• ই-পেপার

আজও বেঞ্চে নেইমার, ব্রাজিলের একাদশে কারা আছেন

দেশে প্রথমবার আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু ৩ জুলাই

অনলাইন ডেস্ক
দেশে প্রথমবার আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু ৩ জুলাই

দেশি-বিদেশি এয়ারলাইনস প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এয়ারলাইনস ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ (এএফসি) ২০২৬। আগামী ৩ ও ৪ জুলাই রাজধানীর গুলশান ইউথ ক্লাব টার্ফ মাঠে দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক ফুটসাল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।

খেলাটি আয়োজন করছে এভিয়েশন ও পর্যটন খাতের সাংবাদিকদের একমাত্র সংগঠন এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি)। টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পন্সর এনভয়-শেলটেক এভিয়েশন এবং পাওয়ার্ড বাই ভিআইপি মোটরস।

‘ওয়ান স্কাই, ওয়ান ফিল্ড, ওয়ান চ্যাম্পিয়ন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই ফুটসাল টুর্নামেন্টে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসগুলো একই ক্রীড়া মঞ্চে অংশ নেবে।

টুর্নামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস, নভোএয়ার, এয়ার অ্যাস্ট্রা, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ, সৌদিয়া, টার্কিশ এয়ারলাইনস, এয়ার অ্যারাবিয়া, ইন্ডিগো, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস, এয়ার ইন্ডিয়া, থাই এয়ারওয়েজ, এয়ারএশিয়া, সিল্কওয়ে ওয়েস্ট এয়ারলাইনস এবং ফ্লাই দুবাই।

দুই দিনব্যাপী টুর্নামেন্টের মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিভিন্ন এয়ারলাইনসের কান্ট্রি ম্যানেজার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং এভিয়েশন খাতের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও অংশীজনরা উপস্থিত থাকবেন। ফাইনালে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি, পদক ও বিভিন্ন ক্যাটাগরির পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

এএফসি-২০২৬-এর পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর ভিআইপি মোটর। কো-স্পন্সর মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ফার্স্টট্রিপ, ওয়ার্ক স্টেশন, প্লিয়াদিশ বাংলাদেশ লিমিটেড (পিবিএল)। স্ট্র্যাটিজিক পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ঢাকা এয়ারলাইনস ক্লাব, হসপিটালিটি পার্টনার ক্রাউন প্লাজা ঢাকা-গুলশান এবং মিডিয়া পার্টনার এভিয়েশন এক্সপ্রেস।

শেষ সময়ে উইম্বলডন থেকে নাম প্রত্যাহার রাদুকানুর

ক্রীড়া ডেস্ক
শেষ সময়ে উইম্বলডন থেকে নাম প্রত্যাহার রাদুকানুর

চোটের কারণে ব্রিটিশ টেনিস তারকা এমা রাদুকানু উইম্বলডন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। চলতি মাসে কুইন্স ক্লাবে দুর্দান্ত ফর্ম দেখানোর পর থেকেই পায়ের অস্বস্তিতে ভুগছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত স্ট্রেস ফ্র্যাকচারে রূপ নেয় এই টেনিস রানির। 

৩০তম বাছাইয়ে ক্রোয়েশিয়ার আন্তোনিয়া রুজিচের বিপক্ষে কোর্ট ১-এ প্রথম রাউন্ডের ম্যাচটি খেলার কথা ছিল ২৩ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের।

রাদুকানু বলেছেন, টুর্নামেন্টে খেলার জন্য সম্ভাব্য সব কিছুই করেছি। কিন্তু আজ রাতে চূড়ান্ত স্ক্যানের পর দেখা গেছে, আমি যে সামান্য ব্যথাটা সামলে নিয়েছিলাম তা একটি স্ট্রেস ফ্র্যাকচারে পরিণত হয়েছে।

চিকিৎসক আমাকে আর জোর করে খেলা চালিয়ে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে যোগ করেন ব্রিটিশ এক নম্বর টেনিস খেলোয়াড়। যিনি ২০২১ সালে ইউএস ওপেন জিতেছিলেন।

‘রোনালদোর কারণে ক্ষতি হচ্ছে পর্তুগালের’

ক্রীড়া ডেস্ক
‘রোনালদোর কারণে ক্ষতি হচ্ছে পর্তুগালের’
হতাশাকে সঙ্গী করে মাঠ ছাড়ছেন রোনালদো। ছবি : রয়টার্স

যার উপস্থিতির জন্য চাতক পাখির মতো থাকত দল। এখন তার থাকাটাই নাকি দলের জন্য ক্ষতির। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে এমনটাই শুনতে হচ্ছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে।

বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেও তাই বেশিরভাগেরই হৃদয় জয় করতে পারছেন না রোনালদো। দলে থাকাটা যেমন ক্ষতিকর মনে করছেন পর্তুগিজ তারকার এক সময়কার ক্লাব সতীর্থ ডিয়েগো ফোরলান। ২০১০ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলজয়ী উরুগুয়ের সাবেক স্ট্রাইকারের মতে, পুরোনো স্টাইলে এখনো খেলছেন রোনালদো।

ইএসপিএনের শো ‘লা কাসা দেল কুন’ অনুষ্ঠানে ফোরলান বলেছেন, ‘স্ট্রাইকার হিসেবে বলছি, সমস্যাটা হচ্ছে রোনালদো সেন্টার পজিশনে দাঁড়িয়ে থাকে। সে এখন পুরোপুরি নাম্বার নাইন। শুধু গোলের সুযোগের অপেক্ষায় ওখানেই দাঁড়িয়ে থাকে। সে বলের জন্য কোথাও নামছে না। এতে পর্তুগালকে সীমাবদ্ধ করে রাখছে।’

 

রোনালদোর খেলার ধরন এখন পুরোনো আমলের বলে জানিয়েছেন ফোরলান। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ‘সিআর সেভেনের’ সঙ্গে ২১ ম্যাচ খেলা উরুগুয়ের স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘‘এটা ঠিক সেই পুরোনো কৌশলে খেলে আমরা বলতাম, ‘আমি এখানেই থাকব কারণ গোল করতে পারব এমন জায়গা আছি।’ তবে আপনি এটা বোঝেন না যে এর ফলে দিনশেষে দলের ক্ষতি করছেন। কারণ আপনি একটুও নড়াচড়া না করলে প্রতিপক্ষের দুজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারও সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকছে। এতে একজন আপনাকে ম্যান মার্কিং করায় অন্যজন ফ্রি থেকে যায়। তখন আপনাকে বল দেওয়ার মতো আর কেউ থাকে না, কারণ আপনি সেই পথ বন্ধ করে দিচ্ছেন।’’

ফোরলান অবশ্য ভুল বলেননি। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ছাড়া গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন রোনালদো। অনেক সময়ই ৪১ বছর বয়সী তারকাকে উপরে ঠাঁই হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। সমাধান হিসেবে তাই ফোরলান বলেছেন, ‘সে যদি দুই দিকের উইং ধরে সরে যায় তাহলে অন্যরা ভেতরে ঢোকার জায়গা পাবে। এমনকি সে নিজেও প্লে-মেকিং করতে পারবে। এখানেই পর্তুগাল মার খেয়ে যাচ্ছে, কারণ তারা আক্রমণাত্মক হতে পারছে না। সবকিছু একপাশে আটকে যাচ্ছে। আমি বলব না এটা বড় সমস্যা, তবে তাকে বোঝাতে হবে, নড়াচড়া করো তাতে তুমিও কিছু করতে পারবে।’

আগামী ৩ জুলাই নকআউট ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে রোনালদো কি করেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।

স্টোকসের বিদায়ি টেস্টে কিউইদের কাছে হারল ইংল্যান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
স্টোকসের বিদায়ি টেস্টে কিউইদের কাছে হারল ইংল্যান্ড
ছবি : ক্রিইকইনফো

আচমকা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টেস্টে অবসরের ঘোষণা দেন ইংলিশ অধিনায়ক বেন স্টোকস। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিজের শেষ ম্যাচটি রয়ে গেল হতাশার। ট্রেন্ট ব্রিজে নিউজিল্যান্ডের কাছে ১৬০ রানে হেরে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারল স্বাগতিকরা।

পঞ্চম দিনে ৩৭৩ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২১২ রানে গুটিয়ে যায় ইংলিশরা। ফলে ২০টি সিরিজের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের এটি চতুর্থ টেস্ট সিরিজ জয়। একই সঙ্গে ২০১২ সালের পর ইংল্যান্ডে তিন বা তার বেশি ম্যাচের টেস্ট সিরিজে এটিই তাদের প্রথম ঘরের মাঠের সিরিজ হার।

শেষ দিনে চোটে জর্জরিত নিউজিল্যান্ডের বোলিং আক্রমণকে দারুণভাবে সহায়তা করে ফিল্ডাররা। হেনরি নিকোলসের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হন জো রুট, আর মিচেল স্যান্টনারের দুর্দান্ত থ্রোতে বিদায় নেন জশ টং। পরে বাঁহাতি স্পিনার স্যান্টনারই জেমি স্মিথকে (৬০) নাথান স্মিথের ক্যাচ বানিয়ে ম্যাচের ইতি টানেন।

প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড ৪৩৮ রান তোলে। ডেভন কনওয়ে ১৫৭ এবং টম ল্যাথাম ১৫১ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন। ইংল্যান্ডের হয়ে বেন স্টোকস নেন ৪ উইকেট।

জবাবে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৩৫৪ রান করে। বেন ডাকেটের ১১৩, জ্যাকব বেথেলের ৭৪ এবং হ্যারি ব্রুকের ৫৮ রান সত্ত্বেও পিছিয়ে পড়ে তারা। নিউজিল্যান্ডের হয়ে নাথান স্মিথ নেন ৪ উইকেট।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৮৮ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে নিউজিল্যান্ড। অপরাজিত শতক হাঁকান ড্যারিল মিচেল (১০০*), আর ৯৪ রান করেন রাচিন রবীন্দ্র। ইংল্যান্ডের পক্ষে জফরা আর্চার শিকার করেন ৪ উইকেট।

এরপর ৩৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড ২১২ রানেই অলআউট হয়ে যায়। জেমি স্মিথের ৬০ রান ছাড়া আর কেউ প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। নিউজিল্যান্ডের হয়ে জ্যাক ফোকস নেন ৩ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নিউজিল্যান্ড – ৪৩৮ ও ২৮৮/৯ (ঘোষিত)
ডেভন কনওয়ে ১৫৭, টম ল্যাথাম ১৫১, ড্যারিল মিচেল ১০০*, রাচিন রবীন্দ্র ৯৪

ইংল্যান্ড – ৩৫৪ ও ২১২
বেন ডাকেট ১১৩, জ্যাকব বেথেল ৭৪, জেমি স্মিথ ৬০

ফল : নিউজিল্যান্ড ১৬০ রানে জয়ী।
সিরিজ : তিন ম্যাচের সিরিজ নিউজিল্যান্ড জিতেছে ২-১ ব্যবধানে।