• ই-পেপার

রোনালদোর রেকর্ড ভেঙে মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস এমবাপ্পের

নরওয়ে ২ ব্রাজিল ০

ক্রীড়া ডেস্ক
নরওয়ে ২ ব্রাজিল ০
শেষ ষোলোর লড়াইটা শুধু ব্রাজিল-নরওয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না, ভিনি-হালান্ডের মধ্যেকারও হবে। ছবি : রয়টার্স

কি শিরোনাম দেখে একটু অবাক হচ্ছেন? শেষ ষোলোর ম্যাচে ব্রাজিল-নরওয়ে মুখোমুখি না হতেই কিভাবে জিতে গেল এটাই ভাবছেন তো। আপনারা আসলে ঠিকই ধরেছেন। নকআউটের ম্যাচটি এখনো হয়নি।

হবে আগামী ৬ জুলাই, রাত ২টায়। কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পাওয়ার লক্ষ্যে সেদিন নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সিতে মাঠে লড়বে ব্রাজিল-নরওয়ে। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর সেদিনই জানা যাবে কারা জিতবে।

তবে তার আগে চলেন শিরোনামের জট খোলা যাক। নরওয়ের নামের পাশে ২ হচ্ছে ব্রাজিলের বিপক্ষে তাদের জয়। এখন পর্যন্ত ৪ বার দেখা হয়েছে দুদলের। আর্লিং হালান্ডের ২ জয়ের বিপরীতে বাকি দুটি ড্র হয়েছে। ব্রাজিল জয় না পাওয়ায় তাই তাদের নামের পাশে শূন্যে বসেছে।

দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎ ১৯৮৮ সালে। প্রথম প্রীতি ম্যাচ ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয়। তবে ১৯৯৭ সালে দ্বিতীয় প্রীতিম্যাচে বড় ব্যবধানের জয় পায় নরওয়ে। ৪-২ গোলে সেলেসাওদের হারায় তারা।

বিশ্বকাপে প্রথম দেখা হয় ১৯৯৮ সালে। সেবার ব্রাজিল প্রথমে লিড নেওয়ার পরেও দুর্দান্ত কামব্যাকে ২-১ ব্যবধানের জয় পায় নরওয়ে। সর্বশেষ ২০০৬ সালে মুখোমুখি হয়েছে তারা। শেষ প্রীতিম্যাচ ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। এবার হারের ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার পালা ব্রাজিলের। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে দেখায় শুধু প্রতিশোধই নয়, হেক্সার স্বপ্নও জিইয়ে রাখার সময় ৫ বারের বিশ্বকাপ জয়ীদের। নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের সেই সুযোগ দেবেন কি আর্লিং হালান্ড-মার্টিন ওডেগার্ডরা।

ইকুয়েডরকে হারিয়ে ৮ বছর পর শেষ ষোলোয় মেক্সিকো

ক্রীড়া ডেস্ক
ইকুয়েডরকে হারিয়ে ৮ বছর পর শেষ ষোলোয় মেক্সিকো
মেক্সিকোর দ্বিতীয় গোলের সময় তাদের ফুটবলারদের উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

ঘরের দর্শকদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য যা দরকার তা প্রথমার্ধেই পেয়ে যায় মেক্সিকো। সেটিও একটি নয়, দুটি। তাই দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল না হলেও ঠিকই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিক মেক্সিকো।

ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে ৮ বছর পর শেষ ষোলোতেও জায়গা করে নিয়েছে তারা। সর্বশেষ ২০১৮ বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় খেলেছিল তারা। 

মেক্সিকো সিটিতে ম্যাচের শুরুতে ঘরের দর্শক-সমর্থকদের আনন্দে ভাসানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রাউল হিমেনেজ। তবে ষষ্ঠ মিনিটে ফ্রি হেডার হয়েও গোলরক্ষককে একদম সামনাসামনি পেয়েও সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি মেক্সিকোর অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার।

পরে অবশ্য প্রায়শ্চিত্ত করেছেন হিমেনেজ। ৩১ মিনিটে গোল করে ঘরের সমর্থকদের উল্লাসে মাতান তিনি। ১০ গজ থেকে করা ৩৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় মেক্সিকো।

কেননা তার আগেই মেক্সিকো লিড এনে দেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ২২ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন ২৯ বছর বয়সী উইঙ্গার। এর আগে বেশ কটি সুযোগ পেয়েও জালের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা। 

বিপরীতে ১৮ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল ইকুয়েডর। তবে মন্দ ভাগ্য তাদের। জন ইয়েবোয়ার শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪০ মিনিটে আরেকটি সুযোগ পায় পান তিন। কিন্তু এবার বাধা হয়ে দাঁড়ান মেক্সিকোর গোলরক্ষক রাউল রানহেল। বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়ার তার শটটি দারুণ ক্ষিপ্রতায় সেভ করেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক। পরে তাই হতাশা নিয়েই ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইকুয়েডর।

বিরতির পর ইকুয়েডর ম্যাচে ফিরতে তো পারেননি উল্টো ৬৭ মিনিটে তৃতীয় গোল হজম করার প্রায় দ্বারপ্রান্তে ছিল। তবে সেজার মন্তেসের শট অবিশ্বাসভাবে এক হাতে সেভ দেন ইকুয়েডরের গোলরক্ষক এরনান গালিন্দেজ। ৯০ মিনিটে মেক্সিকোর দুই খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের বক্সের কাছাকাছি নিজেদের মধ্যে পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে তালগোল না পাকালে ঠিকই তৃতীয় গোল পেত তারা। পরে আর কোনো গোল না হলে ২-০ ব্যবধানের জয় পায় মেক্সিকো।

অন্যদিকে আবার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ‘ভিনি আইনে’ যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখেন পিয়েরো হিনকাপিয়ে। হাত দিয়ে মুখ ঢেকে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে কিছু বলায় ভিএআর দেখে তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই নিয়মে লাল কার্ড দেখেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার মিগুয়েল আলমিরন।

বিরতিতে যাওয়ার আগে ইকুয়েডরের জালে জোড়া গোল মেক্সিকোর

ক্রীড়া ডেস্ক
বিরতিতে যাওয়ার আগে ইকুয়েডরের জালে জোড়া গোল মেক্সিকোর
সতীর্থদের সঙ্গে হিমেনেজের (হাত ছুঁড়ছেন) গোল উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

ম্যাচের শুরুতে ঘরের দর্শক-সমর্থকদের আনন্দে ভাসানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রাউল হিমেনেজ। তবে ষষ্ঠ মিনিটে ফ্রি হেডার হয়েও গোলরক্ষককে একদম সামনাসামনি পেয়েও সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি মেক্সিকোর অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার।

পরে অবশ্য প্রায়শ্চিত্ত করেছেন হিমেনেজ। ৩১ মিনিটে গোল করে মেক্সিকো সিটিতে খেলা দেখতে আসা ঘরের সমর্থকদের উল্লাসে মাতান তিনি। ১০ গজ থেকে করা ৩৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় মেক্সিকো।

কেননা তার আগেই মেক্সিকো লিড এনে দেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ২২ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন ২৯ বছর বয়সী উইঙ্গার। এর আগে বেশ কটি সুযোগ পেয়েও জালের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা।

বিপরীতে ১৮ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল ইকুয়েডর। তবে মন্দ ভাগ্য তাদের। ১৮ মিনিটে জন ইয়েবোয়ার শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪০ মিনিটে আরেকটি সুযোগ পায় পান তিন। কিন্তু এবার বাধা হয়ে দাঁড়ান মেক্সিকোর গোলরক্ষক রাউল রানহেল। বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়ার তার শটটি দারুণ ক্ষিপ্রতায় সেভ করেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক। পরে তাই হতাশা নিয়েই ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইকুয়েডর।

‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে ম্যারাডোনার ভবিষ্যদ্বাণী মিলে যাচ্ছে এখন

ক্রীড়া ডেস্ক
‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে ম্যারাডোনার ভবিষ্যদ্বাণী মিলে যাচ্ছে এখন
ম্যারাডোনার ভবিষ্যদ্বাণী মিলে যাচ্ছে এবারের বিশ্বকাপে। ছবি : সংগৃহীত

শুধু বল পায়ে জাদুই দেখাতে পারতেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা তা কিন্তু নয়, যেন ভবিষ্যৎও বলে দিতে পারতেন। তা না হলে ৮ বছর আগের এক মন্তব্য কেন এভাবে মিলে যাবে।

বিশ্বকাপ নিয়ে ২০১৮ সালে এক সাক্ষাৎকারে ম্যারাডোনা জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর আয়োজন হলে ম্যাচ ৪ ভাগে ভাগ করবে। এর পেছনের কারণ বিজ্ঞাপন। 

১৯৯৪ বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব দিয়েছিল ২৫ মিনিট করে চার কোয়ার্টারে ম্যাচ আয়োজনের। সেই বিষয় নিয়েই আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি বলেছিলেন, ‘আমেরিকানরা তো বিজ্ঞাপনের স্বার্থে খেলাটিকে ২৫ মিনিটের চার পিরিয়ডে ভাগ করতে চেয়েছিল।’

 

এবার ৪ ভাগে ভাগ করা না হলেও হাইড্রেশন ব্রেক দিয়ে ঠিকই বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে। অন্যদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক স্বত্ত্ব পাওয়ার পরেই মেক্সিকোকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্যও করেন প্রয়াত ম্যারাডোনা। মেক্সিকোতেই ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জেতা অধিনায়ক বলেছেন, ‘মেক্সিকো এটা পাওয়ার যোগ্যই না। মেক্সিকানরা যখনই জার্মানি বা ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়... ব্যস, ওখানেই তারা টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায়।’

বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে নিয়ে ম্যারাডোনার মন্তব্য, ‘ওদের ফুটবল নিয়ে কোনো খাঁটি আবেগ নেই। অন্যদিকে কানাডিয়ানরা বড়জোর ভালো স্কিইয়ার হতে পারে।’