• ই-পেপার

৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি

  • ২০২৫-২৬ অর্থবছর

দাম বাড়ার পর আজ সোনার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
দাম বাড়ার পর আজ সোনার ভরি কত?

দেশের বাজারে গতকাল বৃহস্পতিবার আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ‍জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এ দিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, যা গতকাল সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। 

এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গয়না ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গয়না বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গয়না বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না

অনলাইন ডেস্ক
রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না
সংগৃহীত ছবি

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না। এমনকি আগের অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে যে আয় হয়েছিল এবার অর্জিত আয় তার চেয়েও কম। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। আর সরকার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল, তার চেয়েও প্রায় ১৩ শতাংশ কম হয়েছে রপ্তানি আয়।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) গতকাল রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। দেখা যাচ্ছে, লক্ষ্যের চেয়ে প্রায় ৭০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয় কমেছে। এ ছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় এসেছিল ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ৩৯ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের চেয়েও রপ্তানি আয় কমে গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে তৈরি পোশাকের প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক খাতের রপ্তানি কমে যায়। ইপিবির তথ্য বলছে, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ১১ লাখ ডলার আয় হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কম। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পোশাক রপ্তানি থেকে ৩ হাজার ৯৩৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেছিলেন এ খাতের রপ্তানিকারকরা। অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক খাত থেকে আয় কমায় গত অর্থবছরে সামগ্রিক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

কম্পানিগুলোর জন্য সংক্ষিপ্ত ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন চালু করছে বিএসইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
কম্পানিগুলোর জন্য সংক্ষিপ্ত ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন চালু করছে বিএসইসি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোর ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুতের বর্তমান পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এখন থেকে পূর্ণাঙ্গ ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনের পরিবর্তে সংক্ষিপ্ত বা কনডেন্সড আর্থিক প্রতিবেদন চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মাসুদ খান। একই সঙ্গে আইপিও প্রক্রিয়া সহজ করা, কাগজনির্ভর কার্যক্রম কমিয়ে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ব্যবস্থায় যাওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকা ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) আয়োজিত পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কমিশনের দায়িত্ব শুধু নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বাজারের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। স্টেকহোল্ডারদের সমস্যার সুনির্দিষ্ট সমাধান খুঁজে বের করাই নতুন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। তাই আমরা একটি ‘সল্যুশন মাইন্ডসেট’ নিয়ে কাজ করছি।

নিজের করপোরেট জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, লাফার্জের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি নিজেও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অসংখ্য প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন। ফলে বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব সমস্যা ও দুর্ভোগগুলো তিনি ভালোভাবেই বোঝেন।

মাসুদ খান বলেন, বর্তমানে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে পূর্ণাঙ্গ ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিতে হয়। তবে আন্তর্জাতিক হিসাবমান ‘আইএএস-৩৪’ অনুসরণ করে সংক্ষিপ্ত আর্থিক প্রতিবেদন চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, আমরা আর পূর্ণাঙ্গ তিন মাসের রিপোর্ট চাইবো না। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কনডেন্সড রিপোর্টিং চাই।

দেশে অনেক ভালো প্রতিষ্ঠান জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ার কারণে শেয়ারবাজারে আসতে চায় না উল্লেখ করে বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, আগামী সপ্তাহ থেকেই আইপিও বিধিমালা পর্যালোচনার কাজ শুরু হবে। এ জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), আইসিএবি এবং মার্চেন্ট ব্যাংকারদের সঙ্গে যৌথ বৈঠক করবে কমিশন।

কমিশনের কার্যক্রম এখনো অনেকাংশে কাগজনির্ভর মন্তব্য করে তিনি জানান, সব রেগুলেটরি রিপোর্টিং ধীরে ধীরে ডিজিটাল করা হবে। এক্সবিআরএল, এক্সএমএলভিত্তিক রিপোর্টিং এবং ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করে তথ্য বিশ্লেষণও স্বয়ংক্রিয় করা হবে। এছাড়া গ্রাহকের স্বাক্ষরের অপব্যবহার রোধে ডিজিটাল ট্রেডিং ব্যবস্থার ওপর জোর দেন তিনি।

বাজারে ‘টি+১’ সেটেলমেন্ট চালুর বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান জানিয়ে মাসুদ খান বলেন, এটি সময়ের দাবি। তবে শর্ট সেলিং বা স্ক্রিপ্ট নেটিংয়ের মতো বিষয়গুলোতে বাজারের পরিপক্কতা বিবেচনা করে এগোতে হবে। পাশাপাশি আইপিও অনুমোদন ও সার্ভেইলেন্সের ক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জের সক্ষমতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কমিশন সব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চায় না; স্টক এক্সচেঞ্জের দায়িত্ব তাদেরই পালন করতে হবে।

মাসুদ খান আরো বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো খুচরা বিনিয়োগকারীনির্ভর। দীর্ঘমেয়াদে বাজারকে শক্তিশালী করতে মিউচুয়াল ফান্ড শিল্পের বিকাশ অত্যন্ত জরুরি। অতীতে কয়েকটি বড় ফান্ডের অনিয়মের কারণে পুরো শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিকিউরিটিজ ট্রাইব্যুনালকে কার্যকর করা এবং প্রয়োজনে বিশেষায়িত আদালত গঠনের বিষয়েও কাজ করছে কমিশন।

এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মূলধন বা মুনাফা ফেরত নেওয়ার জটিলতা দূর করা এবং মূলধনী মুনাফা (ক্যাপিটাল গেইন) কর নির্ধারণের বর্তমান পদ্ধতি সহজ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে কাজ করা হবে বলে তিনি জানান। পরিশেষে, বাজারকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করতে বিনিয়োগকারীদের আর্থিক শিক্ষা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।

টেকসই উত্তরণের লক্ষ্যেই এলডিসি প্রস্তুতিকাল বাড়াতে চায় সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
টেকসই উত্তরণের লক্ষ্যেই এলডিসি প্রস্তুতিকাল বাড়াতে চায় সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরো তিন বছর বাড়ানোর উদ্যোগকে বিলম্ব হিসেবে না দেখে টেকসই ও সুশৃঙ্খল উত্তরণের অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, ‘উত্তরণের এই অতিরিক্ত সময় আমরা বিলম্বের জন্য চাই না; বরং একটি টেকসই, স্থিতিশীল ও কার্যকর অর্থনৈতিক রূপান্তরের জন্য চাই।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘Bangladesh’s Preparedness for LDC Graduation and the Rationale for Extension of the Preparatory Period’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) কাছে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরো তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সিডিপি ইতিবাচক সাড়া দিয়ে তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে (ইকোসক) জমা দিয়েছে। ইকোসক বিষয়টি পর্যালোচনা করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সুপারিশ পাঠাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সরকার প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর আবেদন জানায়। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের বিঘ্নসহ নানা চ্যালেঞ্জের কারণে সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হয়েছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি শক্তিশালী করা।

জাতিসংঘের ওএইচআরএলএলএসের গ্র্যাজুয়েশন প্রস্তুতি মূল্যায়ন প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এলডিসি উত্তরণের জন্য পুরোপুরি অনুকূল নয়। এ কারণেই অতিরিক্ত প্রস্তুতিমূলক সময় প্রয়োজন।

তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে ২৫টি অগ্রাধিকারভিত্তিক সংস্কার কর্মসূচির একটি রোডম্যাপ গ্রহণ করেছে। এতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংস্কার, ডিরেগুলেশন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসা সহজীকরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যবসা শুরু করার সময় এক বছর থেকে কমিয়ে ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে, যাতে ১৫তম দিনে প্রতিষ্ঠানটি এলসি খুলে যন্ত্রপাতি আমদানি করতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ব্যবসা নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং ব্যবস্থার জটিলতা ও অপ্রয়োজনীয় ওভারল্যাপ দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে উদ্যোক্তাদের সময় ও ব্যয় কমে আসে।

সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, সরকার নাজুক অর্থনীতি ও দুর্বল আর্থিক খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের কাজ করছে। এ জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মেয়াদ বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন অংশীদারদের সহায়তা প্রয়োজন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী। তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, কাঠামোগত ও আন্তর্জাতিক ঝুঁকি-চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন এবং টেকসই উত্তরণের জন্য সময়াবদ্ধ রোডম্যাপ উপস্থাপন করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ দ্রুত পরিবর্তনশীল। এ অবস্থায় সংস্কারের গতি বজায় রাখা জরুরি। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বাজার উন্মুক্তকরণ ও প্রতিযোগিতার সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, উন্নয়ন অংশীদার ও বিশেষজ্ঞরা রপ্তানি বহুমুখীকরণ, আর্থিক খাত সংস্কার এবং করের আওতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।