• ই-পেপার

পুলিশের কাছ থেকে আ. লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৮

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটে উৎপাদন শুরু

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটে উৎপাদন শুরু

প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে।

বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও কারিগরি সমন্বয়ের পর ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিটটি থেকে প্রায় ১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। ধীরে ধীরে উৎপাদন ২০০ মেগাওয়াটের বেশি পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটও চালু রয়েছে। তবে এটি থেকে গড়ে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। দুই ইউনিট সচল থাকায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘প্রথম ইউনিটটি সীমিত সক্ষমতায় উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছিল। তৃতীয় ইউনিট চালু হওয়ায় কেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জাতীয় গ্রিডে স্থিতিশীলতা আনবে।’

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম বলেন, খনিতে উৎপাদিত কয়লা সংরক্ষণে বিদ্যমান সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিকল্প স্থানে মজুত এবং সীমিত পরিসরে বাজারজাতের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিটগুলো সচল থাকায় কয়লার চাহিদা বাড়বে, ফলে খনিতে উৎপাদিত কয়লার ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং সংরক্ষণজনিত চাপ কমবে।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, তৃতীয় ইউনিট পুনরায় উৎপাদনে ফেরায় জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ যুক্ত হবে, যা উত্তরাঞ্চলসহ দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করবে।

স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা, রায় শুনে এজলাসেই স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

ভোলা প্রতিনিধি
স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা, রায় শুনে এজলাসেই স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা
ছবি: কালের কণ্ঠ

ভোলায় আদালতের আদেশের অর্থ ভুল বুঝে এজলাসে দাঁড়িয়ে তরলজাতীয় পদার্থ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তারাভানু (৩৫) নামের এক যৌতুক মামলার বাদী। পুলিশ তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ভোলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আদালতের বিচারক ছিলেন সৌরভ রায় মিঠু। আহত নারী বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাহার উদ্দিনের স্ত্রী।

ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শেখ মো. নাসির উদ্দীন জানান, একটি সিআর মামলার বাদী ছিলেন ওই নারী। তিনি স্বামীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ওই মামলাটি করেছেন। আজ বুধবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতে তারিখ ছিল। আদালত চলাকালীন বাদী নারী এজলাসের মধ্যেই কিছু একটা পান করেছেন। তাৎক্ষণিক তাকে হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।

আদালত সূত্র ও উপস্থিত আইনজীবীরা জানান, আজ বুধবার তার মামলার চার্জ গঠনের জন্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। এ সময় বিচারক মামলার এক নম্বর আসামি বাদীর স্বামী বাহার উদ্দিনকে রেখে দুজন আসামিকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু বিষয়টি বাদী ভুল বুঝেছেন। তিনি মনে করেছেন তার স্বামীকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ সময় তার ব্যাগ থেকে তরল কিছু একটা বের করে এজলাসেই পান করেন।

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাতুর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। অবস্থা স্থিতিশীল আছে। আরো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কি পান করেছেন এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।

ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. ফরিদুর রহমান জানান, আমার ধারণা বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ওই নারীর ধারণা নেই। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন আজই বিচার পেয়ে যাবেন। এ কারণেই আদালত ১ নম্বর আসামিকে রেখে বাকি আসামিদের খালাস দেওয়ায় তিনি তাৎক্ষণিক এজলাসের মধ্যে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

আলো ছড়ানো প্রতিষ্ঠান ভবেশচন্দ্র পাঠাগার

নড়াইল প্রতিনিধি
আলো ছড়ানো প্রতিষ্ঠান ভবেশচন্দ্র পাঠাগার
নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ভবেশচন্দ্র গণপাঠ নিকেতনে পত্রিকা পড়ছেন পাঠকরা। সোমবার তোলা। কালের কণ্ঠ

হালকা সবুজ রঙের দেয়াল। সেখানে টানানো বিখ্যাত ব্যক্তিদের ছবি। মেঝেতে কয়েকটি টেবিল। পাশে পাঠকদের বসার জন্য আরাম চেয়ার। তিনটি কাঠের আলমারিতে সাজানো বই আর টেবিলে ১০টি জাতীয় পত্রিকা। 

চারপাশের দেয়ালজুড়ে নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, জসীমউদ্দিন, সুফিয়া কামাল, শামসুর রাহমান, স্বামী বিবেকানন্দ, এস এম সুলতান, মসলেম উদ্দিনসহ বিখ্যাত ব্যক্তিদের ছবি।

এভাবে সাজানো নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের মাইজপাড়া ভবেশচন্দ্র গণপাঠ নিকেতন। জেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের এ পাঠাগারটি গড়ে তোলা হয় ১৯৮৮ সালে। সে হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির বয়স ৩৮ বছর হতে চলেছে। 

শেষ বিকেলে কয়েকজন প্রবীণ পাঠক পাঠে মগ্ন। খবরের কাগজ পড়ছেন তারা। সেলিম শেখ এসব পাঠকের একজন। তিনি বলেন, ‘জীবনের শেষ বেলায় এই জায়গা একটু শান্তি দেয়। নিরিবিলি বসে পেপার পড়ি। মাঝেমাঝে বইও পড়ি। সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে বিকেলে যখন একসঙ্গে আমার বয়সী অনেকে এখানে আসেন।’

পাঠাগারে সময় কাটানো প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে সময় কাটাই। মাঝেমাঝে মনে হয় আঠারো বছর বয়স ফিরে পেয়েছি।’ পাঠাগারটির নানা সমস্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের পুরনো এই পাঠাগারটির এখনো সংস্কার হয়নি। পলেস্তারা খসে পড়েছে অনেক জায়গায়। সবচেয়ে বড় সমস্যা এখানে কোনো শৌচাগার নেই। এ ছাড়া পাঠাগারটিতে যদি বইয়ের সংখ্যা বাড়ানো হতো, তাহলে পাঠক আরো বাড়ত।’

সোমবার (২২ জুন) বিকেলে পাঠাগারটিতে গিয়ে দেখা যায়, একটি টিনশেড ঘরে চলছে কার্যক্রম। একটি কক্ষেই আলমারি, পাঠকদের জন্য চেয়ার-টেবিল। একটি টেলিভিশনও রয়েছে। ভেতরে যারা পাঠ করছেন, তারা অধিকাংশই ষাটোর্ধ্ব। ছায়াঘেরা প্রতিষ্ঠানটিতে পত্রিকা পড়তে নিয়মিত আসেন তারা। 

কয়েকজন পাঠক জানান, বিদ্যালয়ের টিফিনের সময়  শিক্ষার্থীদের ভিড় জমে। 

পাঠাগারটিতে শিশু কিশোরদের জন্য রয়েছে আলাদা বইয়ের সংগ্রহ। এখানে এসে বইপড়া ছাড়াও সদস্যরা সাত থেকে ১০ দিনের জন্য বই বাড়িতে নিয়ে পড়তে পারেন। পাঠাগারের গ্রন্থাগারিকের দায়িত্ব পালন করেন তুহিন মোল্যা। তিনি জানান, সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে পাঠাগারের কার্যক্রম। অধিকাংশ সময়ই তিনি উপস্থিত থাকেন। 

ভবেশচন্দ্র গণপাঠাগার নামকরণের ইতিহাস জানতে চাইলে পাঠাগারটি সাবেক লাইব্রেরিয়ান বিকাশ মল্লিক বলেন, এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়ানোর জন্য স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা তখনকার মাইজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ভবেশচন্দ্রের স্মরণে তার নামেই পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

পাঠাগারটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৫০। প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে প্রায় ১৩০০ বই। নিয়মিত জাতীয় পত্রিকা রাখা হয় ১০টি। প্রায় চার দশক ধরে বইপড়া ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু তা-ই নয়, শিক্ষার আলো ছড়ানোর পাশাপাশি নানা সেবামূলক কাজ পরিচালনা করছে এখানকার কমিটি। 

বিকাশ বলেন, তখনকার সময় সদস্যরা মাসিক দুই টাকা চাঁদা দিয়ে প্রতিষ্ঠান চালাতেন। এখানকার সুধী সমাজ এক হয়ে গণগ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিলে জমি দান করেন স্থানীয় বাসিন্দা গৌরাঙ্গ সাহা। পাঠাগারটি সাজিয়ে তুলতে নানা উদ্যোগ নেয় প্রতিষ্ঠানটির কমিটি।

কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনিচুজ্জামান সোহাগ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠাগারমুখী করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তারা যেন মোবাইল ফোনের পর্দা থেকে সরে এসে পাঠাগারমুখী হয়, সে জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের বই, খাতা, কলমসহ শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করার উদ্যোগ নিয়েছি।’ 

বিকলে বয়স্কদের যে পত্রিকা পড়ার যে আগ্রহ নিয়ে এখানে আসেন। একসঙ্গে তারা সময় কাটায় এটা একটা বড় বিষয়। যা অনেক জায়গা দেখা যায় না।এ সময় তিনি পাঠাগারটি পুরাতন এই ভবনটি পূর্ণ নির্মাণের সরকারি সহযোগিতা কামনা করেন।

নেত্রকোনায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
নেত্রকোনায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় স্ত্রী পারভীন আক্তারকে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে শফিকুল ইসলাম (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত শফিকুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

তবে মামলার অন্য দুই আসামি শ্বশুর তোরাব আলী ও শাশুড়ি সখিনা খাতুনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে বারহাট্টা উপজেলার রত্নপুর গ্রামের সোনা মিয়ার মেয়ে পারভীন আক্তারের সঙ্গে কলমাকান্দা উপজেলার ক্ষুদ্র সিধলী গ্রামের তোরাব আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলেসন্তান রয়েছে।

বিয়ের পর থেকেই শফিকুল ইসলাম যৌতুকের দাবিতে পারভীনকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার প্রায় এক মাস আগে তিনি স্ত্রীর কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পারভীনকে মারধর করা হয়। পরে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টির মীমাংসা হলে পারভীন আবার স্বামীর বাড়িতে ফিরে যান।

২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল গভীর রাতে প্রতিবেশীর মাধ্যমে পারভীনের মৃত্যুর খবর পান তার স্বজনরা। তারা শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে টিনের চৌচালা ঘরের বারান্দায় তার মরদেহ দেখতে পান। এ সময় শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবু ইউসুফ বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্বামী শফিকুল ইসলাম, শ্বশুর তোরাব আলী ও শাশুড়ি সখিনা খাতুনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরো ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও শুনানি শেষে আদালত শফিকুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মো. নুরুল কবির রুবেল বলেন, ‘এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে আদালত শফিকুল ইসলামকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।’