• ই-পেপার

অপূর্ব-ইয়াশের রহস্যময় ‘হেডলাইন’ কবে আসছে?

হঠাৎ অপু বিশ্বাসের রহস্যময় বার্তা

বিনোদন ডেস্ক
হঠাৎ অপু বিশ্বাসের রহস্যময় বার্তা
সংগৃহীত ছবি

ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস অভিনয়ে আগের মতো নিয়মিত না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার উপস্থিতি বরাবরই ভক্তদের নজর কাড়ে। বিভিন্ন প্রচারণামূলক কাজ ও ব্যক্তিজীবন ঘিরে আলোচনায় থাকা এই অভিনেত্রী এবার নতুন এক ফটোশুটের ছবি প্রকাশ করে আবারও আলোচনায় এসেছেন।

শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন অপু বিশ্বাস। ছবিতে তাকে গাঢ় বেগুনি রঙের শাড়িতে দেখা যায়, যেখানে সূক্ষ্ম জরি ও নকশার কাজ শাড়িটির সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে তুলেছে। এর সঙ্গে গলায়, কানে ও হাতে মানানসই গয়না পরায় তার সাজে ফুটে উঠেছে এক রাজকীয় আবহ, যা অনেকের কাছেই বিয়ের সাজের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

ছবির সঙ্গে একটি দার্শনিক বার্তাও জুড়ে দেন অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘সৌন্দর্যই মূলত ব্যক্তিত্বের পরিচয় দেয়। এমন এক আভিজাত্য ধারণ করেছি, যেটা কোনো শব্দ না বলেও অনেক কিছু বলে দেয়।’

May be an image of one or more people, henna and wedding

ছবি প্রকাশের পরপরই মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-অনুরাগীদের প্রশংসার বন্যা বইতে শুরু করে। অনেকেই তার সৌন্দর্য ও আভিজাত্যপূর্ণ সাজের প্রশংসা করেছেন।

তবে প্রশংসার পাশাপাশি কিছু নেটিজেন সাম্প্রতিক ব্যক্তিগত আলোচনার প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন। সম্প্রতি অভিনেত্রী বুবলী জানিয়েছেন, শাকিব খানের সঙ্গে তার প্রথম কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে শাকিব খান এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই অপু বিশ্বাসের নামও উল্লেখ করছেন। কারণ, বুবলীর আগে শাকিব খানের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে ছিলেন অপু বিশ্বাস। তাদের সংসারে একমাত্র ছেলে আব্রাম খান জয় রয়েছে। ফলে নতুন এই পারিবারিক আলোচনার মধ্যেও অপুর সাম্প্রতিক পোস্টটি নেটিজেনদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

বাপ্পারাজের সরে দাঁড়ানোয় সভাপতি প্রার্থী কে হচ্ছেন?

বিনোদন প্রতিবেদক
বাপ্পারাজের সরে দাঁড়ানোয় সভাপতি প্রার্থী কে হচ্ছেন?
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনকে ঘিরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সভাপতি পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে পরে সরে দাঁড়ান চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। 

এরপর সেই পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চলচ্চিত্রের পরিচিত ফাইট ডিরেক্টর, অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক আরমান। তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।

আরমান ও মুক্তি দুজনই তাদের প্রার্থিতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে শিল্পী সমিতির এই নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্যানেল ও প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে চলচ্চিত্র অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে।

শিল্পী সমিতির বিভিন্ন মেয়াদে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন আরমান। সর্বশেষ তিনি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। তবে এবারই প্রথম সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন তিনি।

নিজের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে আরমান বলেন, ‘সিনিয়র ও জুনিয়র শিল্পীদের উৎসাহেই সভাপতি পদে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অতীতে শিল্পীরা আমাকে যেভাবে সমর্থন দিয়েছেন, এবারও তাদের আস্থা পাব বলে আশা করছি। শিল্পী সমিতি ঘিরে আমাদের বেশকিছু পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচিত হলে শিল্পীদের কল্যাণে সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করব।’

এর আগে বাপ্পারাজ সভাপতি পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং রুমানা ইসলাম মুক্তিকে সঙ্গে নিয়ে প্যানেল গঠনের কথাও জানিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।

এদিকে আসন্ন নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক কামাল মো. কিবরিয়া লিপু। আর আপিল বোর্ডের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা ছটকু আহমেদকে।

কুদৃষ্টি নিয়ে সতর্কবার্তা দিলেন মিথিলা

বিনোদন প্রতিবেদক
কুদৃষ্টি নিয়ে সতর্কবার্তা দিলেন মিথিলা
সংগৃহীত ছবি

কুদৃষ্টি বা ‘ইভিল আই’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভাবনাপ্রসূত বার্তা শেয়ার করেছেন মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। নিজের পোস্টে তিনি কাছের মানুষদের মধ্যেও ঈর্ষা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকতে পারে বলে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্ট্যাটাসে মিথিলা লেখেন, “কুদৃষ্টি অপরিচিতদের কাছ থেকে আসে না। এটা আসে আপনার টেবিলে বসে থাকা মানুষগুলোর কাছ থেকে; যারা আপনার মুখের দিকে তাকিয়ে হাসে, কিন্তু আপনার জয়ে তাদের বুকের ভেতর অন্য রকম এক অনুভূতি হয়। যারা আপনার জীবন সম্পর্কে জানতে চায়, আপনাকে অভিনন্দন জানাতে নয়, বরং আপনাকে পরখ করে দেখতে। যারা মুখে ‘মাশাআল্লাহ’ বলে, কিন্তু মন থেকে তা বলে না। আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন, তা নিয়ে নীরব থেকে সেটিকে রক্ষা করুন।”

No photo description available.

তিনি আরো লেখেন, ‘কুদৃষ্টি একটি বাস্তব বিষয়। তাই আপনার রিজিক রক্ষা করুন, আপনার সম্পর্ক রক্ষা করুন এবং আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ রক্ষা করুন। যারা আপনার স্বপ্নগুলোর কথা জানে, তাদের সবাই সেগুলোর সফলতা কামনা করে না।’

মিথিলার এই বক্তব্যে ব্যক্তিগত সাফল্য, সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সবার সামনে প্রকাশ না করে সংযত থাকার পরামর্শ উঠে এসেছে। 

তার মতে, সব হাসিমুখই আন্তরিকতার প্রতীক নয়; অনেক সময় কাছের মানুষদের মধ্যেও ঈর্ষা বা নেতিবাচক মনোভাব লুকিয়ে থাকতে পারে।

তারেক রহমানের কাছে ১০০টি নারকেলগাছ চাইলেন প্রবীণ অভিনেতা

বিনোদন ডেস্ক
তারেক রহমানের কাছে ১০০টি নারকেলগাছ চাইলেন প্রবীণ অভিনেতা
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন প্রবীণ অভিনেতা কাজী উজ্জ্বল। শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে প্রায় গৃহবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। কয়েক দফা হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর গত এক বছর ধরে তার শারীরিক অবস্থা আরো জটিল হয়ে উঠেছে। 

এমন পরিস্থিতিতে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি দাবি জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

ভিডিও বার্তায় কাজী উজ্জ্বল দাবি করেন, ১৯৭৯ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। সেই স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ব্যক্তিগত আর্থিক সহায়তা নয়, বরং ১০০টি হাইব্রিড জাতের নারকেলগাছের ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ জানান। 

বক্তব্য দিতে গিয়ে এক পর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। ভিডিওতে কাজী উজ্জ্বল বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি কোনো শিল্পী হিসেবে আপনাকে কিছু বলছি না। এটা আমার দাবি। আপনার বাবার সঙ্গে ’৭৯-তে আমি খাল কেটেছি। তখন আমি স্কুলের ছাত্র। সেই দাবি নিয়ে বলছি। আমি বাংলাদেশে প্রায় সব নায়কের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। আমি আজ এক বছর ধরে অসুস্থ।’

তিনি আরো বলেন, ‘মৃত্যুর পূর্বে আমি কোনো সাহায্য চাই না। আমার মনে একটাই আশা, আমাকে ১০০টি হাইব্রিড জাতের নারকেলগাছের ব্যবস্থা করে দেবেন। জনগণের জন্য। মরার আগে আমি ১০০টি গাছ লাগাতে চাই। পৃথিবীর কাছে ঋণ শোধ করব।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই মন্তব্য করছেন, ব্যক্তিগত আর্থিক সহায়তার পরিবর্তে জনগণ ও পরিবেশের কল্যাণে গাছ লাগানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে কাজী উজ্জ্বল একটি ব্যতিক্রমী বার্তা দিয়েছেন। এ কারণে তার উদ্যোগের প্রশংসাও করছেন অনেকে।

অভিনয়ে আসার আগে কাজী উজ্জ্বল শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। আশির দশকে চাকরি ছেড়ে অভিনয়জগতে পা রাখেন তিনি। ১৯৮৫ সালে নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদের হাত ধরে মঞ্চনাটকে তার যাত্রা শুরু হয়। পরে নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বিটিভির জন্য নির্মিত ‘সুপ্রভাত ঢাকা’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের নজরে আসেন।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি পাঁচ থেকে ছয় শ নাটকে অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া আবদুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত ‘দরিয়া পাড়ের দৌলতী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। পরবর্তীতে প্রায় ১৫টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দেশের নাটক ও চলচ্চিত্রাঙ্গনে নিজের স্বতন্ত্র পরিচিতি গড়ে তোলেন এই অভিনেতা।