• ই-পেপার

পাবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শুরু

চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলা ভাষায় যৌথ স্নাতক প্রোগ্রামের চুক্তি ঢাবির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলা ভাষায় যৌথ স্নাতক প্রোগ্রামের চুক্তি ঢাবির
সংগৃহীত ছবি

বাংলা ভাষায় যৌথ স্নাতক প্রোগ্রাম চালুর লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২৬ জুন) চীন সফরকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মা ওয়েনহুই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে শনিবার (২৭ জুন) দেশে ফেরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

চুক্তি অনুযায়ী, ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলের বাংলা বিভাগের স্নাতক শিক্ষার্থীদের বাংলা ভাষায় শোনা, বলা, পড়া ও লেখার দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি স্নাতক পর্যায়ের বাংলা ভাষা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে দুই বিশ্ববিদ্যালয় পারস্পরিক সহযোগিতা করবে।

এ ছাড়া ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় শিক্ষাবর্ষের প্রথম সেমিস্টারে তাদের শিক্ষার্থীদের এক সেমিস্টারের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে পাঠাবে। এসব শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন ও পরীক্ষা পরিচালনা করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের সমাপনী সনদও প্রদান করা হবে।

চীন সফরকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘চাইনিজ ব্রিজ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এই দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে দুই দেশের জনগণের মধ্যে শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।

সফরকালে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণায় বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকেও অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০১ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০১ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম সিনেট অধিবেশ বক্তব্য দিচ্ছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম সিনেট অধিবেশনে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৮০১ কোটি ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে। মূল বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৬১৭ কোটি ১৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। ঘাটতি বাজেট ১৮৩ কোটি ৯০ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।

এ ছাড়া অধিবেশনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ৬৬৪ কোটি ৮ লাখ ৪১ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেটও সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম এসব বাজেট উপস্থাপন করেন।

জানা গেছে, শনিবার সকাল ১০টায় ভাইস চ্যান্সেলর ও সিনেট চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। তিনি বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নে গ্রহীত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রবর্তনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যসহ ১৫০টিরও বেশি দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের অ্যাপ্রেন্টিস প্রোগ্রাম চালুর মাধ্যমে ৫০ হাজার শিক্ষানবিশ তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া তৃতীয় ভাষা শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, এ জন্য মাল্টি ল্যাংগুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের (এমএলএলআই) মাধ্যমে মানদারিন, জাপানিজ, কোরিয়ান, অ্যারাবিক, ইটালিয়ান, স্প্যানিশ ও ফ্রেন্স ভাষা শেখানো, দক্ষতাভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পাঠ্যক্রম প্রণয়নম, গ্রিন ক্যাম্পাস তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ, ৪০ লাখ শিক্ষার্থী আগামী ৫ বছরে ২ কোটি গাছ রোপনের লক্ষ্য নির্ধারণ, স্নাতক পর্যায়ে ইংরেজি ও আইসিটি কোর্স বাধ্যতামূলক, সিলেবাস সংষ্কার কার্যক্রম গ্রহণ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আধুনিকীকরণ, নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা সম্প্রসারণে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকা-পরিচালনা উত্যাদি।

এছাড়াও তিনি শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার এই যুগে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব কেবল ডিগ্রি প্রদান নয়, বরং এমন মানবসম্পদ গড়ে তোলার কথা বলেন।

অধিবেশনে সিনেট সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সংসদ সদস্য ইমরান আহমেদ চৌধুরী, ওয়ারেস আলী মামুন, আবুল হোসেন খান ও জি এম সিরাজ, আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক উপস্থিত ছিলেন। অনলাইনে যুক্ত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিভাগীয় কমিশনারবৃন্দ। সিনেট অধিবেশনে জাতীয়

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, পিআইবি মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফসহ ৭০জন সিনেট সদস্য। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, আমন্ত্রিত অতিথি, সব ডিন, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক ও বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

বুয়েটে আবরার ফাহাদের নামে নতুন হলের প্রস্তাব দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বুয়েটে আবরার ফাহাদের নামে নতুন হলের প্রস্তাব দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

বুয়েটে আবাসনব্যবস্থা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি আবরার নামের হল করার প্রস্তাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বুয়েট ক্যাম্পাসের আরেকটি অংশ পূর্বাচলে করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা খাতে অর্থ বাড়ানোরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

একই সঙ্গে আগামীতে দুটি দিবস পালনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবরার ফাহাদের হত্যার মতো এমন নৃশংস ঘটনা আর যাতে না ঘটে সে বিষয় শিক্ষার্থীদের আরো সচেতন করতে হবে।’

এ ছাড়া সেশনজট কোনোভাবেই কাম্য নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘৪ বছরের কোর্স নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে। চলতি শিক্ষাবর্ষে বুয়েটে ১৩৭০ জন নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র ও শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনও উপস্থিত ছিলেন।

জাবিতে নতুন ৬ বিভাগ চালুর আগে বিদ্যমান সংকট নিরসনের দাবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাবিতে নতুন ৬ বিভাগ চালুর আগে বিদ্যমান সংকট নিরসনের দাবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তাবিত ৬টি নতুন বিভাগ চালুর আগে বিদ্যমান একাডেমিক ও অবকাঠামোগত সংকট সমাধানের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রস্তাবিত ৬টি নতুন বিভাগ চালুর আগে বিদ্যমান বিভাগগুলোর একাডেমিক ও অবকাঠামোগত সংকট সমাধান এবং সমন্বিত একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন কয়েকটি প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনের নেতারা।

আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশন শুরুর আগে দুপুর ২টায় সিনেট ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন।

জাহাঙ্গীরনগর বাঁচাও আন্দোলনের সংগঠক সানজিদা আফরিন, নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর প্ল্যাটফর্মের সংগঠক তাসনীম ইয়াসমিন তন্বী, ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ফাইজান আহমেদ অর্ক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক সজীব আহমেদ জেনিচ এবং বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সংগঠক সোমা ডুমরী স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে জানান, সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তারা জেনেছেন, প্রস্তাবিত ৬টি নতুন বিভাগ চালুর বিষয়ে সিনেট সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭টি বিভাগই অবকাঠামো, শিক্ষক ও ল্যাব-সংকটসহ নানা সমস্যায় রয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যানও এখনো প্রণীত হয়নি।

তাদের দাবি, বিদ্যমান সংকট নিরসন এবং দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা ছাড়া নতুন বিভাগ চালু করা বাস্তবসম্মত হবে না। একই সঙ্গে নতুন বিভাগে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় আবাসন ব্যবস্থাও বর্তমানে নেই বলে তারা উল্লেখ করেন।

এছাড়াও স্মারকলিপিতে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, গবেষণা কেন্দ্রগুলো কার্যকর করা, থিসিস গবেষণার জন্য ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ছাপাখানা স্থাপন, বিভাগগুলোর ক্লাসরুম ও ল্যাব-সংকট নিরসন, পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেন্টার বাস্তবায়ন, শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু, সান্ধ্যকালীন ও উইকেন্ড কোর্স বন্ধ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন চালুর দাবিও জানানো হয়।

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ফাইজান আহমেদ অর্ক বলেন, আমাদের আপত্তি নতুন বিভাগ খোলার ধারণার বিরুদ্ধে নয়; আপত্তি হলো বিদ্যমান বাস্তবতা বিবেচনা না করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতার বিরুদ্ধে।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭টি চলমান বিভাগ রয়েছে। অথচ এসব বিভাগের জন্য কোনো সমন্বিত একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান নেই। অনেক বিভাগে শ্রেণিকক্ষের সংকট, পরীক্ষা গ্রহণে বিলম্ব, সেশনজট ও ইয়ার গ্যাপের মতো সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান। একই সঙ্গে সিসিএসের বরাদ্দ বাড়ানো হয়নি, প্রশাসনিক কার্যক্রমের অটোমেশনেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। বিদ্যমান বিভাগগুলোর এসব মৌলিক সমস্যা সমাধান না করে নতুন ছয়টি বিভাগ চালুর উদ্যোগকে আমরা অযৌক্তিক মনে করি।

শুধু একাডেমিক নয়, অবকাঠামোগত পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ঘাটতি রয়েছে। ক্যাম্পাসে এখনও আধুনিক স্যুয়ারেজ ব্যবস্থা নেই, নিজস্ব ছাপাখানা নেই, আর উন্নয়ন কার্যক্রমও অনেক ক্ষেত্রে অপরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা পরিবেশ, মানুষ এবং ক্যাম্পাসের সামগ্রিক ভারসাম্যের জন্য ক্ষতিকর।

আমরা চাই, প্রশাসন আগে একটি সমন্বিত একাডেমিক ও অবকাঠামোগত মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করুক। বর্তমানে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ, তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট (আইসিএলসি), আইন বিভাগসহ বিভিন্ন একাডেমিক ইউনিটে শ্রেণিকক্ষের সংকট রয়েছে। এসব মৌলিক সমস্যা সমাধানের আগে নতুন বিভাগ চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত নয়।