নোয়াখালীর হাতিয়াতে শ্রেণিকক্ষে এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) যৌন হয়রানির অভিযোগে মাওলানা আনসার উদ্দিন নামে এক মাদরাসা শিক্ষককে আটক করে জুতার মালা পরিয়ে এলাকায় ঘুরিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে ওই মাসরাসা শিক্ষককে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হয়।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের আহমদিয়া বাজারের মোজাফফর নূরানী মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আনসার উদ্দিন ওই মাদরাসার সহকারী শিক্ষক।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ভোরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ক্লাসে ১০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিলেন। পরে সোয়া ১০টার দিকে ক্লাস পুরোপুরি ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। ওই সময় শিক্ষার্থীরা বের হয়ে গেলে এক শিশুর সামনে আরেক শিশুকে খারাপভাবে স্পর্শ করেন অভিযুক্ত শিক্ষক। পরে ভুক্তভোগী শিশু বাড়ি ফিরে বিষয়টি তার মাকে জানান। এরপর শিশুটির বাবা স্থানীয়দের নিয়ে মাদরাসায় গিয়ে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। এসময় স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে গলায় জুতার মালা পরিয়ে এলাকায় ঘোরান। তখন স্থানীয় বাজার কমিটি, মসজিদ কমিটি ও মাদরাসা কমিটির নেতৃবৃন্দ বসে অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদরাসা থেকে বহিষ্কার করেন।
জানতে চাইলে মাদরাসার প্রধান মাওলানা শামছুদ্দিন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদরাসা কমিটি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ইতোমধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি শিশুর পরিবারের সদস্য আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বসে সমাধান করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাতিয়া থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শিশুর অভিভাবককে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত রাত ১০টা তারা কোনো অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




