বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সংস্কৃতির অনুষ্ঠান নিরাপদে পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন।
বুধবার (১৭ জুন) কুমিল্লার লুটেরচর ইউনিয়নের কান্দারগাঁও নূরানী তালিমুল কুরআন দাখিল ও হিফজ মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ২০২৬ সালের কৃতি শিক্ষার্থীদের সন্মাননা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন।
ড.খন্দকার মারুফ হোসেন বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সংস্কৃতির আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে নিরাপদে পালন করতে পারে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ধর্মীয় নেতা এবং প্রখ্যাত আলেম ওলামাদের আয়নাঘরে বন্দি রেখে অমানুষিক নির্যাতন করেছে, মিথ্যা মামলায় তাদের কারান্তরীণ রেখেছে। পবিত্র কুরআন তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠান করতে দেয়নি। তারা সকল ক্ষেত্রে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশকে বসবাসের অযোগ্য বানিয়েছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বলেন, দেশের অগ্রগতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি খুবই অপরিহার্য। জাতীয় স্বার্থরক্ষায় বিএনপি সরকার সর্বদাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে নিরলসভাবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকল ধর্মের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও শ্রদ্ধাশীল। আর্থিক সচ্ছলতার জন্য তিনি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং ভিন্ন ধর্মের পুরোহিত বা নেতাদের জন্য মাসিক সন্মানির ব্যবস্থা করেছেন। দেশের মসজিদ,মাদ্রাসা এবং মন্দির,গির্জা নির্মাণ ও উন্নয়নে প্রচুর অনুদান বরাদ্দ দিচ্ছেন। চলতি বাজেটে ধর্মীয় এইসব খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, তারেক রহমন স্বল্প সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রের প্রচুর জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে সরকার কাঙ্খিত উন্নয়নের মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসাবে বিশ্বে শির উঁচু করে দাঁড়াবে,ইনশাআল্লাহ।
অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ও বৃত্তি তুলে দেন এবং নৈতিক শিক্ষা ও মেধা বিকাশে অধিক মনোযোগী হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি নেতা অধ্যাপক মো.হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা ড.মো.হুমায়ুন কবির, মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক রমিজউদ্দিন লন্ডনী, সদস্য সচিব এম.এম মিজানুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো.সালাউদ্দিন সরকার, মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মো.রেজাউল হক বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক মো.সালাউদ্দিন ভুইয়া, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।




