• ই-পেপার

খামেনির বিদায়ি অনুষ্ঠানে থাকছে ১০০ দেশের প্রতিনিধি

সুইডেনে রুশ দূতাবাসে ‘লাল বাক্স’ দিয়ে ড্রোন হামলা

অনলাইন ডেস্ক
সুইডেনে রুশ দূতাবাসে ‘লাল বাক্স’ দিয়ে ড্রোন হামলা
সংগৃহীত ছবি

ন্যাটোভুক্ত দেশ সুইডেনে অবস্থিত রাশিয়ার দূতাবাসে অভিনব ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় একটি ড্রোন থেকে লাল রং ভর্তি একটি বাক্স ফেলা হয়েছে এবং অন্য একটি ড্রোন থেকে একটি নকল বিস্ফোরক ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি।

রুশ বার্তা সংস্থা তাস নিউজ বলছে, বৃহস্পতিবার দূতাবাসের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সুইডেনে রাশিয়ার দূতাবাস ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। একটি কোয়াডকপ্টার দূতাবাস প্রাঙ্গণে লাল রং ভর্তি একটি বাক্স ফেলেছে। আরেকটি ড্রোনে সংযুক্ত একটি নকল বিস্ফোরক যন্ত্র দূতাবাস ভবনের ঠিক পাশেই পড়ে যায়।

দূতাবাস এ ঘটনাকে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশনকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রকাশ্য চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে তারা বলেছে, এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা এবং এর পরিণতির পূর্ণ দায় সুইডেনের।

এর আগে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশন জানিয়েছিল, ২০২৪ সালের মে মাস থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোতে ১৫টিরও বেশি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

দূতাবাসের দাবি, কয়েকটি ঘটনায় ভারী কাচের পাত্রে রং বহন করা হয়েছিল, যা বিধ্বস্ত হলে কাচের টুকরা ও ওজনের কারণে গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি ছিল।

রাশিয়ার জানিয়েছে, প্রতিটি ঘটনার পর পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্বাগতিক দেশ হিসেবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক নোট পাঠানো হয়েছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা অভিযোগ করেছেন, সুইডিশ কর্তৃপক্ষের নীরব সমর্থনের মাধ্যমেই সুইডেনে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশনে এসব ড্রোন হামলা ঘটছে।

তিনি ভিয়েনা কনভেনশনের অধীনে সুইডেনকে তার আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা কঠোরভাবে পালনের আহ্বান জানান।

তবে এখন পর্যন্ত কোনো হামলাকারীকে শনাক্ত করা যায়নি এবং একই ধরনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।

রুশ হামলায় কিয়েভে নিহত বেড়ে ২০

অনলাইন ডেস্ক
রুশ হামলায় কিয়েভে নিহত বেড়ে ২০
রয়টার্স ছবি

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতভর চালানো এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৯০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি বলছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ওপর চালানো এই হামলাকে এখন পর্যন্ত দেশটির ‘সবচেয়ে ভয়াবহ ও ব্যাপক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো। 

তিনি বলেন, হামলায় একটি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পরপরই নিহতদের স্মরণে কিয়েভে শুক্রবার শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে।

যদিও অতীতের কিছু হামলায় নিহতের সংখ্যা বেশি ছিল, তবে এবারের হামলায় রাজধানীজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় আঘাত হানা হয়েছে।

হামলার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় একাধিক এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘রাশিয়া বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

অন্যদিকে মস্কো দাবি করেছে, রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ইউক্রেনের হামলার জবাবে তারা সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য কিয়েভ সরকারের ওপর চাপ আরো বাড়ানো হবে।’

এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। 

এ বিষয়ে কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানান, হতাহতদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। শত্রুপক্ষ আবারও পরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষকে হত্যা করছে।

কিয়েভ মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার সময় প্রায় সাড়ে ৫২ হাজার মানুষ (যার মধ্যে সাড়ে ৪ হাজার শিশু) নিরাপত্তার জন্য ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি সর্বোচ্চ সংখ্যা।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি ছিল দক্ষিণ-পূর্ব কিয়েভের দারনিৎস্কি জেলা। সেখানে একটি বহুতল আবাসিক ভবনে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এক হাজার দিনে গাজায় প্রাণ হারাল ২১ হাজার শিশু

অনলাইন ডেস্ক
এক হাজার দিনে গাজায় প্রাণ হারাল ২১ হাজার শিশু
সংগৃহীত ছবি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের এক হাজার দিনে অন্তত ২১ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্বজুড়ের শিশুদের অধিকার, সুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা সেভ দ্য চিলড্রেন। সংস্থাটি বলেছে, এ ছাড়া আরো কয়েক লক্ষ শিশু বাস্তুচ্যুত ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার যুদ্ধের ১ হাজার দিন পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া বিবৃতিতে সেভ দ্য চিলড্রেন জানায়, বাড়িঘর, স্কুল এবং নিরাপত্তার অনুভূতি হারানোর পরেও শিশুরা শান্তির স্বপ্ন দেখে চলেছে।

সংস্থাটির মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও পূর্ব ইউরোপ অঞ্চলের পরিচালক আহমাদ আহেনদাউই তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এক প্রতিবেদনে বলেন, গত ১ হাজার দিনে গাজার ১০ লাখ শিশুকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্ব। কারণ তারা শিশু হত্যা ও অঙ্গহানি বন্ধ করতে হস্তক্ষেপ করেনি।

সংস্থাটি জানিয়েছে, যুদ্ধে অন্তত ২১ হাজার শিশু নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে, যদিও প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত আরো বেশি, কারণ অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। এ ছাড়া গাজার মোট শিশুর প্রায় ৮০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮ লাখের বেশি শিশু বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ৬ লাখ ২৫ হাজার স্কুলপড়ুয়া শিশু টানা তিন বছর ধরে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত।

প্রতিবেদনে ১৪ বছর বয়সী কিশোরী আমানি বলে, ‘আমরা যেকোনো মুহূর্তে মারা যেতে পারি। তবে আমি আশা করি, আমাদের জন্য যুদ্ধটা থেমে যাবে।’

নিজের অধিকারের বিষয়ে আমানি বলেন, ‘আমি যেন গাজায় আমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারি এবং অন্য দেশের যেকোনো মেয়ের মতো আমার অধিকার ভোগ করতে পারি। গাজায় এমন অনেক শিশু আছে যাদের কথা কেউ শোনে না।

১৪ বছর বয়সী কিশোরী বিসান জানায়, তার সবচেয়ে বড় ইচ্ছা যুদ্ধ শেষ হওয়া, সবাই নিজ নিজ ঘরে ফিরে যাওয়া এবং আগের জীবনে ফিরতে পারা।

সেভ দ্য চিলড্রেন অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ইসরাইলের কাছে অস্ত্র সরবরাহ স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজায় ইসরাইলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। 

এখন পর্যন্ত যুদ্ধে ৭৩ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং পুরো উপত্যকা ব্যাপকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি আদায়ের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি আদায়ের পরিকল্পনা
ছবি : রয়টার্স

ইরান ও ওমান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে ফি আদায়ের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগের বিরোধিতা করছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে দীর্ঘদিনের ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।

হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করেছে। যুদ্ধের আগে এই পথ দিয়ে জাহাজগুলো বিনা খরচে চলাচল করত। বিশ্বের বড় অংশের তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। তবে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরান এই নৌপথে প্রভাব বিস্তার করে, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ওমান যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে একটি প্রস্তাব দিয়েছে। এতে প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজ ও শিপিং কম্পানির কাছ থেকে সেবা ফি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওমানের দাবি, এটি বাধ্যতামূলক টোল নয়, বরং স্বেচ্ছাভিত্তিক ফি। তবে ইরানের কিছু কর্মকর্তা বলছেন, এই অর্থ প্রদান বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। 

ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি বলেছেন, তেহরান চায় ওমানের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা হোক। কিন্তু সমঝোতা না হলে ইরান নিজস্ব পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে পারে। ওমান দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটি কঠিন কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

মে মাসে ওমান ও ইরানের যৌথ উদ্যোগে ফি আদায়ের সম্ভাবনা প্রকাশ্যে আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর তীব্র সমালোচনা করেন। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে চলাচলের জন্য কোনো ধরনের ফি, টোল বা অনুদান আদায়ের ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করবে না। তার মতে, প্রণালিকে যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। তবে ইরানের অবস্থান ভিন্ন। 

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না। ইরানের কর্মকর্তারা মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে তাদের বর্তমান প্রভাব একটি বড় কৌশলগত শক্তি। এদিকে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি বলেছেন, প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়। তাই স্বেচ্ছাভিত্তিক অর্থ সংগ্রহের একটি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। 

তিনি মালাক্কা ও সিঙ্গাপুর প্রণালির উদাহরণ দেন, যেখানে নিরাপদ নৌ চলাচলের জন্য স্বেচ্ছা অনুদান সংগ্রহ করা হয়। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গুয়েজও বলেছেন, বাধ্যতামূলক টোল আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে স্বেচ্ছাভিত্তিক একটি তহবিল গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে ওমানের এই প্রস্তাব উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। 

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান বলেছেন, হরমুজ প্রণালিকে যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া উচিত এবং নতুন কোনো ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ এখন শুধু নৌপরিবহন নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, কূটনীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।