• ই-পেপার

হত্যাচেষ্টা মামলায় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ ফের গ্রেপ্তার

অভিনেতা জাহের আলভী দুই দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
অভিনেতা জাহের আলভী দুই দিনের রিমান্ডে
ছবি : কালের কণ্ঠ

স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়ার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এই আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মো. আব্দুল মালেক গত রোববার জাহের আলভীকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন। ওই দিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য আজকের দিন (বুধবার) ধার্য করেন। আজ শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন জাহের আলভী। আদালত সেদিন তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

উচ্চ আদালতে চার কর্মদিবসে ২০৭৪০ পুরনো মামলা নিষ্পত্তি

অনলাইন ডেস্ক
উচ্চ আদালতে চার কর্মদিবসে ২০৭৪০ পুরনো মামলা নিষ্পত্তি

হাইকোর্টে মাত্র চার কার্যদিবসে ২০ হাজার ৭৪০টি পুরনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। এতে আদালতে মামলার জট হ্রাস ও বিচারব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৩ হাজার ২৪৭টি পুরনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। একই সঙ্গে রিট মোশন বেঞ্চে ১ হাজার ৭৬৫টি পুরনো রিট মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। গত ১৪ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৩ হাজার ৮৪২টি পুরনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়। একই সঙ্গে রিট মোশন বেঞ্চে ৩ হাজার ২৬২টি পুরনো রিট মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

১১ জুন হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৬ হাজার ১৯৯টি পুরনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়। এ ছাড়া গত ১৮ জুন হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চগুলোতে ১ হাজার ৮৮৪টি পুরনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। একই সঙ্গে রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে ৫৪১টি পুরনো রিট মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

সূত্র আরো জানায়, হাইকোর্টে পুরনো মামলা নিষ্পত্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মাত্র চার কার্যদিবসে (প্রতি সপ্তাহে এক দিন করে) মোট ১৫ হাজার ১৭২টি পুরনো ক্রিমিনাল মিস মামলা এবং ৫ হাজার ৫৬৮টি পুরনো রিট মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এই চার কার্যদিবসে হাইকোর্টে মোট ২০ হাজার ৭৪০টি পুরনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নির্দেশনা অনুসারে দীর্ঘদিনের পুরাতন মামলা নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে গত ৭ মে থেকে প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে পুরনো ক্রিমিনাল মিস ও পুরনো রিট মামলা নিষ্পত্তির বিশেষ এ কার্যক্রম শুরু হয়। বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, মামলা জট হ্রাস এবং বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত এই বিশেষ উদ্যোগের ফলে বিপুলসংখ্যক পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে।

এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, হাইকোর্টে পুরনো মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতির গৃহীত এই পদক্ষেপ প্রশংসনীয়। আমি আশা করি, এটি অব্যাহত থাকবে। সেই সঙ্গে মামলাজট নিরসনে আমরা অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে চাই। এরই মধ্যে আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করে মামলা জট নিরসনে কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছি। সেই সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষ থেকে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ১ হাজার ৪০০ মামলার একটি তালিকা দিয়েছি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

অনলাইন ডেস্ক
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ এ রিট দায়ের করেন। আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে রুল জারি করে বিবাদীদের কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া যে, কেন প্রতিপক্ষ সরকারের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হবে না, যেন তারা আইন অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন রহিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। কারণ আইনটি তার উদ্দেশ্য পূরণ করে ফেলেছে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিচারিকভাবে হত্যার অস্ত্র হিসেবে এর অপব্যবহার ও অপপ্রয়োগ প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংবিধানের বিধানগুলোর পরিপন্থী হওয়ায় সেই বিষয়টিও অবৈধ ও বাতিল চাওয়া হয়েছে।

সেতুর টোল আদায়ে অনিয়ম

শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের চুক্তিতে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাষ্ট্রের শতকোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোহাম্মদ আলমগীর এ তারিখ নির্ধারণ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওবায়দুল কাদের, আনিসুল হক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক জলিল, উপ-সচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, প্রকৌশলী মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, মো. আফতাব হোসেন খান, মো. আব্দুস সালাম এবং সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস (সিএনএস) লিমিটেডকে একক উৎসভিত্তিক দরপত্র পদ্ধতিতে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বে চলমান বৈধ টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিল করে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক আলোচনা ছাড়াই এ চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছিল।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সিএনএসকে নির্দিষ্ট অর্থমূল্যের পরিবর্তে মোট টোল আদায়ের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৪৮৯ কোটি টাকার বিল গ্রহণ করে। অথচ ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত একই সেতুর টোল ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এমবিইএল-এটিটির জন্য ব্যয় হয়েছিল মাত্র ১৫ কোটির কিছু বেশি।

এ ছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৫ মেয়াদে একই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড তিন বছরের চুক্তি পায় ৬৭ কোটি টাকায়। সেই হিসাব পাঁচ বছরের জন্য সমন্বয় করলে ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ১১২ কোটি টাকা। তুলনামূলক এই তথ্যের ভিত্তিতে দুদকের দাবি, সিএনএসকে একক উৎসভিত্তিক চুক্তি দেওয়ার কারণে রাষ্ট্রের প্রায় ৩০৯ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এ অভিযোগে গত বছরের ১২ অক্টোবর দুদক শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।