দুই উইকেট খোয়ানোর পর মাঠে নেমে ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন ইমন। ২২ বলে ৩৬ রান করে ক্যাচ তোলেন অ্যারন হার্ডির বলে। ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের দরকার ৪৩ বলে ৬৭ রান।
ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট ইমন

১০ ওভারে ১০০ পার

বড় টার্গেটে নেমে ঝোড়ো শুরু করে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের স্কোর বোর্ডে ৭২ রান তুলেছেন টাইগাররা। ১০ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ১০০ পার পার করেছে বাংলাদেশ।
পাওয়ার প্লেতে স্কোরবোর্ডে ৭২

পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ৭২ রান তুলেছেন টাইগাররা। এ সময়ে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের উইকেট নিতে পেরেছেন অজি বোলাররা। ওপেনার সাইফের সঙ্গে ব্যাট করছেন সৌম্য সরকার। ১৩ বলে ২১ রানে সাইফ এবং ৮ বলে ১৫ রানে ব্যাট করছেন সৌম্য।
তামিম আউট, কমে গেল রানের গতি

বড় টার্গেটে নেমে ঝোড়ো শুরু করেছিল দুই টাইগার ওপেনার। তবে নিজের প্রথম ওভারে এসে তামিমের উইকেট তুলে নিয়েছেন ম্যাট রেনশ। আউটের আগে ১৫ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন তামিম।
টাইগারদের ঝোড়ো শুরু

বাংলাদেশকে বড় টার্গেট দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ১৯৬ রান তুলেছেন অজি ব্যাটাররা। ব্যাট করতে নেমে ঝোড়ো শুরু করেছেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম এবং সাইফ হাসান। তিন ওভারে স্কোর বোর্ডে ৪২ রান তুলেছেন দুই ওপেনার।
বাংলাদেশের সামনে বড় টার্গেট

পাওয়ার প্লেতে তিন উইকেট হারালেও বাংলাদেশকে বড় টার্গেট দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ১৯৬ রান তুলেছেন অজি ব্যাটাররা।
নাসুমের বলে নিখিল আউট

স্পিনার নাসুমের ঘূর্ণির কবলে পড়েন ওজি ব্যাটার নিখিল চৌধুরী। নিজের শেষ বলে এলবি আউট করেন নাসুম। ফেরার আগে ৬ বলে ৮ রান করেন নিখিল।
ডেভিটের ঝোড়ো ইনিংস থামালেন সাকলাইন

ম্যাট রেনশের পর ফিফটির দিকে এগোচ্ছিলেন টিম ডেভিট। মাঠে নেমেই ঝোড়ো ইনিংস শুরু করেন ডেভিট। সাকলাইনের বলে ক্যাচ তোলার আগে ২৬ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন এই ব্যাটার।
টানা ৩ ছক্কায় রেনশর ফিফটি

ম্যাচের ১৩ তম ওভারে লেগ স্পিনার রিশাদকে টানা ৩ বাউন্ডারি মারেন ওজি ব্যাটার ম্যাট রেনশ। ওভারের দ্বিতীয় বল থেকে টানা তিন ছক্কা মারেন রেশন। এতে ১৩ ওভারে ওজিদের স্কোর বোর্ড দাঁড়ায় ১২৩ রানে।
অন্য দিকে রেশনের সঙ্গে জুটিতে ঝড় তুলেছেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার টিম ডেভিট।
নাহিদ-মুস্তাফিজে কুপোকাত আরো দুই অজি ব্যাটার

দারুণ ফর্মে থাকা কুপার কনোলিকে ফিরিয়ে দুর্দান্ত শুরুটা করলেন নাহিদ রানা। সদ্য শেষ হওয়া সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির পর প্রথম টি–টুয়েন্টিতে করেছিলেন ৪৭ রান। তাকেই মাত্র ১ রানে স্লিপে বন্দি করে ফেরালেন নাহিদ।
এরপর বোলিংয়ে এসেই উইকেট তুলে নিলেন মুস্তাফিজ। বিপজ্জনক হয়ে ওঠা ওপেনার মিচেল মার্শকে ২০ রানে ফিরিয়েছেন তিনি।
শুরুতেই নাসুমের আঘাত

মারকুটে ব্যাটিংয়ে শুরুটা করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার। তবে তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন টাইগার স্পিনার নাসুম আহমেদ। নিজের দ্বিতীয় ওভারের চতুর্থ বলে জশ ইংলিসকে (১১) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ফেরালেন তিনি।
