর্ণা বাকৃবির কৃষি অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। একই অনুষদ, একই বর্ষের সহপাঠী থেকে জীবনসঙ্গী—এবার একই ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় তাদের সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষক, সহপাঠী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিনন্দনে সিক্ত হচ্ছেন তারা।

তাদের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার গল্প। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সামনে রেখে নিয়মিত বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়েছেন দুজনই।

সাহাজ উদ্দিন বাদল বলেন, ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের পরিচয় হয়। সময়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব গভীর হয়ে এক পর্যায়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। দুই পরিবারের সমর্থন ও বন্ধুদের সহযোগিতা তাদের পথচলাকে সহজ করেছে।

lll

বিসিএস প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি জানান, ৪৪তম বিসিএসে আবেদন করলেও পরিকল্পিত প্রস্তুতি শুরু করেন ৪৫তম বিসিএস থেকে। প্রথমবার প্রিলিমিনারিতে ব্যর্থ হলেও তারা থেমে যাননি। ৪৬তম বিসিএসে বাদল প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণ হলেও স্বর্ণা সফল হননি। সেই অভিজ্ঞতা তাদের আরো মনোযোগী করে তোলে।

বাদল আরো জানান, বিসিএসের পাশাপাশি অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষাতেও অংশ নেন তারা। সম্প্রতি তিনি সোনালী ব্যাংকের অফিসার (জেনারেল) পদে এবং স্বর্ণা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এসব অর্জন তাদের আত্মবিশ্বাস আরো বাড়িয়ে দেয়।

জেরিন আক্তার স্বর্ণা বলেন, এই সাফল্য শুধু তার একার নয়; পরিবার ও স্বামীর অবদান এতে সবচেয়ে বেশি। প্রতিটি ব্যর্থতার সময় বাদল তাকে সাহস ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, যা সামনে এগিয়ে যেতে শক্তি জুগিয়েছে।

দুজনই জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ছিল তাদের নিয়মিত পড়াশোনার প্রধান স্থান। সেখানে একসঙ্গে প্রস্তুতি নেওয়া এবং একে অপরকে সহযোগিতা করার মধ্য দিয়েই তারা নিজেদের লক্ষ্য পূরণের পথে এগিয়ে গেছেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তারা বলেন, বিসিএসের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফল হতে ধৈর্য, অধ্যবসায় ও পারস্পরিক অনুপ্রেরণার বিকল্প নেই। কর্মজীবনেও সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দেশের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখতে চান তারা।

ঢাবি উপাচার্য

সংকটের প্রতিটি মুহূর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
সংকটের প্রতিটি মুহূর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ইতিহাস, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও জাতি গঠনের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেন, সংকটের প্রতিটি মুহূর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির প্রত্যাশা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। 

বুধবার (১ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে টিএসসিতে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এ কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র‍্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ধারাবাহিকভাবে উন্নত হচ্ছে এবং ২০২৬-২০৪৬ মেয়াদের ‘একাডেমিক প্ল্যান’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্ভাবননির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।” 

আলোচনাসভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস মূলত গণতন্ত্র, জ্ঞানচর্চা ও সামাজিক অগ্রগতির ইতিহাস। এর প্রকৃত শক্তি মুক্তবুদ্ধি, অসাম্প্রদায়িকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চায় নিহিত রয়েছে।’

এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল, হোস্টেল ও প্রশাসনিক ভবন থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শোভাযাত্রা সহকারে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হন। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। সকাল ১০টায় টিএসসি মাঠে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন ও কেক কাটা হয় এবং সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীতসহ দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষ ২০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, গণতন্ত্র ও উচ্চশিক্ষা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী গবেষণা ও উদ্ভাবনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছাতে পরিকল্পিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন। এ ছাড়া ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু এবং ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমও আলোচনায় অংশ নেন।

দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিল সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের প্যানেল আলোচনা, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কনসার্ট এবং সাইক্লিং ক্লাবের বাইসাইকেল র‍্যালি ও স্টান্ট শো। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ১০৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি জাহানাবাদী।