• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের গণমানুষের উন্নয়নে ফোকাস করতে বলেছেন : শরিফুল ইসলাম খান

সব সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনার খবর ভিত্তিহীন : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
সব সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনার খবর ভিত্তিহীন : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

‘প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের’ শিরোনামে একটি প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে উদ্ধৃত করে প্রচার হওয়া সংবাদটি অসত্য, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।

সোমবার (১৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আলোচ্য অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ তাদের এলাকায় হাই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ নিয়ে আসেন। কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুপারিশ করেন না।’

এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে কোনো ধরনের অসত্য সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল রবিবার রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, গ্রামভিত্তিক ম্যাপিং কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, যাতে দেশের কোনো গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়বিহীন না থাকে।

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

বাসস
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন
ছবি: কালের কণ্ঠ

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধবিষয়ক জাতীয় কমিটির পুনর্গঠন করেছে সরকার। স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে সভাপতি করে এই কমিটি পুনর্গঠন করে আজ সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন করে প্রতিনিধিকে কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; গৃহায়ণ ও গণপূর্ত; প্রতিরক্ষা; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন; রেলপথ; কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ; তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবদের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

এর বাইরে সব ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, এনজিও-বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক, সব সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টোমোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) এন্টোমোলজি বিভাগের প্রধানকে কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব কমিটিতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটিকে সারা দেশে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান এবং গৃহীত ও বাস্তবায়িত কার্যক্রম পর্যালোচনা, মূল্যায়ন, তদারকি ও সমন্বয় সাধন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া কমিটিকে প্রয়োজনীয় গবেষণা পরিচালনা, জাতীয় নীতিমালা বা কৌশলপত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ করা ছাড়াও প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য কার্যক্রম করতে হবে। বছরে কমপক্ষে চারটি সভা করতে হবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সাক্ষাৎ
ছবি: কালের কণ্ঠ

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। সোমবার (১৫ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, শিক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, আগামী দিনে দুই দেশের এই সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। অন্যদিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকও দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারণে যুক্তরাজ্যের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহে আগামীতে আরো ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

বিয়ে নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন ব্যবহার বাধ্যতামূলক করছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
বিয়ে নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন ব্যবহার বাধ্যতামূলক করছে সরকার

বাল্যবিয়ে রোধে বিয়ের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কাগজের জন্মসনদের বদলে অনলাইন বা ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন রেকর্ড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে সরকার ‘বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন, ২০১৭’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সপ্তম বৈঠকে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, ইউনিসেফ এবং ইউএনএফপিএর কারিগরি সহায়তায় বর্তমানে এই নতুন আইনের খসড়া তৈরির কাজ চলছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত এ সংশোধনীর মাধ্যমে বিদ্যমান আইনের ‘বিশেষ পরিস্থিতি’র সুযোগ নিয়ে বাল্যবিয়ে দেওয়ার আইনি ফাঁকফোকরগুলো বন্ধ করা হবে। এ সংশোধনীর মূল বৈশিষ্ট্য হবে বিয়ের নিবন্ধনের জন্য সনাতন পদ্ধতির কাগজের সনদের বদলে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইন বা ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন রেকর্ড ব্যবহার করা। মূলত জালিয়াতির মাধ্যমে জন্মসনদ তৈরি করে অপ্রাপ্তবয়স্ক বর-কনের আসল বয়স লুকানোর প্রবণতা বন্ধ করতেই সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

এর আগে প্রশ্নের বিস্তারিত ব্যাখ্যায় সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত বলেন, ইউনিসেফের গ্লোবাল চাইল্ড ম্যারেজ ইনডেক্স ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে বাল্যবিয়ের হার এখনো অনেক বেশি। আইনি ফাঁকফোকর এবং জন্মনিবন্ধন রেকর্ডের জালিয়াতির সুযোগ নিয়ে দেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এখনো অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন ছাড়াই অনেক বিয়ে সম্পন্ন হওয়ায় মাঠপর্যায়ে এর সঠিক নজরদারি ও আইন প্রয়োগ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বাল্যবিয়ে পুরোপুরি নির্মূল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।