আয়াতের অর্থ
‘হা-মিম, এই কিতাব পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহর কাছ থেকে অবতীর্ণ। নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।...এগুলো আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার কাছে তিলাওয়াত করেছি যথাযথভাবে। সুতরাং আল্লাহর ও তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা আর কোন বাণীতে বিশ্বাস করবে?’ (সুরা : জাসিয়া, আয়াত : ১-৬)
পবিত্র কোরআনের ৪৫তম সুরা জাসিয়া। মক্কায় অবতীর্ণ এই সুরায় চারটি রুকু ও ৩৭টি আয়াত আছে। অন্যান্য মক্কি সুরার মতো এই সুরায়ও বিশ্বাসের সংশোধনকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা ও বিধান
১. কোরআনে ‘আজিজ’ বিশেষণটি আল্লাহ ও কোরআন উভয়ের জন্য এ কথা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে যে আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাব তাঁর শান ও মর্যাদার অনুকূল।
২. আয়াতগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বিশ্বাসী, সুদৃঢ় বিশ্বাসের অধিকারী ও জ্ঞানী-বুদ্ধিমান শব্দগুলো আনা হয়েছে, যা মর্যাদার ক্ষেত্রে মুমিনদের ক্রমধারার প্রতি ইঙ্গিত করে।
৩. তাওহিদের প্রমাণ হিসেবে কোরআনে ছয়টি বড় নিদর্শনের বর্ণনা বারবার করা হয়েছে। তা হলো—ক. আসমান-জমিনের সৃষ্টি, খ. মানবসৃষ্টি, গ. চতুষ্পদ জন্তুর সৃষ্টি।
৪. এবং ঘ. রাত-দিনের পরিবর্তন, ঙ. বৃষ্টির মাধ্যমে জমিনকে সজীব করা, চ. বাতাস প্রবাহিত করা।
৫. উল্লিখিত ছয়টি নিদর্শন বারবার আলোচনা করার কারণ হলো তা যেকোনো স্তরের মানুষের পক্ষে অনুধাবন করা সম্ভব। (আল কোরআন তাদাব্বুর ওয়া আমল : ২৬/১৮)



