• ই-পেপার

তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলো নকআউটে যাবে যেভাবে

পুরস্কারটি আমার প্রাপ্য নয় : বেলিংহাম

ক্রীড়া ডেস্ক
পুরস্কারটি আমার প্রাপ্য নয় : বেলিংহাম

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে দুর্দান্ত শুরু করে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ম্যাচে এসে আফ্রিকার দেশ ঘানার কাছে হোঁচট খেল থ্রি লায়ন্সরা। ম্যাচে ৭৮.৮ শতাংশ বল দখল, ১৯টি শট, ৬১৯টি পাস খেলেও গোলের দেখা পায়নি টমাস টুখেলের শিষ্যরা। মুহুর্মুহু আক্রমণে যেয়েও ঘানার দৃঢ় ডিফেন্সে পরাস্ত হয় বেলিংহামরা। তাই ম্যাচ শেষে সেরার পুরস্কার পেয়ে ইংলিশ মিডফিল্ডার অকপটে স্বীকার করলেন পুরস্কারটির দাবিদার ঘানার কোনো একজন খেলোয়াড়।

ম্যান অব দ্য ম্যাচের ট্রফি হাতে নিয়েও মুখে হাসি নেই জুড বেলিংহামের। চোখেমুখে স্পষ্ট অস্বস্তি আর বিনয়। পুরস্কারটি গ্রহণ করার পর তিনি জানান, পুরো ম্যাচে নিজের ছন্দে ফিরতে তার বেশ কষ্ট হচ্ছিল।

ঘানার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে বেলিংহাম বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি মনে করি না আমি এটা পাওয়ার যোগ্য ছিলাম। তাদের ডিফেন্ডাররা দুর্দান্ত খেলেছে, পুরস্কার তাদের কারও পাওয়ার কথা ছিল।’

মাঝমাঠে পুরো ম্যাচ দাপিয়ে খেলেও বেলিংহাম জানেন, আসল নায়ক ছিলেন ঘানার রক্ষণের সৈনিকরা। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোল করে যে উদযাপন করেছিলেন। ঘানার বিপক্ষে সেই উদযাপনের সুযোগটাই আসেনি।

বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন সততা বিরল। নিজের দল জিততে না পারলে ব্যক্তিগত পুরস্কারের কোনো মূল্য নেই, বেলিংহাম বুঝিয়ে দিলেন সেটাই। ঘানার গোলকিপার লরেন্স আতি-জিগি আর সেন্টারব্যাক আলেকজান্ডার জিকু পুরো ম্যাচে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। বিশেষ করে আতি-জিগির দুটি নিশ্চিত গোল বাঁচানো সেভই ইংল্যান্ডকে তিন পয়েন্ট থেকে বঞ্চিত করেছে। 

বেলিংহামের চোখে তাই তারাই প্রকৃত ম্যাচ সেরা। বড় তারকার এমন স্বীকারোক্তি ঘানার লড়াইকে সম্মান জানায়, আবার ইংল্যান্ডের ড্রয়ের হতাশাটাও স্পষ্ট করে।

ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারানোর পর ঘানার সঙ্গে এই হোঁচট ইংল্যান্ডের শিরোপা স্বপ্নে প্রশ্ন তুলে দিল। বেলিংহাম মাঠে লড়েছেন, কিন্তু শেষ হাসিটা হাসতে পারেননি। তার এই বিনয়ী স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে, দলের ব্যর্থতার দায় তিনি নিজের কাঁধেই নিচ্ছেন। বড় ফুটবলার শুধু গোল করে নয়, চরিত্র দিয়েও চেনা যায়। 

মেসির ১৮ গোলের ১৬টিই বিশ্বকাপ না জেতা দলের বিপক্ষে

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসির ১৮ গোলের ১৬টিই বিশ্বকাপ না জেতা দলের বিপক্ষে
লিওনেল মেসি। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন লিওনেল মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে নিজের বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ১৮-তে উন্নীত করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এই কীর্তিতে তিনি পেছনে ফেলেছেন জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে (১৬)।

তবে মেসির এই ১৮ গোলের মধ্যে লুকিয়ে আছে একটি চমকপ্রদ পরিসংখ্যান। বিশ্বকাপে তার করা ১৮ গোলের ১৬টিই এসেছে এমন সব দলের বিপক্ষে, যারা কখনো বিশ্বকাপ জিততে পারেনি।

২০০৬ সালে সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ গোল করেন মেসি। এরপর ২০১৪ বিশ্বকাপে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, ইরান ও নাইজেরিয়ার বিপক্ষে চার গোল করেন। ২০১৮ সালে আবারও নাইজেরিয়ার জালে বল পাঠান তিনি।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরব, মেক্সিকো, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোল করেন মেসি। এর মধ্যে সৌদি আরব, নেদারল্যান্ডস ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে তার গোল গুলো ছিল পেনাল্টি থেকে। আর ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে করেন জোড়া গোল। এর একটি ছিল পেনাল্টি থেকে। আর চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে করেছেন আরো দুটি গোল।

সব মিলিয়ে মেসির ১৮ গোলের মধ্যে মাত্র দুটি এসেছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে— দুটিই ২০২২ সালের ফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে। বাকি ১৬ গোল এসেছে এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে, যাদের কারও বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস নেই।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ডও এখন মেসির দখলে। সর্বোচ্চ তিনটি পেনাল্টি মিসের রেকর্ড আছে তার। 

৩৮ বছর বয়সেও মেসির রেকর্ড ভাঙার অভিযান থেমে নেই। বিশ্বকাপের মঞ্চে তিনি যেন প্রতিটি ম্যাচেই নতুন করে ইতিহাস লিখছেন। আর তার ১৮ গোলের এই অনন্য পরিসংখ্যানও সেই ইতিহাসেরই আরেকটি নতুন অধ্যায়।

বিশ্বকাপে কবে মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা-পর্তুগাল

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে কবে মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা-পর্তুগাল
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল ইতিহাসের অবিসংবাদিত দুই মহানায়ক লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ক্লাব ফুটবলের সোনালী মঞ্চ থেকে শুরু করে ব্যালন ডি’অরের জমকালো রাত— গত দুই দশক ধরে ফুটবল বিশ্বকে বুঁদ করে রেখেছিলেন এই দুই কিংবদন্তি। তবে দুই মহাতারকার দীর্ঘ ও বর্ণিল ক্যারিয়ারে একটি অপূর্ণতা এখনও পুড়িয়ে মারছে কোটি ফুটবল ভক্তকে। ক্লাব ফুটবলের সেই চেনা দ্বৈরথ কখনো দেখা যায়নি ফুটবল বিশ্বকাপে। 

চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে এসে অবশেষে ফুরোতে পারে ফুটবলপ্রেমীদের সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ৪৮ দলের নতুন ও জটিল ফরম্যাটের কারণে এবার নকআউট পর্বের মারপ্যাঁচে দুই মহাতারকার মুখোমুখি হওয়ার কয়েকটি রোমাঞ্চকর সমীকরণ উঁকি দিচ্ছে।

চলমান বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা খেলছে ‘জে’ গ্রুপে এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল রয়েছে ‘কে’ গ্রুপে। গ্রুপ পর্বের শেষভাগের পারফরম্যান্স এবং নকআউট ব্র্যাকেটের সমীকরণ মেলালে দেখা হতে পারে এই দুই মহাতারকার।

নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতিমধ্যেই শেষ বত্রিশের টিকিট অনেকটাই নিশ্চিত করে রেখেছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রিয়া। আলবিসেলেস্তেদের পয়েন্ট যেখানে ৬, অস্ট্রিয়ার সেখানে ৩। যদি কোনো অঘটন ঘটে এবং আর্জেন্টিনা শেষ ম্যাচে হেরে যায়, আর অস্ট্রিয়া নিজেদের ম্যাচ জিতে নেয়, তবে দুই দলের পয়েন্ট হবে সমান। গোল ব্যবধানে অস্ট্রিয়া এগিয়ে গেলেও হেড-টু-হেড লড়াইয়ে এগিয়ে থাকায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই পরের রাউন্ডে যাবে আর্জেন্টিনা। অর্থাৎ, গ্রুপ সেরা হয়েই নকআউটে পা রাখছেন মেসিরা।

অন্যদিকে, পর্তুগালের সমীকরণ কিছুটা জটিল। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে আছেন রোনালদোরা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী কলম্বিয়াকে হারাতে পারলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে পর্তুগাল। তবে এই ম্যাচের যেকোনো ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। বিদায় না নিলে পর্তুগাল মূলত তিনটি অবস্থানে থেকে পরের রাউন্ডে যেতে পারে— গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, রানারআপ কিংবা সেরা তৃতীয় দল হিসেবে।

কোয়ার্টার ফাইনাল

যদি আর্জেন্টিনা এবং পর্তুগাল উভয় দলই নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন (শীর্ষ দল) হয়ে নকআউট পর্বে পা রাখে এবং পরবর্তী রাউন্ড অব ৩২ ও রাউন্ড অব ১৬-এর বাধা পার করতে পারে, তবে কোয়ার্টার ফাইনালেই দেখা হয়ে যাবে তাদের। সমীকরণ ঠিক থাকলে আগামী ১১ জুলাই কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়াতে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই দ্বৈরথটি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

রাউন্ড অব ৩২ 

৪৮ দলের নতুন নিয়মে এবারই প্রথম সেরা আটটি তৃতীয় দল নকআউট রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। সমীকরণ বলছে, আর্জেন্টিনা যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং পর্তুগাল নিজেদের গ্রুপে তৃতীয় হয়েও অন্যতম সেরা তৃতীয় দল হিসেবে কোয়ালিফাই করে, তবে টুর্নামেন্টের প্রথম নকআউট রাউন্ড অর্থাৎ ‘রাউন্ড অব ৩২’-এই দেখা হয়ে যেতে পারে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর।

সেমিফাইনাল
 
আবার পর্তুগাল যদি গ্রুপে তৃতীয় হয় কিন্তু অন্যতম সেরা তৃতীয় দল না হতে পারে, তবে ব্র্যাকেটের নিয়ম অনুযায়ী দুই দলের দেখা হতে পারে সেমিফাইনালের মঞ্চে।

ফাইনাল

সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত দৃশ্যটি মঞ্চস্থ হতে পারে যদি আর্জেন্টিনা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং পর্তুগাল গ্রুপ রানারআপ হয়। এমনটা হলে দুই দল সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি ব্র্যাকেটে চলে যাবে। সেক্ষেত্রে নকআউটের শুরুতে বা মাঝপথে তাদের মুখোমুখি হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। সব বাধা পেরিয়ে দুই দল যদি বিজয়ী বেশে এগিয়ে যেতে থাকে, তবে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের স্বপ্নের ফাইনালেই মুখোমুখি হবেন এই দুই কিংবদন্তি। 

সেই রজার মিলা কেন রোনালদোর সঙ্গে আলোচনায়

ক্রীড়া ডেস্ক
সেই রজার মিলা কেন রোনালদোর সঙ্গে আলোচনায়
ক্যামেরুন কিংবদন্তি রজার মিলা ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ২০২৬ বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে ইতিহাস গড়েছেন। ৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে গোল করে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়স্ক গোলদাতা হয়েছেন। আর সেই কারণেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে একটি নাম— রজার মিলা।

ফুটবলপ্রেমীদের নতুন প্রজন্মের অনেকেই হয়তো রজার মিলাকে মাঠে খেলতে দেখেননি। কিন্তু বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার যে রেকর্ডটি আজও অটুট, সেটির মালিক এই ক্যামেরুন কিংবদন্তি।

১৯৫২ সালের ২০ মে ক্যামেরুনে জন্ম নেওয়া রজার মিলা ছিলেন আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম পথিকৃৎ। আশির দশকে ফ্রান্সের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার পাশাপাশি জাতীয় দলের জার্সিতেও নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান তিনি।

তবে মিলাকে বিশ্ব ফুটবলে অমর করে রেখেছে ১৯৯০ ও ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ। ১৯৯০ ইতালি বিশ্বকাপে ৩৮ বছর বয়সে খেলতে নেমে চার গোল করেন তিনি এবং ক্যামেরুনকে প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কর্নার ফ্ল্যাগের পাশে তার বিখ্যাত নাচের উদযাপনও সেই আসরে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক গোলদাতার রেকর্ডটি প্রথম গড়েন ১৯৯০ সালেই। কিন্তু চার বছর পর যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে নিজের সেই রেকর্ড নিজেই ভেঙে দেন। ১৯৯৪ সালে রাশিয়ার বিপক্ষে গোল করার সময় তার বয়স ছিল ৪২ বছর ৩৯ দিন। আজও বিশ্বকাপের ইতিহাসে এত বেশি বয়সে আর কেউ গোল করতে পারেননি।

মজার ব্যাপার হলো, ১৯৮৮ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছিলেন মিলা। পরে ক্যামেরুনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পল বিয়ার অনুরোধে জাতীয় দলে ফিরে আসেন তিনি। সেই প্রত্যাবর্তনই বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম অনন্য কাহিনিতে পরিণত হয়।

রোনালদো এখন বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়সী গোলদাতা হলেও রজার মিলার রেকর্ড এখনো অনেকটাই নিরাপদ। তবে পর্তুগিজ তারকা এই বিশ্বকাপে যতবার গোল করছেন, ততবারই নতুন প্রজন্মের সামনে ফিরে আসছে ক্যামেরুনের সেই কিংবদন্তির নাম।

এদিকে রোনালদোর এই গোল আরেকটি ইতিহাসও গড়েছে। তিনি বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়েছেন। ২০০৬ থেকে ২০২৬— টানা ছয় বিশ্বকাপেই জালের দেখা পেয়েছেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ বয়সী গোলদাতাদের তালিকায় এখন শীর্ষ পাঁচে আছেন রজার মিলা, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, পেপে, লিওনেল মেসি এবং সুইডেনের গুন্নার গ্রেন।