• ই-পেপার

ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে আইইউবিএটি শাখার বৃক্ষরোপণ ও ফলদ চারা বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে আইইউবিএটি শাখার বৃক্ষরোপণ ও ফলদ চারা বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

‘সবুজে সুন্দর আগামী’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে আইইউবিএটি শাখার আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও ফলদ গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) উত্তরার বিজয়নগর শান্তিনগর পল্লীর চন্দ্রবিন্দু পাঠশালার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশতাধিক বনজ, ফলদ ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ করা হয়।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এবং আইইউবিএটির সহযোগী অধ্যাপক সাদেকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইউবিএটি শাখার উপদেষ্টা সহযোগী অধ্যাপক মো. ফরহাদ হোসেন এবং বসুন্ধরা শুভসংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক সামনান ওলি।

সাদেকুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘আজ রোপণ করা একটি গাছই আগামী প্রজন্মের জন্য নির্মল পরিবেশের ভিত্তি হতে পারে। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া উচিত।’

মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার পাশাপাশি বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এ ধরনের কর্মসূচি তরুণদের সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং তরুণদের সবুজায়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করাই ছিল এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ সম্পাদক দীপ সাহা, নারী বিষয়ক সম্পাদক জাহার কবির, আইটি সেক্রেটারি তানজিল চৌধুরী, কার্যকরী সদস্য আইশা, সায়েম, রাইমুন বিশ্বাস এবং সাধারণ সদস্য মো. শাহনেওয়াজ, সাদিয়া আফরিন দিয়া, ফাইরুজ, তারিকুল ইসলাম, স্নেহাসহ বসুন্ধরা শুভসংঘ আইইউবিএটি শাখার বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক।

আজিজুল হক কলেজে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক
আজিজুল হক কলেজে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সংগৃহীত ছবি

‘সবুজে সুন্দর আগামী’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

ohg

অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহফুজুল ইসলাম উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘পৃথিবীকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য রাখতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। এই কলেজের প্রায় ৪০ থেকে ৪২ হাজার শিক্ষার্থীর প্রত্যেকে যদি একটি করে গাছ লাগায় কিংবা দুজন মিলে একটি গাছের দায়িত্ব নেয়, তাহলে বিশাল একটি সবুজ বনায়ন গড়ে তোলা সম্ভব। গাছ আমাদের নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই অপরিহার্য।’

ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, ‘দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এই আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মুনিরুজ্জামান বলেন, ‘বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের দেশব্যাপী সবুজায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবেই আমাদের এই আয়োজন। ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলোকে আরো সবুজ করে তুলতেই এসব চারা রোপণ করা হয়েছে।’

www

পরিবেশ সংরক্ষণে এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে শুভসংঘের উপদেষ্টা প্রভাষক আসাদুল্লাহ আল গনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক অভিঘাত মোকাবেলায় নিয়মিত বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলেজ ক্যাম্পাস এবং দুটি ছাত্রী হলে পেয়ারা, জাম, লেবু, বাদাম, মাল্টা, তেঁতুল, আম, লিচু ও জলপাইসহ শতাধিক ফলদ গাছের পাশাপাশি কৃষ্ণচূড়া, জবা, বকুল, গাঁদা ও গন্ধরাজসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়।

গাছের চারা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরাও। বেগম রোকেয়া হলের শিক্ষার্থী বর্ষা বলেন, ‘এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘকে ধন্যবাদ জানাই।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহফুজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক শামসুল আলম এবং বসুন্ধরা শুভসংঘ সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার উপদেষ্টা ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আসাদুল্লাহ আল গনি, সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাজিবুল ইসলাম শাকিল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম বিপ্লব, সদস্যসচিব রাফিউল ইসলামসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সায়েম নিশাত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তালহা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, সহ-প্রচার সম্পাদক রাশেদুল আহসান মনির, সদস্য মো. মেহেদী হাসান, আল ইমরান, রাকিবুল হাসান, ফাহিমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য।

ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রভাব’ শীর্ষক আলোচনাসভা

মো. শাফায়াত হোসেন সিয়াম, ভোলা
ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রভাব’ শীর্ষক আলোচনাসভা
সংগৃহীত ছবি

জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করে তোলা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে দ্বীপজেলা ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখা আয়োজিত আলোচনাসভায় শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে জলবায়ুসংকট, পরিবেশদূষণ, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরে।

আলোচনাসভায় বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক ও জাতীয় প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়া, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং দীর্ঘমেয়াদি খরাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের অন্যতম কারণ জলবায়ু পরিবর্তন। বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা হিসেবে ভোলা ইতিমধ্যেই এসব প্রভাবের মুখোমুখি হচ্ছে। তাই এখন থেকেই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের বিকল্প নেই।

বক্তারা আরো বলেন, একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তারা যদি নিজেদের পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজে পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দেয়, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, বৃক্ষরোপণ, পানি ও বিদ্যুতের অপচয় রোধ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনাসভায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং আলোচকরা বাস্তবসম্মত উদাহরণের মাধ্যমে সেগুলোর উত্তর দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। তারা নিজেদের এলাকায় বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মীর আবিদ হোসেন রাফির সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সহসভাপতি আশরাফুন নাহার, মো. জাহিদ হাসান, যুগ্ম সম্পাদক ইফাজ হোসেন, ফজলে রাব্বি,  দপ্তর সম্পাদক নুর ফাতেমা, অর্থ সম্পাদক সাফা ইসলাম, কর্ম ও পরিকল্পনা সম্পাদক ইসরাত জাহান নুহা, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মো. সাব্বিরসহ বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা। 

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মীর আবিদ হোসেন রাফি বলেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক আলোচনা, সেমিনার, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং পরিবেশবান্ধব নানা উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’

এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

ময়মনসিংহে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বিতর্ক প্রতিযোগিতা

নাফিউল হাসান মুবিন, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বিতর্ক প্রতিযোগিতা
সংগৃহীত ছবি

বসুন্ধরা শুভসংঘ ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আনন্দ মোহন কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের সহযোগিতায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতার মোশন ছিল— ‘এই সংসদ মনে করে যে, প্রস্তাবিত বাজেটটি বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট (ডলার সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও রাজস্ব ঘাটতি) মোকাবিলার চেয়ে বিদেশি ঋণদাতা সংস্থাসমূহ যেমন—আইএমএফ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, এডিবি ও জাইকা-এর শর্ত পূরণ এবং রাজনৈতিক সন্তুষ্টির একটি উচ্চাভিলাষী রূপরেখা মাত্র।’

বিতর্কে সরকারি দল হিসেবে অংশগ্রহণ করে টিম-১, দলের সদস্য ছিলেন গোলাপ রাণী (রসায়ন বিভাগ), শোভা (গণিত বিভাগ ) ও জোবায়ের (রসায়ন বিভাগ)। বিরোধী দল হিসেবে অংশগ্রহণ করে টিম-২, দলটির সদস্য ছিলেন সুম্মিতা (গণিত বিভাগ ), জেনি (অর্থনীতি বিভাগ ) ও তালহা (পদার্থ বিভাগ)।  যুক্তি, তথ্য ও উপস্থাপনায় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে সরকারি দল বিজয় অর্জন করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনন্দ মোহন কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জেড. এইচ. এম. জুয়েল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল আল মামুন, মো. নাজমুল হাসান, মাহমুদুল হাসান, সাব্বির ইসলাম এবং শিক্ষার্থী উপদেষ্টা খাদিজা ফেরদৌসী জেনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেড. এইচ. এম. জুয়েল বলেন, ‘বিতর্ক একজন শিক্ষার্থীর যুক্তিবোধ, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক।’

শিক্ষার্থী উপদেষ্টা খাদিজা ফেরদৌসী জেনি বলেন, ‘বিতর্কচর্চা শিক্ষার্থীদের মুক্তচিন্তা, গবেষণামনস্কতা এবং যৌক্তিকভাবে মত প্রকাশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাই।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি নাফিউল হাসান মুবিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘তরুণদের মধ্যে যুক্তিবাদী চিন্তা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরিতে বিতর্ক একটি কার্যকর মাধ্যম। বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় শিক্ষার্থীদের মেধা ও মানবিক বিকাশে এমন সৃজনশীল কার্যক্রম আয়োজন করে যাবে।’

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী সরকারি দলকে অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে বিতর্কে অংশগ্রহণকারী সরকারি দল ও বিরোধী দলের সকল ছয়জন বিতার্কিককে তাদের অংশগ্রহণ, যুক্তিনির্ভর উপস্থাপনা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ ময়মনসিংহ জেলা শাখার পক্ষ থেকে বই উপহার প্রদান করা হয়। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে নিয়মিত পাঠাভ্যাস ও যুক্তিচর্চার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী সরকারি দলকে অভিনন্দন জানানো হয় এবং ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের জ্ঞানভিত্তিক ও সৃজনশীল কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমেদ, যুব সাধারণ সম্পাদক নাবিলা কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিমুর রহমান রিয়াদ, প্রচার সম্পাদক আনিতুর রহমান সাদী এবং কার্যকরী সদস্য রুপম রায়, শেফালী ঘোষ, দুর্জয় সরকার ও আতিকুল ইসলাম।