• ই-পেপার

৩০০ ফিটে মৃত্যুফাঁদ ‘রেসিং’

  • বসানো হবে এআই ও স্পিড ক্যামেরা

সবুজের শপথে নতুন প্রজন্ম

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ডিজিটাল যুগের শিশুরা শুধু বইয়ের পাতায় নয়, প্রকৃতির কাছ থেকেও শেখে এমন লক্ষ্য নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে সবুজায়নের উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে রাজধানীর বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। সেই ধারাবাহিকতায় এবার জাতীয় ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে প্রতিষ্ঠানটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন। কর্মসূচিতে  ফলদ, বনজ, ঔষধি ও ছায়াবৃক্ষ রোপণ করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্কুল প্রাঙ্গণে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

র‌্যালিতে দেখা যায়,  শিক্ষার্থীদের হাতে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড। সেসব প্ল্যাকার্ডে লেখা ‘শিক্ষাঙ্গনে সবুজের বার্তা, সবুজ বাংলাদেশের নবযাত্রা’, আজকের বৃক্ষরোপণ, আগামীর জলবায়ুর সুরক্ষা,—এসব সচেতনতামূলক স্লোগান।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেজর মোহসিন করিম (অব.) বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও তার উদ্যোগের উদাহরণ রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ উদ্যোগ নিয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিশেষ নির্দেশনায় পরিচালিত এ কর্মসূচি দেশ বিদেশে সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রতিষ্ঠাটির অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আনিছুর রহমান বলেন, সরকারের জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ করা হলেও বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে সবুজায়নের কাজ শুরু হয়েছে আরো দুই বছর আগে। ইতোমধ্যে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও চারপাশে প্রায় এক হাজার ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পুরো ক্যাম্পাসের প্রতিটি ইঞ্চি জমিকে সবুজায়নের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি বলেন, গাছ লাগানোর উদ্দেশ্য শুধু পরিবেশ রক্ষা নয়; শিক্ষার্থীদের প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া, তাদের ব্যবহারিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য। বিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান বিষয়ের ব্যবহারিক ক্লাসও অনেক সময় গাছের নিচেই নেওয়া হয়, যেন শিক্ষার্থীরা বইয়ের পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।

অধ্যক্ষ বলেন, প্রকৃতির কাছ থেকেই মানুষ সবচেয়ে বড় শিক্ষা পায়। সবুজ পরিবেশ মানুষের মন ও শরীরকে সতেজ রাখে। তাই শিক্ষার্থীদের এমন একটি পরিবেশে বেড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে, যেখানে তারা প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি প্রকৃতির প্রতিও সমান ভালোবাসা গড়ে তুলবে। এতে তাদের সৃজনশীলতা, মননশীলতা ও মানবিক গুণাবলিও বিকশিত হবে।

তিনি আরো জানান, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির প্রায় ১০০ একর এলাকাজুড়ে প্রায় ১০ হাজার গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যার অর্ধেকেরও বেশি এরই মধ্যে রোপণ করা হয়েছে। পুরো এলাকাকে একটি স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব আবাসিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয়ের ছাদে একটি শিক্ষামূলক বাগানও তৈরি করা হয়েছে। সেখানে বীজ বপন থেকে শুরু করে চারা গাছের বৃদ্ধি, ফুল ফল ধারণ সবকিছুই তারা হাতে কলমে শিখতে পারছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ফলদ গাছকে ব্যবহার করে বিজ্ঞান বিষয়ের বাস্তব পাঠও পরিচালনা করা হচ্ছে।

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. আহনাফ বিন আলম বলে, প্রথমবারের মতো এ ধরনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে ভালো লাগছে। একটি গাছ শুধু ছায়া দেয় না, মানুষের জীবনও রক্ষা করে। তাই সে নিজের হাতে একটি গাছ লাগিয়ে নিয়মিত পরিচর্যার অঙ্গীকার করেছে।

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল মারিয়া জানায়, গাছ লাগানোর মাধ্যমে প্রকৃতিকে আরো কাছ থেকে জানার সুযোগ হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষার্থী যদি অন্তত একটি করে গাছের দায়িত্ব নেয়, তাহলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ আরো সবুজ হয়ে উঠবে।

প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিশ্বাস, ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরিবেশবান্ধব ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার একটি আন্দোলন। আজকের একটি গাছই আগামী দিনের সবুজ, নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশের ভিত্তি হয়ে উঠবে।

ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে তাপমাত্রা কমতে পারে বলেও সংস্থাটি পূর্বাভাস দিয়েছে। 

সোমবার সকাল ৭টা  থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। হালকা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্বদিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রা সাধারণত সামান্য কমে যেতে পারে।

এদিকে সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৬ শতাংশ।

সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে ঢাকার বাসিন্দারা দোকানপাট ও মার্কেটে যান। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক সোমবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ
আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া, তেজগাঁও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ ও সানারপাড়।

অর্ধদিবস বন্ধ যেসব মার্কেট
পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স ও মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।

খিলগাঁওয়ে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে জখম

নিজস্ব প্রতিবেদক
খিলগাঁওয়ে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে জখম

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে এক কলেজ ছাত্রকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে স্থানীয় কয়েকজন যুবক। আহত শিক্ষার্থীর নাম সৌরভ শাহরিয়ার (১৮)। তিনি খিলগাঁও মডেল কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী।

রবিবার (২৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে খিলগাঁও তিলপাপাড়া এলাকার লাকি ফার্মেসীর সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় সৌরভকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, সন্ধ্যায় তিলপাপাড়া লাকি ফার্মেসীর সামনে সৌরভ তার কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বসে ছিলেন। এ সময় স্থানীয় যুবক আরাফাত, ফাতিন ও সোলেমানসহ কয়েকজন আকস্মিকভাবে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সৌরভের বাম কাঁধে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

তবে ঠিক কী কারণে সৌরভের ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ বা প্রত্যক্ষদর্শীরা।

আহত শিক্ষার্থীর বাবা শুভ মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে ওদের কোনো পূর্বশত্রুতা ছিল না। ওরা এলাকার বকাটে ছেলে। ঘটনার সময় ওরা আমার ছেলের মোবাইল ফোনটি টানাটানি করেছিল, কিন্তু নিতে পারেনি। এরপরই তাকে কুপিয়ে জখম করে।’