• ই-পেপার

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান পৌঁছেছেন এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আদাবরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা : গ্রেপ্তার দুই আসামি কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আদাবরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা : গ্রেপ্তার দুই আসামি কারাগারে
প্রতীকী ছবি

বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিলের জয় উদযাপনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর আদাবর এলাকায় বিএনপি নেতা আবুল বাশারকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার শোয়েব হোসেন সোয়াইব ও মো. কবিরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথির আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদাবর থানার উপপরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান। 

আবেদনে বলা হয়, আসামিরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আছে প্রাথমিক তদন্তে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামিদের সম্পর্কে আরো গভীর ও নিবিড়ভাবে তদন্ত অব্যাহত আছে। গভীর তদন্তকালে যদি এই আসামিরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আছে মর্মে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে ওই হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হবে। তদন্ত সমাপ্ত, নাম ঠিকানা যাচাই ও বাদীর এজাহার না পাওয়া পর্যন্ত আসামিদের জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। 

এদিকে আসামিদের পক্ষের আইনজীবী মো. মাহবুব আলম তাদের জামিন চেয়ে প্রার্থনা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে, গত ২ জুলাই রাজধানীর আদাবর থানাধীন নবোদয় হাউজিং থেকে তাদের আটক করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ব্রাজিলের খেলা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে গত ১ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে নবোদয় বাজার এলাকায় সালিসি বৈঠক চলাকালে বিএনপির আদাবর থানা ইউনিটের সভাপতি মো. সাদ্দাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার বাদশাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাদের মধ্যে মো. আবুল বাসার বাদশার অবস্থার অবনতি হলে হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর আহত সাদ্দাম শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিরোধীদলীয় নেতা

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস নয়

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস নয়
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘দেশ আমাদের সবার। এক ইঞ্চি জায়গা কেন, একটি বালুর ওপরও কাউকে পা রাখতে দেব না।’

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে নেত্রকোনা জেলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে সংসদে আলোচনার জন্য নোটিশ দেওয়া হলেও সরকার তা গ্রহণ করেনি। সীমান্ত ইস্যুতে সংসদ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন, যাতে স্পষ্ট হয়—দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধ।’

তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে সীমান্তে বিজিবির পাশাপাশি সাধারণ মানুষও বুকভরা দেশপ্রেম নিয়ে দাঁড়াবে। বিজিবির হাতে থাকবে অস্ত্র, আর জনগণের হাতে থাকবে দেশপ্রেম। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস হবে না।’

প্রতিবেশী দেশের প্রতি ইঙ্গিত করে জামায়াত আমির বলেন, ‘বন্ধুত্বের দাবি করে কোনো দেশ অন্য দেশের মানুষের ওপর নিপীড়ন চালাতে পারে না। প্রকৃত বন্ধুত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দায়িত্বশীল আচরণের ওপর প্রতিষ্ঠিত। কেউ সেই দায়িত্ব পালন না করলে দেশের স্বার্থ রক্ষায় জনগণও নীরব থাকবে না।

নদী ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে নদী খননের কাজ করায় সরকারি অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হয় না। এতে নদী ভরাট হচ্ছে, বর্ষাকালে বালুচর সৃষ্টি হচ্ছে এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দেখা দিচ্ছে।’ এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দেশের অর্থবছর জুলাই-জুনের পরিবর্তে জানুয়ারি-ডিসেম্বর করার প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, ‘অর্থবছরের প্রথম ৯ মাস উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি ধীরগতির থাকে। অথচ শেষ দেড় থেকে দুই মাসে তড়িঘড়ি করে অধিকাংশ অর্থ ব্যয় করা হয়। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নের গুণগত মান ও জবাবদিহি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

নেত্রকোনার শিল্প সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রবাল, সিলিকা বালু, কৃষিভিত্তিক পণ্য ও মৎস্যসম্পদকে কেন্দ্র করে এ জেলায় শিল্পায়নের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তবে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দুর্নীতি, ঘুষ, কমিশন বাণিজ্য, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও লাল ফিতার দৌরাত্ম্য দূর করতে হবে। তাহলেই দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন এবং উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।’

নেত্রকোনা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ছাদেক আহমেদ হারিছের সভাপতিত্বে এবং জেলা প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় মতবিনিময়সভায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং জেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


 

ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ‘উন্মাদ’ ছাড়া কী বলব : দুদু

অনলাইন ডেস্ক
ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ‘উন্মাদ’ ছাড়া কী বলব : দুদু
সংগৃহীত ছবি

বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে, ৬২-এর ছাত্র আন্দোলন, ৬৯-এর গণ আন্দোলন, ৭০-এর নির্বাচন, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের শুরু সবই তো করেছে প্রতিষ্ঠানটির ছাত্র-ছাত্রীরা। কিন্তু সেটা মানেন না। তাকে (বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ) আমরা উন্মাদ ছাড়া কী বলব?

কালের কণ্ঠের নিয়মিত আয়োজন কালের সংলাপে অংশ নিয়ে উপস্থাপক ব্যারিস্টার ফুয়াদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র সংগঠন গৌরব উজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বস্থানীয় সবাই ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থাকতেই পারে।

জামায়াতের বিষয়ে তিনি বলেন, বিরোধীদল তাদের মতো করে রাজনীতি করবে। বিএনপিও তাদের আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করে। কিন্তু জামায়াত ইসলামী তারা সবসময় জুলাইটাকে সামনে নিয়ে আসে। তারা সরকারের দোষত্রুটি না পেয়ে ভিন্ন কর্মসূচিতে যাওয়ার একটা পরিকল্পনা করছে। 

এর আগে এক বক্তব্যে ব্যারিস্টার ফুয়াদ  ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কাল থেকে বন্ধ থাকলে দেশের কী ক্ষতি হবে। বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট, টাউট ও বাটপার তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ক্ষতির দায় এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের।’- মন্তব্য করেন। এরপর দেশ জুড়ে সমালোচনা শরু হয়। এ মন্তব্যের ঘটনায় রাজু ভাস্কর্যে ফুয়াদের ব্যঙ্গচিত্রে জুতা নিক্ষেপের পাশাপাশি ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

মির্জা ফখরুলের সঙ্গে পদবঞ্চিত যুবদল নেতাদের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে পদবঞ্চিত যুবদল নেতাদের সাক্ষাৎ

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা। এ সময় তারা বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি দেওয়ার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডের মির্জা ফখরুলের ইসলামের সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ হয়। এতে যুবদলের পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জন উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতাদের মধ্যে ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, মো. হুমায়ুন কবির, সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, জাকির হোসেন খান, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সাবেক সম্পাদক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম রিয়ন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান প্রমুখ।