বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘প্রথম ১০০ দিন’ একটি প্রতীকী সময়। এই সময়কে ঘিরে জনগণের প্রত্যাশা থাকে আকাশছোঁয়া, সমালোচকদের দৃষ্টি থাকে তীক্ষ, আর রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর নেমে আসে পরীক্ষার চাপ। একটি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রথম যে কাজটি করে, সেটি শুধু প্রশাসনিক নয়, তা মূলত রাষ্ট্রচিন্তার পরিচয়। সরকার কোন মানুষকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, কোন সংকটকে গুরুত্ব দিচ্ছে, কোন স্বপ্নকে সামনে রাখছে—তার ইঙ্গিত লুকিয়ে থাকে এই প্রথম ১০০ দিনে।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ১০০ দিনকে তাই শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রমের তালিকা দিয়ে বিচার করলে ভুল হবে। বরং দেখতে হবে, এই সময়ের ভেতর দিয়ে রাষ্ট্র কোন দিকে হাঁটতে শুরু করেছে। গ্রামের কৃষক, শহরের শ্রমিক, শিক্ষিত বেকার, মধ্যবিত্ত পরিবার, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে উদ্বিগ্ন মা কিংবা বন্যা-খরায় বিপর্যস্ত উত্তরাঞ্চলের মানুষ—তাদের জীবনে কোনো আশার আলো জ্বলেছে কি না, সেটিই আসল প্রশ্ন। এই ১০০ দিনে সরকার সবচেয়ে বেশি যে শব্দগুলো উচ্চারণ করেছে, তার মধ্যে ছিল—‘মানুষ’, ‘পুনর্বাসন’, ‘উন্নয়ন’, ‘কর্মসংস্থান’, ‘খাদ্য নিরাপত্তা’, ‘সামাজিক সুরক্ষা’ ও ‘গ্রামভিত্তিক অর্থনীতি’। ফলে রাষ্ট্রের নীতিগত অগ্রাধিকারও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে খাল খননের মাধ্যমে কৃষি ও পরিবেশ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ—সবকিছু যেন এক সুতায় বাঁধা একটি রাজনৈতিক দর্শনের বহিঃপ্রকাশ। এই রাষ্ট্রচিন্তার কেন্দ্রে উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জীবনদর্শনের কথাও। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন বহু সময় এসেছে, যখন উন্নয়নের বড় বড় সেতু, উড়ালসড়কের আড়ালে সাধারণ মানুষের নীরব কষ্ট চাপা পড়ে গেছে। কিন্তু রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি শুধু অবকাঠামো নয়, রাষ্ট্রের শক্তি তার মানুষের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনার ক্ষমতা।
ফ্যামিলি কার্ড : বাংলাদেশের নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি। বাজারে যখন চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, চিনি কিংবা আটা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়, তখন সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়ে দিনমজুর, রিকশাচালক, শ্রমিক, ক্ষুদ্র দোকানি ও স্বল্প আয়ের পরিবার। এই বাস্তবতায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিকে সরকার শুধু একটি ভর্তুকি প্রকল্প হিসেবে দেখেনি, বরং এটি ছিল সামাজিক নিরাপত্তার এক মানবিক কাঠামো। রাষ্ট্র যেন দরিদ্র মানুষের ঘরে গিয়ে বলছে, ‘তুমি একা নও, রাষ্ট্র তোমার পাশে আছে।’ ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় স্বল্পমূল্যে চাল, ডাল, তেল ও প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য বিতরণ সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে। বিশেষ করে শহরের বস্তিবাসী ও গ্রামের নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এটি হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার এক নীরব আশ্রয়।
কৃষক কার্ড : ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি সরকারের আরেকটি আলোচিত উদ্যোগ ছিল ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন। বাংলাদেশের কৃষক যুগের পর যুগ এ দেশের অর্থনীতির ভিত গড়ে তুললেও অনেক সময় রাষ্ট্রীয় সহায়তা পৌঁছেনি প্রকৃত চাষির হাতে। কৃষক কার্ড সেই বিচ্ছিন্নতার দেয়াল ভাঙার একটি প্রয়াস। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের তথ্যভাণ্ডার তৈরি, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, ভর্তুকি, সার ও বীজ সরবরাহ এবং কৃষি সহায়তা কার্যক্রমকে আরো স্বচ্ছ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একজন কৃষক যেন ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দায় দিনের পর দিন ঘুরে না বেড়ান, বরং রাষ্ট্র নিজেই তার দুয়ারে পৌঁছে যায়—এই দর্শনই যেন কর্মসূচিটির মূলভিত্তি। বাংলার কৃষক আসলে শুধু একজন উৎপাদক নন, তিনি এই ভূখণ্ডের জীবনরস। তাই কৃষক কার্ড শুধু একটি প্রশাসনিক পরিচয়পত্র নয়, এটি মাটির মানুষের প্রতি রাষ্ট্রের সম্মান প্রদর্শনের প্রতীক।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ : প্রথম ১০০ দিনে সরকার যে বিষয়টিকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিল, তা হলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ। কারণ জনগণের কাছে উন্নয়নের প্রথম শর্ত হচ্ছে বাজারে স্বস্তি। সরকার বাজার তদারকি জোরদার করে, আমদানিপ্রক্রিয়া সহজ করে, মজুদদারির বিরুদ্ধে অভিযান চালায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়। প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও বাজার মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়, যদিও শতভাগ সাফল্য আসেনি, তবু বাজারে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক স্থিতি ফিরে আসে। মানুষ অন্তত বুঝতে পারে, সরকার বাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদাসীন নয়। অর্থনীতির ভাষায় এটি হয়তো ‘সাপ্লাই ম্যানেজমেন্ট’, কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাষায় এটি ‘স্বস্তির চেষ্টা’।
খাল খনন : বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। কিন্তু এ দেশের অসংখ্য খাল, বিল, জলাশয় বছরের পর বছর দখল, ভরাট ও অব্যবস্থাপনায় মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে। একসময় যে খাল ছিল কৃষকের প্রাণ, আজ সেখানে জন্মেছে আগাছা কিংবা দখলদারের দেয়াল। বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের অন্যতম আলোচিত উদ্যোগ ছিল খাল খনন ও জলাধার পুনরুদ্ধার কর্মসূচি। অনেকেই এটিকে শুধু উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে দেখলেও এর গভীরতা আরো বিস্তৃত। এটি মূলত কৃষি, পরিবেশ ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে পুনর্জীবিত করার উদ্যোগ। খাল খননের ফলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়—কৃষিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা হ্রাস, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত ভারসাম্য পুনরুদ্ধার। উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল পুনঃখননের ফলে কৃষকের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়। কারণ কৃষক জানেন—পানি মানেই জীবন। খাল বাঁচলে কৃষি বাঁচবে, কৃষি বাঁচলে গ্রাম বাঁচবে।
কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন : বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি এখনো কৃষি ও গ্রাম। অথচ দীর্ঘদিন উন্নয়নের আলো অনেক ক্ষেত্রে শহরকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছিল। বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনে গ্রামীণ অবকাঠামো, কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় অর্থনীতির দিকে নতুন করে নজর দেওয়া হয়। সার ও বীজ সরবরাহ সহজ করা, কৃষিঋণ প্রাপ্তি বৃদ্ধি, সেচ সহায়তা এবং কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ কৃষকদের মধ্যে আস্থা তৈরি করে। গ্রামের মানুষ উন্নয়নকে বড় বক্তৃতায় নয়, রাস্তার ধুলা কমা, সেচের পানি পাওয়া কিংবা বাজারে ধানের দাম ঠিকঠাক থাকার মধ্য দিয়েই অনুভব করে। সেই বাস্তব উন্নয়নের দিকে সরকার নজর দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলেই অনেক বিশ্লেষক মনে করেন।
কর্মসংস্থান : বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি তার তরুণ জনগোষ্ঠী। কিন্তু এই তরুণরাই যখন বেকারত্বের যন্ত্রণায় হতাশ হয়ে পড়ে, তখন সেটি রাষ্ট্রের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে ওঠে। প্রথম ১০০ দিনে সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দেয়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে প্রণোদনা, স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পে শ্রমনির্ভর কর্মসূচি এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিশেষ করে খাল খনন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষিভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে স্থানীয় শ্রমিকদের সম্পৃক্ত করার ফলে কিছু এলাকায় তাৎক্ষণিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। যদিও এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়, তবু হতাশ তরুণদের জন্য এটি ছিল আশার একটি ক্ষুদ্র জানালা।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য : যে রাষ্ট্র শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেয় না, সেই রাষ্ট্র দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না। প্রথম ১০০ দিনে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সক্রিয়করণ এবং স্বাস্থ্যসেবায় ওষুধ সরবরাহ বাড়ানোর মতো কিছু উদ্যোগ নেয়। গ্রামীণ হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসাসেবা বাড়ানোর আলোচনা শুরু হয়। যদিও বাস্তবায়নে এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবু জনগণ অন্তত একটি নীতিগত অঙ্গীকার দেখতে পায়।
দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান—প্রত্যাশা ও বাস্তবতা : বাংলাদেশের মানুষ দুর্নীতিতে ক্লান্ত। উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ লুটপাট, টেন্ডারবাজি, দখলদারি—এসব বহুদিন ধরে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের কারণ। প্রথম ১০০ দিনে সরকার প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফেরানো ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তা দেয়। কিছু ক্ষেত্রে অভিযানও পরিচালিত হয়।
পররাষ্ট্রনীতি : বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ এশিয়া, বঙ্গোপসাগর, আঞ্চলিক বাণিজ্য ও বৈশ্বিক কূটনীতির জটিল বাস্তবতায় ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত জরুরি। প্রথম ১০০ দিনে সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন, প্রবাস আয়ের প্রবাহ বাড়ানো এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের দিকে গুরুত্ব দেয়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের চেষ্টাও লক্ষ করা যায়। সমালোচনা ও সীমাবদ্ধতা যেকোনো সরকারের মতো বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিন নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। বিরোধীরা বলছে, অনেক ঘোষণার বাস্তবায়ন এখনো দৃশ্যমান নয়। কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ধীরগতি, বাজার নিয়ন্ত্রণে সীমিত সফলতা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার অভিযোগও উঠেছে।
১০০ দিনের রাজনীতি : প্রথম ১০০ দিন কখনোই একটি সরকারের পূর্ণ মূল্যায়নের সময় নয়। কিন্তু এটি একটি দিকনির্দেশনা দেয়। বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনে সেই দিকনির্দেশনা স্পষ্ট—গ্রামীণ অর্থনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা, খাদ্য সহায়তা, কৃষি, পানি ও কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্ব। ফ্যামিলি কার্ড থেকে খাল খনন—এই দুই প্রতীক আসলে বাংলাদেশের দুই বাস্তবতাকে সামনে আনে। একদিকে দরিদ্র মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, অন্যদিকে কৃষি ও পরিবেশ রক্ষার সংগ্রাম। একটি মানুষের পেটের সঙ্গে সম্পর্কিত, অন্যটি মানুষের ভবিষ্যতের সঙ্গে।
উন্নয়নের মানে শুধু কংক্রিট নয়। বাংলাদেশের মানুষ এখন উন্নয়নের নতুন সংজ্ঞা খুঁজছে। বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের আলোচনায় তাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে মানুষের জীবনযাত্রার প্রশ্ন। ফ্যামিলি কার্ডের খাদ্য সহায়তা, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে মাটির মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, খাল খননের জলসভ্যতা পুনরুদ্ধার, কৃষির পুনর্জাগরণ, গ্রামীণ কর্মসংস্থান—এসব উদ্যোগের ভেতরে একটি মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার ইঙ্গিত খুঁজে পাওয়া যায়। এই রাষ্ট্রচিন্তার পেছনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জীবনাচারের প্রসঙ্গও অনেকের আলোচনায় এসেছে। রাজনৈতিক ক্ষমতার চেয়ে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাকে বড় করে দেখার যে বার্তা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তা গ্রামবাংলার মানুষের কল্পনায় এক ধরনের আবেগ তৈরি করেছে। তবে ইতিহাস শেষ পর্যন্ত শুধু ঘোষণাকে মনে রাখে না, ইতিহাস মনে রাখে বাস্তব পরিবর্তনকে। তাই এই ১০০ দিনের সাফল্য বা সম্ভাবনা টেকসই হবে কি না, তা নির্ভর করবে আগামী দিনের ধারাবাহিকতা, সততা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর। কারণ রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন তখনই ঘটে, যখন সাধারণ মানুষ মনে করে ‘এই দেশটি আমারও।’
লেখক : উপাচার্য, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়