• ই-পেপার

জোতাকে উৎসর্গ পর্তুগালের রোমাঞ্চকর জয়

জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব, স্টেডিয়াম নির্মাণে সমঝোতা স্মারক সই

ক্রীড়া ডেস্ক
জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব, স্টেডিয়াম নির্মাণে সমঝোতা স্মারক সই
জেদ্দায় ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণে চুক্তি হয়েছে পাকিস্তান-সৌদি আরবের। ছবি : এক্স থেকে

জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব। জেদ্দায় ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি করতে সমঝোতা চুক্তি করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও সৌদি আরবের ক্রিকেট ফেডারেশন (এসএসিএফ)। বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আজকের এই অংশীদারিত্ব কেবল জেদ্দায় একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি হলো যৌথ আকাঙ্ক্ষা, বিশ্বস্ত অংশীদারিত্ব এবং টেকসই বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌদি আরবে ক্রিকেটের একটি দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।’

সমঝোতা চুক্তি সাক্ষর করেন দুই বোর্ডের সভাপতি। পিসিবির সভাপতি মহসিন নাকভি ও এসএসিএফের সভাপতি প্রিন্স সৌদ বিন মিশাল বিন মোহাম্মদ আল সৌদ। চুক্তির বিষয়ে নাকভি বলেছেন, ‘সৌদি আরবের এই রোমাঞ্চকর ক্রিকেটযাত্রায় অবদান রাখতে পেরে সম্মানিত বোধ করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। একসঙ্গে এমন এক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি যা খেলাটিকে আরও শক্তিশালী করবে। আমাদের ক্রিকেটপ্রেমী জনগোষ্ঠীকে কাছাকাছি নিয়ে আসবে এবং ভবিষ্যতে এক দীর্ঘস্থায়ী গৌরবময় অধ্যায় রেখে যাবে।’

১৯৬০ সালের শুরুর দিকে পাকিস্তান ও ভারতের অভিবাসীদের হাত ধরে সৌদি আরবে ক্রিকেট যাত্রা শুরু হয়। পরে ২০০৩ সালে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) এফিলিয়েট (অনুমোদিত) সদস্যপদ লাভ করে। আর ২০১৬ সালে তা সহযোগী সদস্যপদ পায়।

অবসরের বিষয়ে কী বললেন রোনালদো

ক্রীড়া ডেস্ক
অবসরের বিষয়ে কী বললেন রোনালদো
অবসর নিয়ে এখন ভাবছেন না রোনালদো। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ শেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেবেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ভাইয়ের অবসর নিয়ে এমনি তথ্য দিয়েছেন পর্তুগিজ তারকার বোন কাতিয়া আভেইরো।

বিষয়টা নিশ্চিত হতেই রোনালদোর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল কবে অবসর নিচ্ছেন তিনি। উত্তরে যা বলেছেন তাতে বিশ্বকাপ শেষেই অবসর নিচ্ছেন না তিনি। তার মতে, হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নেন না তিনি।

 

ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে শেষ ৩২-এ ২-১ গোলের জয় পাওয়ার পর রোনালদো বলেছেন, ‘ক্রিস্টিয়ানোর ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি আমার পরিবারের সঙ্গে কথা বলব এবং তারপর সিদ্ধান্ত নেব। তাড়াহুড়ো করে আমি কোনো সিদ্ধান্ত নিই না। এখন বিশ্রাম নেওয়ার এবং পরের ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময়। টুর্নামেন্ট শেষে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেব, এখন নয়।’

এর আগে রোনালদোর বোন আভেইরো বলেন, “আমার কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, আমি বিদায়ের কথা বলতে পারি। আজই নয়, তবে আমার মনে হয় এটাই শেষ। আমি জাতীয় দলের কথা বলছি। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই বিশ্বকাপই তার ‘লাস্ট ড্যান্স’।”

মহানাটকীয় জয়ে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

ক্রীড়া ডেস্ক
মহানাটকীয় জয়ে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার ম্যাচটি যারা দেখেছেন, তারা হয়তো বহুদিন মনে রাখবেন ফুটবলের এই অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চকে। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর মনে হতে পারে, এমন রুদ্ধশ্বাস, নাটকীয় দ্বিতীয়ার্ধ শেষ কবে দেখেছিল বিশ্ব ফুটবল?

খেলার প্রথমার্ধটা যদি হয় শান্ত নদীর মতো, তবে দ্বিতীয়ার্ধ ছিল উত্তাল সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাস। ভাঙা-গড়ার এই খেলায় নাটকের শুরুটা হয় ম্যাচের ৫৩ মিনিটে। ইভান পেরিসিচের দুর্দান্ত এক গোলে লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। পিছিয়ে পড়ে গা ঝাড়া দিয়ে ওঠে পর্তুগাল। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর এক নান্দনিক ফিনিশিংয়ে উল্লাসে মেতেছিল পর্তুগিজ শিবির, কিন্তু ভাগ্য দেবী তখনো মুচকি হাসছিলেন। অফসাইডের খাঁড়ায় কাটা পড়ে সেই গোল।

তবে সিআরসেভেনকে কি আর বেশিক্ষণ আটকে রাখা যায়? ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিখুঁত শটে পর্তুগালকে সমতায় ফেরান এই মহাতারকা। এরপর নাটকের চিত্রনাট্য বদলায় দ্রুত। এবার ক্রোয়েশিয়ার একটি গোল বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। একটু পরই এক বুক হতাশা নিয়ে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় রোনালদোকে, ডাগআউটে বসে তখনো হয়তো ভাবছিলেন ম্যাচের ভাগ্যে কী আছে।

ম্যাচের বয়স যখন ৯৪ মিনিট, তখন পর্তুগাল শিবিরে আনন্দের জোয়ার ভাসিয়ে দেন বদলি নামা গনসালো রামোস। বল জালে জড়িয়ে পর্তুগালকে এগিয়ে নেন ২-১ ব্যবধানে। গ্যালারিতে তখন পর্তুগিজদের উৎসব, সবাই ধরেই নিয়েছিল ম্যাচের গল্প ওখানেই শেষ। কিন্তু ফুটবল বিধাতা যেন আরও বড় কোনো ক্লাইম্যাক্স জমিয়ে রেখেছিলেন শেষ মুহূর্তের জন্য!

ঘড়ির কাঁটা তখন ৯০+১৩ মিনিট ছুঁয়েছে। অবিশ্বাস্য এক আক্রমণে গোল করে বসল ক্রোয়েশিয়া! সমতায় ফেরার আনন্দে বন্য উল্লাসে মাতল ক্রোয়াটরা। দীর্ঘ উদযাপনে যখন ম্যাচ শেষের আবহ তৈরি হচ্ছিল, ঠিক তখনই রেফারির বাঁশি। ভিএআর মনিটর দেখে রেফারি জানিয়ে দিলেন, গোলটি অফসাইড!

মুহূর্তেই ক্রোয়েশিয়ার ডাগআউটে নেমে এলো পিনপতন নীরবতা। বাঁধভাঙা আনন্দ রূপ নিল বিষাদে।

কিছুক্ষণ আগের হতাশ রোনালদোর মুখে তখন চওড়া হাসি, আর অন্যপ্রান্তে মাঠের ওপর বিষাদের প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন লুকা মদরিচ। এই জয়েই শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল পর্তুগাল। আর মদরিচরা ফিরে যাচ্ছেন বাড়ি। 

প্রথমার্ধ শেষে গোলবিহীন পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রথমার্ধ শেষে গোলবিহীন পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া
রয়টার্সের ছবি

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ আর বল দখলের লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষ করল পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়া। তবে ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে মাঠের লড়াইয়ে ক্রোয়েশিয়ার চেয়ে কিছুটা এগিয়েই ছিল পর্তুগাল। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোদের আধিপত্য থাকলেও গোলমুখ খোলার মোক্ষম সুযোগটি অধরাই থেকে গেছে তাদের কাছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই পর্তুগিজরা বেশ কয়েকবার ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগে ভীতি ছড়ায়। কিন্তু ডি-বক্সের ভেতর গিয়ে বারবার খেই হারিয়ে ফেলায় কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি তারা।

অন্যদিকে, হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে ফুটবলপ্রেমীদের চোখ ছিল দুই দলের দুই মহাতারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো এবং লুকা মদরিচের ওপর। তবে প্রথমার্ধে নিজ নিজ দলের পারফরম্যান্সে তেমন কোনো জাদু দেখাতে পারেননি এই দুই কিংবদন্তি। মাঠের খেলায় তারা ছিলেন অনেকটাই আড়ালে।এতে গোলশূন্য সমতা নিয়েই বিরতিতে গেছে দুই দল।