• ই-পেপার

রাজধানীতে আওয়ামী লীগের ২৬ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ১১৮

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির আড়াই হাজার মামলা

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির আড়াই হাজার মামলা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার ৫৩৬টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মধ্যে ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১০টি বাস, ৭টি কাভার্ডভ্যান, ১২টি সিএনজি ও ৪৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০৬টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৯টি বাস, ৬টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ২৪ টি সিএনজি ও ৯৮ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮৪টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৫টি বাস, ২টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ডভ্যান, ৮৪ টি সিএনজি ও ২৭৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৯৭টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩২টি বাস, ২৩টি ট্রাক, ১৭ টি কাভার্ডভ্যান, ৩১ টি সিএনজি ও ৮২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৯টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৯টি বাস, ২টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ডভ্যান, ৩৯টি সিএনজি ও ৭০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯০টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২৪টি বাস, ১৭টি ট্রাক, ১০টি কাভার্ডভ্যান, ৬৮টি সিএনজি, ৩৪১ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫৩৩ টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৬০ টি বাস, ৯টি ট্রাক, ১৮ টি কাভার্ডভ্যান, ৭৭ টি সিএনজি ও ২০০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৮১ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৩৫ টি বাস, ৪টি ট্রাক, ১৬ টি কাভার্ডভ্যান, ৫১টি সিএনজি ও ১০৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩০৬ টি মামলা হয়েছে।

এ ছাড়া অভিযানকালে মোট ৫৪৬টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৪১৪টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে রাজধানীজুড়ে সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ লক্ষ্যে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিজিবির জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, রাজধানীর ধানমন্ডি, শাহবাগ, আবরার ফাহাদ এভিনিউ, বাংলামোটর, কাওরান বাজার, শেরেবাংলা নগর ও মহাখালীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবি মোতায়ন করা হলো।

এর আগে দেশের ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়। জেলাগুলো হলো- কক্সবাজার, মাদারীপুর, শেরপুর, গাজীপুর ও মৌলভীবাজার। সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় বিজিবি সদর দফতর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছিল।

এ ছাড়া, দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে মোতায়েনের লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা স্ট্যান্ডবাই রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, দিবসটিতে যেকোনো নাশকতা রোধে নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। মধ্য রাত থেকেই টহলে নামে সেনাবাহিনী। নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ, র‍্যাব।

আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার

অনলাইন ডেস্ক
আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার
পুরান ঢাকার হোসেনি দালানে এক ব্রিফিংয়ে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। ছবি : ডিএমপি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নাশকতা ঘটিয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে চেয়েছিল। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী তা নস্যাৎ করে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিলের নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিদর্শনের পর পুরান ঢাকার হোসেনি দালান ইমামবাড়ায় এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা দেশ-বিদেশে লুকিয়ে আছেন। আত্মগোপনে থেকে আজ দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করে তারা। এরপর পুলিশ সারা দেশে নজরদারি বাড়ায়। রাজধানীতে কড়া পাহারা বসায় ঢাকা মহানগর পুলিশ।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আজকের মিছিল, সমাবেশ বা জমায়েতের মাধ্যমে সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে চাইছে। তাদের (আওয়ামী লীগ) এই পরিকল্পনাকে আমরা এখন পর্যন্ত নস্যাৎ করে দিয়েছি। আমি আশা করি, সামনে যে কয়েক ঘণ্টা সময় বাকি আছে, সেই সময়ের মধ্যেও তারা কোথাও মিছিল, সমাবেশ বা জমায়েত হতে পারবে না।’

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল বলে জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি জানান, রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় মিছিল, সমাবেশ বা জমায়েত হওয়ার পরিকল্পনা ছিল আওয়ামী লীগ কর্মীদের। বাইরে থেকে ঢাকায় আসার পরিকল্পনাও ছিল।

সেই তথ্য আগাম পেয়ে পুলিশ সতর্ক অবস্থান নিয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, সে অনুযায়ী তিন দিন ধরে ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোসহ বিভিন্ন চেকপোস্টে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোবাইল প্যাট্রল, সাদা পোশাকে টহলের সংখ্যাও বাড়ানো হয়।

আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বাইরের জেলাগুলো থেকে রাজধানীতে আসার পরিকল্পনা ঠেকাতে ঢাকার প্রবেশমুখ, ট্রেনস্টেশন, বাসস্টেশনসহ সব জায়গায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার।

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৮২

অনলাইন ডেস্ক
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৮২
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৮২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন ইউনিট। 

মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। 

তিনি জানান, গতকাল সোমবার দিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন তালিকাভুক্ত ও একজন তালিকাবহির্ভূত চাঁদাবাজ রয়েছেন। এ ছাড়া সন্ত্রাসী, দস্যু, ছিনতাইকারী ও ডাকাতি সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত ৩৩ জন এবং মাদক কারবারে জড়িত ৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পৃথক অভিযানে আরো ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় ২ জন, চুরির মামলায় ২ জন এবং মাদক মামলায় ৬ জন রয়েছে।

জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।