• ই-পেপার

সিজেএফডির নতুন সভাপতি শামীম জাহাঙ্গীর, সম্পাদক তৌহিদ

মেট্রো রেল চলাচলের সময় বাড়ছে

অনলাইন ডেস্ক
মেট্রো রেল চলাচলের সময় বাড়ছে

রাতে মেট্রো রেল চলাচলের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রবিবার (৭ জুন) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

ডিএমটিসিএলের তথ্য মতে, রবিবার থেকে মেট্রো রেলের চলাচলের সময় রাতের দিকে উভয় প্রান্তে ২০ মিনিট করে বাড়ানো হচ্ছে। ফলে মতিঝিল থেকে উত্তরার উদ্দেশে শেষ ট্রেন রাত সাড়ে ১০টায় ছেড়ে যাবে, যা বর্তমানে রাত ১০টা ১০ মিনিটে ছাড়ে। একইভাবে উত্তরা থেকে মতিঝিলগামী সর্বশেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে, যেখানে বর্তমানে শেষ ট্রেন ছেড়ে যায় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে।

মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, রাতের চলাচলের সময় বাড়ানোর আগে এ বিষয়ে গত এক মাস ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রবিবার থেকে বর্ধিত সময়সূচিতে যাত্রী পরিবহন শুরু হবে। তবে প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত ২০ মিনিটে মাত্র একটি করে ট্রিপ পরিচালনা করা হবে। অর্থাৎ একটি ট্রেন মতিঝিলের দিকে এবং আরেকটি ট্রেন উত্তরার দিকে চলাচল করবে। ফলে এ সময় এক ট্রেনের পর আরেক ট্রেনের মধ্যে ১০ মিনিটের বিরতি থাকবে।

ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) নজরুল ইসলাম বলেন, ‘রাতে ২ দিক থেকেই মেট্রো রেল চলাচলের সময় বাড়ানোর সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, রবিবার থেকে রাতে উভয় দিক থেকে ২০ মিনিট বাড়তি চলাচল করবে।

বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষায় জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষায় জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি

বুড়িগঙ্গা নদীর দখল উচ্ছেদ, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও পরিকল্পিত খনন কাজ পরিচালনার জন্য জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। ‘বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলন’ সংগঠনের পক্ষ থেকে বুড়িগঙ্গা রক্ষায় ৫ দফা সুপারিশও তুলে ধরা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়। বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের সমন্বয়ক মিহির বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ আমিনুর রসূল, বাপা’র যুগ্ম সম্পাদক ও গ্রীন ভয়েসের কো-ফাউন্ডার হুমায়ুন কবির সুমন, ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের শাকিল আহমেদসহ অনেকেই।

1

উত্থাপিত ৫ দফা সুপারিশে বলা হয়, বুড়িগঙ্গা নদীর অবৈধ দখলদারদের দ্রুত উচ্ছেদ ও নদীর সীমানা পুনঃনির্ধারণ করতে হবে। জাতীয় বাজেটে নদী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের জন্য আলাদা ও স্থায়ী বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। বুড়িগঙ্গার নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত ও বৈজ্ঞানিক ড্রেজিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। শিল্প ও গৃহস্থালি বর্জ্য নদীতে ফেলা বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ ও কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। নদী রক্ষায় স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী নদী রক্ষা কর্তৃপক্ষ গঠন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও বাজেট দিতে হবে।

সমাবেশে আমিনুর রসুল বলেন, বুড়িগঙ্গা শুধু একটি নদী নয়, এটি ঢাকার জীবনরেখা। কিন্তু দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় এটি মৃতপ্রায় অবস্থায় পৌঁছেছে। দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য টেকসই ড্রেজিং, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং আলাদা বাজেট কাঠামো ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ রক্ষার প্রশ্নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক কঠোরতা অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মিহির বিশ্বাস বলেন, অবৈধ দখল, শিল্পবর্জ্য ও অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে ভয়াবহ সংকটে পড়েছে বুড়িগঙ্গা নদী। নদী দখলমুক্ত করা ও নিয়মিত খনন ছাড়া বুড়িগঙ্গাকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তাই এ খাতে জাতীয় বাজেটে পৃথক ও পর্যাপ্ত বরাদ্দ এখন সময়ের দাবি। শুধু ঘোষণার মাধ্যমে নয়, বুড়িগঙ্গা রক্ষায় বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

সেই ছয় শিশুর পরিবারকে চাকরি-আজীবন ফ্রি চিকিৎসার প্রস্তাব আদ্-দ্বীনের

অনলাইন ডেস্ক
সেই ছয় শিশুর পরিবারকে চাকরি-আজীবন ফ্রি চিকিৎসার প্রস্তাব আদ্-দ্বীনের
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে আজীবন থাকার ঘোষণা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের জন্য আজীবন বিনা মূল্যে চিকিৎসা, শিক্ষাসহায়তা, চাকরির সুযোগ এবং ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে এ ঘোষণা দেন প্রতিষ্ঠানটির লিগ্যাল টিমের সদস্য আইনজীবী শিশির মনির।

আরো পড়ুন
উত্তরায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ ৩, দুজন আশঙ্কাজনক

উত্তরায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ ৩, দুজন আশঙ্কাজনক

 

শিশির মনির বলেন, এখন পর্যন্ত ওই হাসপাতালে এ ঘটনার মতো আর কোনো দুর্ঘটনা একবারও সংঘটিত হয়নি। এই ঘটনায় হাসপাতাল পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে। তারা তদন্ত করেছে। ইতিমধ্যে ওই সেকশনগুলোতে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের কাছে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পাশে আজীবন দায়িত্ব পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন- প্রথমত, ভুক্তভোগী পরিবারের কোনো সদস্য—অর্থাৎ মা-বাবা কিংবা ভাই-বোন যত দিন জীবিত থাকবেন, তারা আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সব রোগের ফ্রি চিকিৎসা পাবেন, ওষুধ ছাড়া। 

দ্বিতীয়ত, হাসপাতালের মেডিক্যাল কলেজে কোনো উপযুক্ত ছাত্র যদি থাকে এই পরিবারের, তারা বিশেষ বৃত্তিতে এই মেডিক্যাল কলেজগুলোতে পড়াশোনা করতে পারবেন। এ ছাড়া এই পরিবারগুলোর কেউ যদি মনে করেন তারা উপযুক্ত, তাহলে হাসপাতাল সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে তারা চাকরি পাওয়ার হকদার হবেন। আদ্-দ্বীন হাসপাতাল মনে করে, এই ঘটনার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে একটি সম্মানজনক এবং রেসপেক্টফুল পজিশনে ভুক্তভোগী পরিবারকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করবে।

শিশির মনির দাবি করেন, ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে প্রাপ্ত তথ্য এবং দুটো তদন্ত প্রতিবেদন একসঙ্গে পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের পক্ষ থেকে কমেন্ট হলো, ‘এটি একটি অনিচ্ছাকৃত অবহেলার ফল এবং ভুক্তোভোগী পরিবার এবং আদ্-দ্বীনহাসপাতাল একসঙ্গে মনে করে, এই ঘটনার জন্য হাসপাতাল যেন পরিপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং বন্ধ না হয়। এ বিষয়ে সবাই একমত। কিন্তু যে বা যার অবহেলার কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, সে বা তার উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপও তারা দাবি করেন। এ ছাড়া তারা মনে করেন, ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটে এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। শুধু আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নয়, বাংলাদেশেই যেন ভবিষ্যতে এ রকম কোনো ঘটনা না ঘটে, এ বিষয়ে কনসার্ন অথরিটির কাছেও তারা কথা বলেছেন এবং এ রকম পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রতিবেদন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে এবং আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে তারা ৭২ ঘণ্টার ভেতরে কারণ দর্শাতে বলেছেন যে কেন হাসপাতালের লাইসেন্স ক্যানসেল করা হবে না। আগামীকাল বিকেল ৫টার মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য চিঠি পাঠিয়েছে। ওটা যেহেতু একটা লিগ্যাল প্রসেস, এটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লিগ্যালি মোকাবেলা করবে।

শিশির মনির বলেন, আমরা কেউই জীবন ফিরিয়ে দিতে পারব না, জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার এখতিয়ার আমাদের নেই। কিন্তু মানুষের পক্ষে যা যা করণীয় সম্ভব, তা সব কিছু করার জন্য উই আর রেডি।  

উত্তরায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ ৩, দুজন আশঙ্কাজনক

নিজস্ব প্রতিবেদক
উত্তরায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ ৩, দুজন আশঙ্কাজনক
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর উত্তরার উত্তরখানের এক বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুন লেগে তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধরা হলেন- হাসনা হেনা (৪০), আখি (২৫) ও আলী হোসেন (৫০)।

শনিবার (৬ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী সুমন আফসারি জানিয়েছেন, সকালে রান্না করতে গিয়েছিলেন হাসনা হেনা। এ সময় লিকেজ থেকে জমে থাকা আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, উত্তরখান এলাকা থেকে আগুনে দগ্ধ হয়ে তিনজন এখানে এসেছেন। তাদের মধ্যে আলী হোসেনের ১০০ শতাংশ দগ্ধ, হাসনা হেনার ৬০ শতাংশ ও আখির ১৫ শতাংশ দগ্ধ। তাদের তিনজনকেই ভর্তি করা হয়েছে, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে আলী হোসেন ও হাসনা হেনার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।