বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনে ভোট দিতে এসে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) নিয়ে নিজের আক্ষেপের কথা জানালেন এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক রুবেল।
ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে তিনি জানান, আজকের এফডিসি আর সেই প্রাণচঞ্চল এফডিসি নেই, যার প্রতিটি কোনাজুড়ে রয়েছে তার অসংখ্য স্মৃতি।
শুক্রবার সকাল থেকেই শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল এফডিসিতে। ভোট দিতে আসা শিল্পীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা। সেই আবহেই ভোট দেন রুবেল।
ভোট শেষে স্মৃতিময় এফডিসির বর্তমান চিত্র নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এফডিসির প্রত্যেকটা কোনায় কোনায় আমার স্মৃতি আছে। এখন যখন এখানে আসি তখন দেখি সবকিছু খাঁ খাঁ করছে। মাসের পর মাস এখন এফডিসির ফ্লোর ফাঁকা থাকে। কোনো শুটিং হয় না। এগুলো দেখলে অনেক খারাপ লাগে, কষ্ট লাগে। এই কষ্টের কারণে আমি এফডিসিতে আসি না।’
অতীতের ব্যস্ত সময়ের কথা স্মরণ করে তিনি আরো বলেন, ‘আগে যখন আমি এফডিসিতে ঢুকতাম নব্বইয়ের দিকে তখন সকাল ৭টা, সাড়ে ৭টার পর থেকে এফডিসিতে পা ফেলা যেত না। আট-দশ পার্টির শুটিং থাকত। আমাদের সময় ১২৫-১৩০টি ছবি হতো। অথচ এখন ১৫-২০টি ছবি হয়।’
এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এক প্যানেলে সভাপতি পদে রয়েছেন মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন শিবা সানু, আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জয় চৌধুরী।
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এবার মোট ভোটার ৫৭৩ জন। তাঁদের ভোটেই আগামী দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব।




