• ই-পেপার

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম আবারও কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বুধবার (১ জুলাই) থেকে কমানো দামে সোনা ও রুপা বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস জানায়, গত ৩০ জুন স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা (পিওর গোল্ড) ও রুপার (পিওর সিলভার) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দর কার্যকর হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, রুপার দামও কমানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯১ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ২৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ২ হাজার ৭৪১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের তথ্যমতে, সর্বশেষ সিদ্ধান্তে প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমানো হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কারুকাজভেদে মজুরি প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে আগের নিয়মই বহাল থাকবে। রুপার অলঙ্কারের ভ্যাট বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন

অনলাইন ডেস্ক
আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন

ব্যাংক হলিডে উপলক্ষে আজ (বুধবার) দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে গ্রাহক পর্যায়ের সব ধরনের লেনদেন বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে বন্ধ থাকবে দেশের শেয়ারবাজারের লেনদেনও।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ শাখা সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। এসব কার্যালয়ে শুধু প্রশাসনিক ও হিসাবসংক্রান্ত কাজ পরিচালিত হবে, গ্রাহকদের কোনো ধরনের ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রতিবছর ১ জুলাই ব্যাংক খাতে অর্ধবার্ষিক সমাপনী উপলক্ষে ব্যাংক হলিডে পালন করা হয়। এ সময় জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসের হিসাব-নিকাশ চূড়ান্ত করে অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ব্যাংকগুলো।

এ কারণে বুধবার কোনো শাখা থেকে টাকা জমা বা উত্তোলন করা যাবে না। বন্ধ থাকবে চেক নিষ্পত্তি, ডিমান্ড ড্রাফট, পে-অর্ডারসহ শাখাভিত্তিক সব ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম। তবে এটিএম, কার্ডভিত্তিক লেনদেন ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে। আন্তঃব্যাংক নিষ্পত্তিনির্ভর কিছু সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে।

প্রতি বছরের ১ জুলাই ও ৩১ ডিসেম্বর দুদিন ব্যাংক হলিডে। প্রথা অনুযায়ী আর্থিক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার জন্য বার্ষিক হিসাব-নিকাশ শেষ করতে প্রতিবছর এ দুই দিন ব্যাংক হলিডে পালন করা হয়। অর্থবছরের প্রথম দিন ১ জুলাই এবং পঞ্জিকা বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর তফসিলি ব্যাংকের সব ধরনের লেনদেন বন্ধ রাখা হয়। তবে এ দুদিন বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রধান কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখার দাফতরিক কার্যক্রম চলে।

এক বছরে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫৪৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার

অনলাইন ডেস্ক
এক বছরে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫৪৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার

এক বছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে তিন হাজার ৫৪৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১ জুলাই থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩ হাজার ২১ কোটি ৩০ লাখ (৩০.২১৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার।

এদিকে চলতি জুন মাসের প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ (২.৬৮৬ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এ অঙ্ক ছিল ২৭০ কোটি ৭০ লাখ (২.৭০৭ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। ফলে জুন মাসের প্রথম ২৯ দিনের হিসেবে রেমিট্যান্স আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে।

ঋণের মূল টাকা পরিশোধ করেই পার পাবেন খেলাপিরা

অনলাইন ডেস্ক
ঋণের মূল টাকা পরিশোধ করেই পার পাবেন খেলাপিরা

খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে ও ব্যাংকগুলোর নতুন ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ এক্সিট সুবিধা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নীতিমালার আওতায় আর্থিক সংকটে পড়লেও যেসব ঋণগ্রহীতার ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে, তারা ঋণের মূল টাকা এককালীন পরিশোধ করে দায় নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে সোমবার এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে উৎপাদনশীল খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর সম্পদের গুণগত মান, তারল্য ব্যবস্থাপনা ও নতুন ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ‘মন্দ’ ও ‘ক্ষতিজনক’ শ্রেণিতে থাকা ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন এবং ব্যাংকার গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে বিশেষ এক্সিট সুবিধা দেওয়া যাবে। তবে এ বিশেষ এক্সিট সুবিধা পেতে কিছু শর্ত রয়েছে।

সেগুলো হলো, ঋণগ্রহীতাকে এককালীন পুরো বকেয়া পরিশোধ করতে হবে, সব আরোপিত ও অনারোপিত সুদ মওকুফের ক্ষেত্রে আগের দুটি সার্কুলারের (২০২২ সালের ২১ এপ্রিল জারি করা সার্কুলারের তহবিল ব্যয় আদায় নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত শর্ত এবং ওই বছরের ২৪ মে জারি করা রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংকের আয় খাত বিকলন না করার শর্ত) শিথিল থাকবে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত যেসব ‘মন্দ’ বা ‘ক্ষতিজনক’ মানের ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়েছে, সেগুলোও এই সার্কুলারের আওতায় বিশেষ এক্সিট সুবিধা পাবে এবং কৃষি খাতের স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণ ও সিএমএসএমই খাতের কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র ঋণগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।