• ই-পেপার

বগুড়ার সেই ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

নবীগঞ্জ-কাজির বাজার সড়ক : সংস্কারের অভাবে মারণফাঁদে জনজীবন

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
নবীগঞ্জ-কাজির বাজার সড়ক : সংস্কারের অভাবে মারণফাঁদে জনজীবন
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার নবীগঞ্জ-কাজির বাজার সড়কে খানাখন্দে ভরা।

​হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ নবীগঞ্জ-কাজির বাজার সড়কটি আজ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি আর দীর্ঘশ্রুত অবহেলার এক ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়েছে। একসময়ের সহজ চলাচলের এই পথটি বর্তমানে পিচঢালা কোনো সড়ক নয়, বরং যেন শত শত খানাখন্দে ঘেরা এক মৃত্যুফাঁদ। সংস্কারহীনতার দীর্ঘসূত্রতায় সড়কটি এখন হাজারো মানুষের যাতায়াতের প্রধান প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় জনপদ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে, আর জনদুর্ভোগ পৌঁছেছে চরম সীমায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের প্রশস্ততা কম নয়, কিন্তু এর বর্তমান রূপ বড্ড বিভীষিকাময়। পিচ, কার্পেটিং ও খোয়া উঠে গিয়ে সড়কের বুক চিরে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে জমে যায় কাদা-পানি, যা পথচারী ও চালকদের কাছে বিষাক্ত এক গোলকধাঁধার মতো। সিএনজি অটোরিকশা, ইজিবাইক থেকে শুরু করে মালবাহী ট্রাক—সব ধরনের যানই এখন এখানে এসে থমকে দাঁড়াচ্ছে। দিনের আলোয় যা কিছুটা এড়ানো সম্ভব হলেও রাতের অন্ধকারে তা হয়ে ওঠে দুর্ঘটনার প্রধান উৎস। প্রতিনিয়ত উল্টে যাচ্ছে ছোট যানবাহন, বিকল হচ্ছে মালবাহী ট্রাক। চাকা ভেঙে যাওয়া কিংবা অ্যাক্সেল ভেঙে যাওয়ার ঘটনা এখানে নিত্যদিনের চিত্র। এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আজ সবচেয়ে বেশি অসহায়। কৃষি পণ্য বাজারজাত করতে গিয়ে একদিকে পরিবহন খরচ বাড়ছে কয়েক গুণ, অন্যদিকে সময়মতো পণ্য বাজারে পৌঁছাতে না পেরে গুনতে হচ্ছে লোকসান।

স্থানীয় এক ব্যবসায়ী আক্ষেপ করে বলেন, ‘সড়কটির করুণ দশা আমাদের ব্যবসায়িক মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছে। মালবাহী গাড়িগুলো এই রাস্তায় আসতে চায় না, আর এলেও ভাড়া দিতে হয় দ্বিগুণ। এই দুর্ভোগের শেষ কোথায়, তা আমরা জানি না।’ ভুক্তভোগী যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারের দাবিতে স্থানীয় পর্যায়ে বারবার গুঞ্জন উঠলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের টনক নড়ছে না। প্রশাসনিক উদাসীনতা আর তদারকির অভাবে উন্নয়নের বরাদ্দ যেন এই সড়কের বেহাল দশা দেখেও দেখছে না। এলাকার স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে যাতায়াতকারী রোগী—সবাইকে এই মরণফাঁদ পাড়ি দিয়েই গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়। মুমূর্ষু রোগীদের নিয়ে চলাচলের সময় সড়কের ঝাঁকুনিতে তাদের অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়ে, যা এক মানবিক বিপর্যয়ের শামিল।

স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, কেবল তালি দিয়ে সংস্কার বা দায়সারা মেরামতের দিন শেষ হয়েছে। সড়কটি টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন আধুনিক প্রকৌশলগত সমাধান ও কঠোর মনিটরিং। তারা মনে করেন, প্রশাসন যদি এখনই উদ্যোগী না হয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে এখানে বড় ধরনের প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, আর কোনো আশ্বাস নয়, তারা এখন সড়কের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার ও এর স্থায়ী সমাধান চান। সড়কটি কি ফের চলাচলের উপযোগী হবে, নাকি অবহেলার এই অভিশপ্ত তকমা নিয়ে এটি আরও দীর্ঘ সময় ‘মরণফাঁদ’ হয়েই টিকে থাকবে—এখন সেই উত্তর খুঁজছেন নবীগঞ্জ ও কাজীগঞ্জের হাজারো মানুষ। দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসীর আকুতি একটাই—মানুষের জীবনের মূল্য কোনো প্রকল্পের চেয়ে কম নয়, তাই দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করে এই দুর্গম যাতায়াতের অবসান ঘটানো হোক।

ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

ঢাকা থেকে সিলেটগামী আন্ত নগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে করে ভ্রমণ করার সময় রেলসেতুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়ে মো. আরিফুল ইসলাম নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে মেঘনা নদীর ভৈরব সেতুতে তিনি ধাক্কা লেগে মারা গেছেন।

নিহত আরিফুল ইসলাম (২৬) জেলার নবীনগর উপজেলার রসুল্লা ইউনিয়নের দাররা গ্রামের সরকার বাড়ির মো. আজিজুল ইসলাম কান্দুর একমাত্র ছেলে।

পরিবার ও রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত আরিফুল ইসলাম ঢাকার খিলক্ষেত এলাকায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন এবং ‘ইলেকট্রনিক প্লাস’ নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি হবিগঞ্জ জেলার পিটিআই স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে ট্রেনে চড়েন। টিকেট না পেয়ে তিনি ট্রেনের ছাদে উঠে পড়েন। ট্রেনটি কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে সেতুর পার হওয়ার সময় ধাক্কা খেয়ে মাথায় আঘাত পান। ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে নির্ধারিত যাত্রাবিরতি দিলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (উপপরিদর্শক) মো. শাহ আলম মিয়া জানান, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণের সময় সেতুতে আঘাত পেয়ে মারা যান আরিফুল। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর পরিবারের লোকজন তার লাশ এসে নিয়ে গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ
ছবি : কালের কণ্ঠ

অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে জেলা শহরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। 

বিকেলে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। জেলা যুবদলের সভাপতি শামিম মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মাহমুদের নেতৃত্বে মিছিলটি পৌর এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরে প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশে বক্তারা বক্তব্য রাখেন। এ সময় তারা বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা এবং জনসম্পৃক্ত রাজনীতি এগিয়ে নিতে যুবদল সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করছে। তারা অভিযোগ করে বলেন, ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক শক্তি দেশে বিশৃঙ্খলা ও নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং এসব প্রতিহত করতেই এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

এদিকে একই দিনে আখাউড়া উপজেলায়ও যুবদল ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল পৃথকভাবে মিছিল করেছে।

তদন্ত ছাড়াই ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবি স্ত্রীর

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
তদন্ত ছাড়াই ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, মুক্তির দাবি স্ত্রীর
ছবি: কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের স্ট্যাম্প ভেন্ডার ও ব্যবসায়ী মো. কামালকে একটি ডাকাতি মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানোর অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানো হয়েছে দাবি তুলে পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে তার নিঃশর্ত মুক্তি ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়েছে তার স্ত্রী।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে নবীনগর উপজেলার পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের আলিয়াবাদ গ্রামে নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কামাল ভেন্ডারের (স্ত্রী) পাপিয়া বেগম ঘটনার বিবরণ দিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, গত শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে হঠাৎ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা এবং নবীনগর থানার পুলিশসহ দুটি গাড়ি আমাদের বাড়ি ঘেরাও করে। দরজা-জানালায় প্রচণ্ড শব্দ করে তারা দরজা খোলার দাবি জানায়। কামাল দরজা খোলার পর পুলিশ সদস্যরা ঘরে ঢুকে ঘরের আলমারি ও ড্রয়ার তছনছ করে এবং নারীদের সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করে। এ সময় পরিবারের সবার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

পাপিয়া বেগম পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আরো জানান, রাশেক নামে এক চিহ্নিত ডাকাতের তথ্যের ভিত্তিতে তার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অথচ এই রাশেক হচ্ছে কামাল ভেন্ডারের বোনের সাবেক স্বামী, যার সঙ্গে প্রায় ৪ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে। পূর্বশত্রুতার জেরে ওই ডাকাত কামাল ভেন্ডারের নাম বলতে পারে। কিন্তু পুলিশ কোনো রকম পূর্ব তদন্ত ছাড়াই একজন সম্মানিত ব্যবসায়ীকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিল।

ভুক্তভোগীর ছোট ভাই জামাল উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমার ভাই একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক। তাকে নবীনগরের আলিয়াবাদ এলাকার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হলেও মামলার এজাহারে দেখানো হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেড্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কোনো তদন্ত ছাড়াই সরাসরি তাকে ডাকাতি মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে,যা সম্পূর্ণ হয়রানিমূলক। তিনি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ভুক্তভোগীর ছেলে ও নবীনগর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মো. অপু মিয়া বলেন, ‘আমরা নবীনগর থানার সামনেই দীর্ঘ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছি। আমার বাবার কোনো অপরাধের রেকর্ড নেই। তাকে যখন গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন স্থানীয় সংসদ সদস্যের (এমপি) বাসার সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ এবং বাবার মোবাইল ট্র্যাকিং করলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে যে তিনি ঘটনার সময় বাড়িতেই ঘুমিয়ে ছিলেন। অথচ পুলিশ কোনো তদন্ত ছাড়াই তাকে ডাকাতির সর্দার সাজিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহিদ ও নবীনগর থানা পুলিশের একাংশের অসহযোগিতা এবং দুর্ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার তথ্য প্রদানকারী এসআই মো. জাহিদ হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, মো. কামাল মিয়াকে ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেড্ডা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন আছে।

নবীনগর থানার ওসি (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা কর্তৃক কামাল ভেন্ডারকে নবীনগর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তার নিজ বাড়ি থেকে গভীর রাতে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কিন্তু তাকে কি কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেড্ডা থেকে গ্রেফতার দেখিয়েছে এবং কোন মামলা দিয়েছে, এটা সম্পূর্ণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার বিষয়।’

পুলিশের এই দুই ধরনের বক্তব্যের কারণ কী? এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মো. জহিরুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাকে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মাত্র দুইদিন হলো। তদন্ত ছাড়া এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। আপনি এসে আমার সিনিয়রদের সঙ্গে কথা বলেন।’

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘একজন নিরপরাধ সমাজসেবক ও ব্যবসায়ীকে এভাবে গায়েবি মামলায় ফাঁসানো হলে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা কোথায়? তারা অবিলম্বে কামাল ভেন্ডারের নিঃশর্ত মুক্তি এবং এই ঘটনার পেছনে থাকা প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।