• ই-পেপার

ইউক্রেনের হামলা, ক্রিমিয়ায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট

ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ
ছবি : রয়টার্স

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং বলেছেন, তিনি ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

এর আগে ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করতে প্রস্তুত।’ এ ছাড়া তিনি জানান, তাদের সরকারের সমস্ত সংস্থাকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে নির্দেশ দিয়েছেন। 

ফেসবুকে শেয়ার করা এক বিবৃতিতে ডেলসি রদ্রিগেজ বলেন, মার্কিন সরকার ভেনেজুয়েলাকে সমর্থন ও সংহতির প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যান্য নেতাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে রদ্রিগেজের শেয়ার করা একাধিক বার্তার মধ্যে এটি একটি। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিলির রাষ্ট্রপতি হোসে আন্তোনিও কাস্টসহ আরো অনেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

ভেনিজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) সতর্ক করে বলেছে, এ দুর্যোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটির প্রাথমিক মূল্যায়নে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১ লাখের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ জন নিহত এবং প্রায় ৭০০ জন আহত হয়েছেন। এটাই ভূমিকম্পের পর সরকারিভাবে প্রকাশিত প্রথম হতাহতের হিসাব।

উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে হতাহতের সর্বশেষ সংখ্যা জানানো হবে। স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ জুন) ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের পশ্চিম এলাকায় এই ভয়াবহ ভূমিকম্প দুইটি অনুভূত হয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার (১৭৬ মাইল) পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে, যার মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২। এর পরপরই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার (১৮২ মাইল) পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

ভ্লগে হোয়াইট হাউসের অন্দরমহল দেখিয়ে ভাইরাল ট্রাম্পের নাতনি

অনলাইন ডেস্ক
ভ্লগে হোয়াইট হাউসের অন্দরমহল দেখিয়ে ভাইরাল ট্রাম্পের নাতনি
ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৭ বছর বয়সী নাতনি কাই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা কয়েকটি ভিডিও ব্লগ বা ভ্লগের কারণে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। এসব ভিডিওতে তিনি হোয়াইট হাউসের ব্যক্তিগত আবাসিক অংশের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখিয়েছেন, যা সাধারণত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে না।

কাইয়ের প্রকাশিত ভিডিওগুলোতে হোয়াইট হাউসের এমন কিছু অংশ দেখা গেছে, যা নিয়মিত দর্শনার্থীদের ভ্রমণসূচির অন্তর্ভুক্ত নয়। এর মধ্যে রয়েছে একটি বোলিং অ্যালি, গলফ সিমুলেটর কক্ষ, আধুনিক ব্যায়ামাগার এবং ব্যক্তিগত পোশাক পরিবর্তনের কক্ষ। ভিডিওতে কাই আরো জানান, তিনি হোয়াইট হাউসের ঐতিহাসিক লিংকন বেডরুমেও থেকেছেন। এই কক্ষটি হোয়াইট হাউসের সবচেয়ে পরিচিত এবং ইতিহাসসমৃদ্ধ কক্ষগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ছাড়া তার ভ্লগে হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশের দৃশ্যও দেখা যায়। ফলে ভিডিওগুলো প্রকাশের পর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

অনেকেই কাই ট্রাম্পের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, ভিডিওগুলো সাধারণ মানুষের কাছে হোয়াইট হাউসের ভেতরের একটি ভিন্ন ও ব্যতিক্রমী চিত্র তুলে ধরেছে। একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, বেশিরভাগ মানুষ নিজেদের বাড়ি বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভিডিও তৈরি করেন। কিন্তু কাই ট্রাম্প স্বাভাবিকভাবে হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখিয়েছেন। তার ভিডিওতে ওভাল অফিস এবং প্রেসিডেন্টের বিখ্যাত রেজোলিউট ডেস্কও দেখা গেছে। অনেকের মতে, এটি যেন ইতিহাসকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ। আরেকজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, কাই সম্ভবত প্রথম কোনো প্রেসিডেন্টের নাতনি, যিনি এভাবে হোয়াইট হাউসের ভেতরের জীবন নিয়ে খোলামেলা ভিডিও তৈরি করেছেন। তার মতে, অতীতে অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট পরিবারের সদস্য এমন উদ্যোগ নেননি।

তবে সবাই এই ভিডিওগুলোকে ইতিবাচকভাবে দেখেননি। কোনো সরকারি দায়িত্ব না থাকা একজন কিশোরীকে এত বড় পরিসরে প্রচারের সুযোগ দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত- তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক সমালোচক। তাদের মতে, কাই মূলত প্রেসিডেন্টের নাতনি হওয়ার কারণেই বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করছেন। একজন সমালোচক মন্তব্য করেন ‘দুঃখের বিষয় হলো, শুধু ট্রাম্পের নাতনি হওয়ার কারণেই কাইকে তারকাখ্যাতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এরপর হয়তো তাকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কমিটির প্রধানও করা হবে। এখন সময় এসেছে এই দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা পরিষ্কার করার।’ তিনি এটিকে রাজনৈতিক প্রভাব ও বিশেষ সুবিধার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। 

কাই ট্রাম্পের ভ্লগগুলো শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তাই পায়নি, বরং নতুন একটি বিতর্কও তৈরি করেছে। প্রেসিডেন্টের পরিবারের ব্যক্তিগত জীবন এবং জনসাধারণের জানার অধিকারের মধ্যে সীমারেখা কোথায় হওয়া উচিত তা নিয়ে এখন অনেকেই আলোচনা করছেন। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে হোয়াইট হাউসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক একটি স্থাপনা কীভাবে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, কাইয়ের ভিডিওগুলো দেখিয়েছে যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নতুনভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সক্ষম। তবে এর সঙ্গে গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষার বিষয়গুলোও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।


 

ভূমিকম্পে প্রথম হতাহতের হিসাব প্রকাশ করল ভেনেজুয়েলা

অনলাইন ডেস্ক
ভূমিকম্পে প্রথম হতাহতের হিসাব প্রকাশ করল ভেনেজুয়েলা
ছবি : রয়টার্স

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ জন নিহত এবং প্রায় ৭০০ জন আহত হয়েছেন। এটাই ভূমিকম্পের পর সরকারিভাবে প্রকাশিত প্রথম হতাহতের হিসাব। 

উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে হতাহতের সর্বশেষ সংখ্যা জানানো হবে। এদিকে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) সতর্ক করে বলেছে, এ দুর্যোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

সংস্থাটির প্রাথমিক মূল্যায়নে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১ লাখের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ জুন) ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের পশ্চিম এলাকায় এই ভয়াবহ ভূমিকম্প দুইটি অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার (১৭৬ মাইল) পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে, যার মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২। এর পরপরই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার (১৮২ মাইল) পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

ভূমিকম্পে দেশটির রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ভবন ধসে পড়েছে। বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে এবং সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। উদ্ধারকর্মীরা জীবিতদের খুঁজে বের করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ বলেছেন, ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

ট্রিলিয়নেয়ারের খেতাব হারালেন ইলন মাস্ক

অনলাইন ডেস্ক
ট্রিলিয়নেয়ারের খেতাব হারালেন ইলন মাস্ক
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার (এক ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক) হওয়ার গৌরব অর্জনের দুই সপ্তাহের মধ্যেই সেই মর্যাদা হারালেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। শেয়ার বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তি খাতের শেয়ারের ব্যাপক দরপতনের কারণে তার সম্পদের পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। তবে এই বিপুল আর্থিক ক্ষতির পরও তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে নিজের শীর্ষ স্থানটি ধরে রেখেছেন।

গত ১২ জুন ইলন মাস্কের রকেট কোম্পানি ‘স্পেসএক্স’ শেয়ার বাজারে (আইপিও) পা রাখে। লেনদেন শুরুর পর স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়তে থাকে এবং কোম্পানির মূল্যমান ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। স্পেসএক্সের ৪২ শতাংশ শেয়ারের মালিক হওয়ায় ইলন মাস্কের মোট সম্পদ ১.১১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছায় এবং ১৬ জুনের মধ্যে তা সর্বোচ্চ ১.৩২ ট্রিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকে। এর মাধ্যমে তিনি ইতিহাসের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হিসেবে রেকর্ড গড়েন।

কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দীর্ঘমেয়াদি লাভ ও খরচ নিয়ে বাজারে উদ্বেগ তৈরি হলে প্রযুক্তি খাতের শেয়ারের ধস নামে। ফলে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ৩০ শতাংশেরও বেশি কমে যায়। সোমবার (২২ জুন) মাত্র একদিনেই স্পেসএক্সের শেয়ারের ১৬% পতনের কারণে মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদ থেকে প্রায় ২৪০ বিলিয়ন ডলার মুছে যায়। এর ঠিক পরের দিন তার বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার শেয়ারের দামও ৬% কমে যায়, যা তার ক্ষতি আরো বাড়িয়ে দেয়। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, বর্তমানে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৫৭ বিলিয়ন ডলারে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ইলন মাস্কের সম্পদ কোনো একটি নির্দিষ্ট খাতে সীমাবদ্ধ নয়। তার মোট সম্পদের প্রায় ৮০ শতাংশই স্পেসএক্স এবং বাকি অংশ টেসলার শেয়ারের ওপর নির্ভরশীল। তবে আশার কথা হলো, শেয়ার বাজারে স্পেসএক্সের স্টক মাত্র ৬% ঘুরে দাঁড়ালেই ইলন মাস্ক আবার তার ট্রিলিয়নেয়ার মর্যাদা ফিরে পাবেন। বিশ্লেষকদের মতে, তিনি হয়তো বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বারবার ট্রিলিয়নেয়ার হওয়ার রেকর্ডও গড়তে পারেন।