• ই-পেপার

১৮ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ টোটালি পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি : ব্যারিস্টার বাদল

অভিনেতা জাহের আলভী দুই দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
অভিনেতা জাহের আলভী দুই দিনের রিমান্ডে
ছবি : কালের কণ্ঠ

স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়ার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এই আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মো. আব্দুল মালেক গত রোববার জাহের আলভীকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন। ওই দিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য আজকের দিন (বুধবার) ধার্য করেন। আজ শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন জাহের আলভী। আদালত সেদিন তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

হত্যাচেষ্টা মামলায় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ ফের গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
হত্যাচেষ্টা মামলায় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ ফের গ্রেপ্তার

জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র রাজধানীর মিরপুর মডেল থানা এলাকায় মো. মুক্তার হোসেনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমকে ফের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে, মমতাজকে আদালতে হাজির করে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. আজিজুল হক।

আজ আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে তার আইনজীবীরা গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করেন।

গ্রেপ্তারের আবেদনে বলা হয়, আসামির এই মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এজন্য আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন। মামলার তদন্ত চলমান। আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে তাকে মামলার ঘটনার বিষয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরবর্তীতে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের সময়ে বাদী ও ভিকটিম মো. মুক্তার হোসেন মিরপুরের সুইমিং ও ফায়ার সার্ভিসের রাস্তায় আন্দোলনে যোগ দেন। আন্দোলন দমাতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজন তাদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণ করে। পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট মুক্তার হোসেনের শরীর ও বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পড়ে যায়। পরবর্তীতে কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় মুক্তার একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এই মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।

২০২৫ সালের ১২ মে রাত পৌনে ১২টায় ধানমন্ডির স্টার কাবাবের পেছনের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরদিন তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার সিএমএম আদালত। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

লোকসংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী মমতাজ নবম সংসদ নির্বাচনের পর ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য হন। পরে ২০১৪ সালে তাকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয়। ২০১৮ সালেও নৌকা নিয়ে জয় পাওয়া মমতাজ ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনে দলের নেতা এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে হেরে যান।

উচ্চ আদালতে চার কর্মদিবসে ২০৭৪০ পুরনো মামলা নিষ্পত্তি

অনলাইন ডেস্ক
উচ্চ আদালতে চার কর্মদিবসে ২০৭৪০ পুরনো মামলা নিষ্পত্তি

হাইকোর্টে মাত্র চার কার্যদিবসে ২০ হাজার ৭৪০টি পুরনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। এতে আদালতে মামলার জট হ্রাস ও বিচারব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৩ হাজার ২৪৭টি পুরনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। একই সঙ্গে রিট মোশন বেঞ্চে ১ হাজার ৭৬৫টি পুরনো রিট মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। গত ১৪ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৩ হাজার ৮৪২টি পুরনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়। একই সঙ্গে রিট মোশন বেঞ্চে ৩ হাজার ২৬২টি পুরনো রিট মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

১১ জুন হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৬ হাজার ১৯৯টি পুরনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়। এ ছাড়া গত ১৮ জুন হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চগুলোতে ১ হাজার ৮৮৪টি পুরনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। একই সঙ্গে রিট মোশন বেঞ্চগুলোতে ৫৪১টি পুরনো রিট মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

সূত্র আরো জানায়, হাইকোর্টে পুরনো মামলা নিষ্পত্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মাত্র চার কার্যদিবসে (প্রতি সপ্তাহে এক দিন করে) মোট ১৫ হাজার ১৭২টি পুরনো ক্রিমিনাল মিস মামলা এবং ৫ হাজার ৫৬৮টি পুরনো রিট মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এই চার কার্যদিবসে হাইকোর্টে মোট ২০ হাজার ৭৪০টি পুরনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নির্দেশনা অনুসারে দীর্ঘদিনের পুরাতন মামলা নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে গত ৭ মে থেকে প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে পুরনো ক্রিমিনাল মিস ও পুরনো রিট মামলা নিষ্পত্তির বিশেষ এ কার্যক্রম শুরু হয়। বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, মামলা জট হ্রাস এবং বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত এই বিশেষ উদ্যোগের ফলে বিপুলসংখ্যক পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে।

এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, হাইকোর্টে পুরনো মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতির গৃহীত এই পদক্ষেপ প্রশংসনীয়। আমি আশা করি, এটি অব্যাহত থাকবে। সেই সঙ্গে মামলাজট নিরসনে আমরা অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে চাই। এরই মধ্যে আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করে মামলা জট নিরসনে কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছি। সেই সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষ থেকে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ১ হাজার ৪০০ মামলার একটি তালিকা দিয়েছি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

অনলাইন ডেস্ক
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ এ রিট দায়ের করেন। আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে রুল জারি করে বিবাদীদের কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া যে, কেন প্রতিপক্ষ সরকারের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হবে না, যেন তারা আইন অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন রহিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। কারণ আইনটি তার উদ্দেশ্য পূরণ করে ফেলেছে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিচারিকভাবে হত্যার অস্ত্র হিসেবে এর অপব্যবহার ও অপপ্রয়োগ প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংবিধানের বিধানগুলোর পরিপন্থী হওয়ায় সেই বিষয়টিও অবৈধ ও বাতিল চাওয়া হয়েছে।