• ই-পেপার

তৃতীয় ভাষা শিখলেই মিলবে ১০ লাখ টাকা ঋণ

এসএসসির ফল প্রকাশ কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
এসএসসির ফল প্রকাশ কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে স্কুলড্রেস বিতরণ শুরুর কথা জানালেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

সোমবার (১৫ জুন) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষাব্যবস্থাকে সেশনজটমুক্ত করার লক্ষ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৮ সালের পর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের আর দীর্ঘ অপেক্ষা করে সময় নষ্ট করতে হবে না। ফলাফল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে।’

পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন প্রসঙ্গে তিনি জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দেশের সব স্কুলে পরিমার্জিত ও সংশোধিত নতুন বই পৌঁছে দেওয়া হবে। এতে নতুন বছর শুরুতেই শিক্ষার্থীরা বই পাবে।

শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শুধু চার দেয়ালের মাঝে পড়াশোনার ভেতরেই আটকে রাখা যাবে না, পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।’

বাজেটে কোন বিশ্ববিদ্যালয় বরাদ্দ পেল কত

অনলাইন ডেস্ক
বাজেটে কোন বিশ্ববিদ্যালয় বরাদ্দ পেল কত
সংগৃহীত ছবি

দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ব্যয় নির্বাহের জন্য বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। এসব খাতে ১২ হাজার ৩০০ কোটি ৪ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত ১৮৭তম পূর্ণ কমিশন সভায় এ বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত বাজেটের মধ্যে ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট বাজেটের মধ্যে ৭ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা রাজস্ব (পরিচালন) ব্যয় এবং ৪৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গবেষণা খাতে দ্বৈততা পরিহারের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এবং ইউজিসির গবেষণা বাজেট একীভূত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো (২০২৬-২৭ থেকে ২০২৮-২৯) বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ইউজিসির বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতের ২০০ কোটি টাকা। এতে ইউজিসির গবেষণা খাতে মোট বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ২২৬ কোটি টাকা। এছাড়া বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতে ১২ কোটি টাকা যোগ হয়ে এ খাতে মোট বরাদ্দ হয়েছে ২৩৮ কোটি টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৯৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা রাজস্ব বরাদ্দ পেয়েছে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বরাদ্দের পরিমাণ নিম্নে উল্লেখ করা হলো-  

  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ৫৪৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ৫০৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা
  • জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা
  • ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা
  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ১৮২ কোটি ৯২ লাখ টাকা
  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা
  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ৬২ কোটি ৮৭ লাখ
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ৭৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা
  • জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ৭৫ কোটি ২০ লাখ টাকা
  • বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা
  • নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় ১৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকা
  • কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ১১ কোটি ৩ লাখ টাকা
  • নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় ৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা
  • মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় ৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা
  • ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ৯ কোটি ১২ লাখ টাকা
  • রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ২১ কোটি ১৬ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস ১৪৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা
  • চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ৬৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ৫৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় ৪৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা
  • ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ১৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা
  • ইউনিভার্সিটি অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি বাংলাদেশ ১৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা
  • অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় ৪৮ কোটি ২০ টাকা
  • শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা
  • হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৩৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা
  • মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১১৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা
  • পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১২১ কোটি ২৯ লাখ টাকা
  • নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১১৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা
  • যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৯৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা
  • পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৬৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা
  • গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৭৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা
  • রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকা
  • জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ২১ কোটি ৯০ লাখ টাকা
  • সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা
  • পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা
  • চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা
  • বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ২৮০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা
  • চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা
  • রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৯৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা
  • খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১২৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা
  • ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৯৭ কোটি ৫ লাখ টাকা
  • গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১০২ কোটি ৮২ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৩৫২ কোটি ১২ লাখ টাকা
  • শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৪২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা
  • খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৩০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা
  • হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা
  • কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা
  • সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৮৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ১৭৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা
  • রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ১৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা
  • সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ৬৩ লাখ টাকা
  • খুলনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা
  • চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ১৩ কোটি ৩৪ লাখ
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ৪৮১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা
  • বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ২৭৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা
  • ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ২৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা

শিগগিরই এনটিআরসির গণবিজ্ঞপ্তি, জানা গেল শূন্য পদের সংখ্যা

অনলাইন ডেস্ক
শিগগিরই এনটিআরসির গণবিজ্ঞপ্তি, জানা গেল শূন্য পদের সংখ্যা
সংগৃহীত ছবি

দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট নিরসনে নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সারা দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

রবিবার (১৪ জুন) রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ই-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। নতুন গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত শূন্যপদগুলো পূরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হবে।

এর আগে, রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষাখাত অত্যন্ত বড় একটি সেক্টর। বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার ৫০০। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ওয়াশরুম থাকলেও সেগুলোর মানোন্নয়নে কাজ চলছে।

শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, বিচারাধীন মামলার কারণে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট প্রায় ৮৩ হাজার মামলা বর্তমানে বিচারাধীন থাকায় অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না।

এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা ও আসনবিন্যাস প্রকাশ করেছে। পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড নিজ নিজ পরীক্ষাকেন্দ্রের কোড, কেন্দ্রের নাম, ভেন্যু এবং আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষার্থীদের ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের জন্য উন্মুক্ত করেছে।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এই তালিকায় ঢাকা জেলা ও মহানগরের অন্তর্গত বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র যেমন— ঢাকা (মূল কেন্দ্র), মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা-১ (আমুলিয়া), ডেমরা-২ (দারুন্নাজাত), উত্তরা, সাভার ও ধামরাইসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মাদরাসাগুলোকে সুনির্দিষ্ট কোড নম্বরসহ পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকার বাইরে মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলার আলিম পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম ও কোড তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬ পরিচালনার জন্য একটি বিস্তারিত আসনবিন্যাস ও বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের সংশোধিত ও প্রতিস্থাপিত চিঠিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের কাছ থেকে কেন্দ্র ফির টাকা গ্রহণ করবেন। এরপর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অলিখিত উত্তরপত্রসহ অন্যান্য গোপনীয় কাগজপত্র ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে সংগ্রহ করে পরীক্ষা পরিচালনা করবেন। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা সদরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পরীক্ষাকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর নীতিমালার কথা উল্লেখ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিদিনের পরীক্ষা শেষে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে ডাকযোগে ওএমআরের প্রথম অংশ ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কম্পিউটার কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে উত্তরপত্রসমূহ পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা মোতাবেক সরাসরি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভেন্যুকেন্দ্রসমূহ মূল কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় টাকা ও কাগজপত্র গ্রহণ করে পরীক্ষা পরিচালনা করবে এবং পরীক্ষা শেষে যাবতীয় নথিপত্র মূল কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেবে। নির্বাচিত কলেজের অধ্যক্ষ বা সিনিয়র কোনো অধ্যাপক এই পরীক্ষার কেন্দ্র প্রধান বা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র তালিকায় এবার বেশ কিছু নতুন কেন্দ্র যুক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে ঢাকা মহানগরীর উত্তরা অঞ্চলের ‘ঢাকা উইমেন্স কলেজ’ এবং খিলক্ষেতের ‘মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। এ ছাড়া রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মাইলস্টোন কলেজ, ক্যামব্রিয়ান কলেজ, নটর ডেম কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট কেন্দ্র ও আসনবিন্যাস নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।