• ই-পেপার

আসছে মানবসদৃশ রোবট আর১

দেশজুড়ে চলছে জিপিফাইয়ের ক্যাম্পেইন

টেকবিশ্ব ডেস্ক
দেশজুড়ে চলছে জিপিফাইয়ের ক্যাম্পেইন

গ্রামীণফোনের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড সলিউশন ‘জিপিফাই’-এর নতুন ক্যাম্পেইন ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারা দেশে জিপিফাই’। প্রথাগত ব্রডব্যান্ডের বিকল্প হিসেবে কাজ করে জিপিফাই-এর ওয়্যারলেস সেটআপ। তার টানা বা দেয়াল ফুটো করার কোনো ঝামেলা নেই, বাসা বদলের সময় সংযোগ বদলানোর প্রয়োজন হয় না। সারা দেশে বিনামূল্যে হোম ডেলিভারি এবং ‘প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে’ সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নির্বিঘ্নে সংযুক্ত হয়ে নির্ভরযোগ্য হোম ওয়াই-ফাই উপভোগ করতে পারবে। জিপিফাই একই সঙ্গে একাধিক ডিভাইসে ব্যবহার করা সম্ভব। পরিবার, রিমোট ওয়ার্কার ও ছোট টিমের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম এই সেবা। অফারটিতে বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস রয়েছে, যার মধ্যে বিল্ট-ইন ব্যাটারি ব্যাকআপ সমৃদ্ধ মডেলও অন্তর্ভুক্ত। এটি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়ও তিন ঘণ্টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করে। ফলে লোডশেডিংয়ের সময়ও কোনো অসুবিধা হবে না। জিপিফাইয়ের আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহারের মধ্যে কোনো হিডেন এফইউপি (ফেয়ার ইউজেস পলিসি) নেই। সেই সঙ্গে যেকোনো প্রয়োজনে থাকছে ২৪/৭ কাস্টমার সাপোর্ট হটলাইনের সুবিধা। ব্যবহারকারীরা বিকাশের ‘পে বিল’, মাইজিপি এবং দেশব্যাপী রিটেইল পয়েন্টগুলোর মাধ্যমে সহজেই বিল পরিশোধ করতে পারবে। শুধু ইন্টারনেট সংযোগই নয়, ফ্রি ডেডিকেটেড রিয়েল আইপি এবং ‘বায়োস্কোপ+’-এর মাধ্যমে ১০টি পর্যন্ত ওটিটি সাবস্ক্রিপশন উপভোগ করার সুযোগ পাবে ব্যবহারকারীরা, যা বিনোদনের অভিজ্ঞতাকে আরো সমৃদ্ধ করবে। ব্যবহারকারীরা ২০ এমবিপিএস থেকে ১০০ এমবিপিএস পর্যন্ত বিভিন্ন সুবিধাজনক মাসিক প্ল্যান বেছে নিতে পারবে। এই প্যাকেজগুলো শুরু হচ্ছে মাত্র ৮৫০ টাকা থেকে।

 

         

একনজরে

চ্যাটজিপিটির নতুন মডেল জিপিটি ৫.৫

চ্যাটজিপিটির নতুন মডেল জিপিটি ৫.৫
জিপিটি ৫.৫-এর উত্তরগুলো কতটা সংক্ষিপ্ত সেটি বুঝাতে ওপেনএআইয়ের করা পোস্ট। ছবি : সংগৃহীত

জেমিনি বা ক্লডের মতো সংক্ষেপে দ্রুত উত্তর দেওয়ার ফিচার নিয়ে ২৩ এপ্রিল বাজারে এসেছে জিপিটি ৫.৫। নতুন মডেলে লেখা সম্পাদনা ও সফটওয়্যার কোডের বাগ বের করায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ধাপে ধাপে কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনও আর নেই, জটিল কাজের দায়িত্ব দেওয়া হলে কী করতে হবে তা নিজ থেকেই বুঝতে সক্ষম জিপিটি ৫.৫। তবে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন, নতুন ইমেজ জেনারেশন অ্যালগরিদম আর অপ্রয়োজনীয় শব্দচয়ন ছাড়াই উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা। পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সেফটি গার্ডরেইলস, যাতে ব্যবহারকারীরা জিপিটি কাজে লাগিয়ে সহিংস বা অবৈধ কাজের পরিকল্পনা করতে না পারে। ওপেনএআই জানিয়েছে, জিপিটি ৫.৫ কম টোকেন ব্যবহার করে তাই টোকেনের পেছনে ব্যবহারকারীদের খরচ অনেকটাই কমে যাবে। নতুন মডেলটি আপাতত শুধু পেইড সাবস্ক্রাইবারদের জন্য উন্মোচন করা হয়েছে, ফ্রি অ্যাকাউন্টেও শিগগিরই ব্যবহার করা যাবে।

 

কয়লার ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ

খনি থেকে কয়লা উত্তোলন এবং সেটি পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদনের ফলে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়। পরিবেশদূষণ এড়িয়ে সরাসরি কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপায় আবিষ্কার করে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন চীনের শেনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। কয়লা থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে লিখেছেন এস এম তাহমিদ

কয়লার ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ
এআই ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ সরবরাহ করার ফুয়েল সেল। ছবি : সংগৃহীত

কয়লাচালিত পাওয়ার স্টেশন বলতেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ধোঁয়ার কুণ্ডলি আর পরিবেশদূষণের বীভৎস চিত্র। বিশ্বের বড় বড় সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে টনকে টন কয়লা পুড়িয়ে তৈরি হয় বাষ্প, যা ব্যবহার করে ঘোরানো হয় টারবাইন, তৈরি হয় বিদ্যুৎ। এ উপায়ে কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা গেলেও পরিবেশদূষণের কারণে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়।

সম্প্রতি চীনের একদল গবেষক কয়লা কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ তৈরির নতুন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। তাঁদের উদ্ভাবিত উপায়ে বিদ্যুৎ তৈরিতে আর কয়লা পোড়ানোর প্রয়োজন হবে না। সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে কয়লা থেকে উৎপাদিত হবে বিদ্যুৎ, কোনো বাড়তি পরিবেশদূষণ ছাড়াই।

এই অসাধ্যটি সাধন করেছেন শেনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ঝি হেপিং ও তাঁর গবেষকদল। তাঁদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘জিরো কার্বন এমিশন ডাইরেক্ট কোল ফুয়েল সেল’ বা জেডসি-ডিসিএফসি (ZC-DCFC)। এর মাধ্যমে দূষণ ছাড়াই কয়লা ব্যবহার করে চলমান জ্বালানিসংকট মেটানো যাবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

 

কিভাবে কাজ করে

বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় কয়লা। প্রথম ধাপে কয়লা পুড়িয়ে পানি থেকে বাষ্প উৎপন্ন করা হয়। এতে প্রচুর কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অন্যান্য বিষাক্ত রাসায়নিকযুক্ত ধোঁয়া নির্গত হয়। এরপর উচ্চচাপের বাষ্প কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘোরানো হয়, যার ঘুর্ণনশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে জেনারেটর। এভাবে অলটারনেটিং কারেন্ট (এসি) ঘরানার বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।

কিন্তু নতুন এই পদ্ধতিতে কয়লাকে পোড়ানো হয় না, এর বদলে কয়লা কাজে লাগিয়ে তৈরি হয় ফুয়েল সেল। প্রথমে কয়লা গুঁড়া করে শুকিয়ে পরিষ্কার করা হয়। এরপর সেটি ব্যবহার করে ফুয়েল সেলের ধনাত্মক চেম্বার (অ্যানোড) পূর্ণ করা হয়। অ্যানোডের অন্য পাশে থাকে ঋণাত্মক (ক্যাথোড) চেম্বার, দুটি চেম্বারের মধ্যে দেয়াল হিসেবে থাকে অক্সাইডের পর্দা (মেমব্রেন)। ক্যাথোড চেম্বারে অক্সিজেন গ্যাস প্রবেশ করানো হয়। অক্সাইড পর্দার উপস্থিতিতে কয়লার গুঁড়া ও অক্সিজেনের মধ্যে তড়িৎ-রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। ঠিক যেভাবে স্মার্টফোনের ব্যাটারি কাজ করে, অনেকটা সেভাবেই কয়লা থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। কোনো তাপ, ধোঁয়া বা ভয়ংকর রাসায়নিক তৈরি হয় না।

 

কার্বন নির্গমন নেই

গবেষকরা জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ তৈরির সময় নির্গত হয় কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস। তবে উত্তপ্ত ধোঁয়া হিসেবে নয়, বরং ঠাণ্ডা গ্যাসের প্রবাহ হিসেবে সেটি বেরিয়ে আসে। তাই বাতাসে ছড়িয়ে দেওয়ার বদলে সেটিকে পরিশোধন করা যায়। সেই কার্বন থেকে পরবর্তী সময়ে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বা অন্যান্য দরকারি খনিজ উপাদান তৈরি করা সম্ভব। এ পদ্ধতি ব্যবহারে বায়ুমণ্ডলে কোনো প্রকার বিষাক্ত গ্যাস মেশে না। তাই এটিকে ‘জিরো কার্বন’ প্রক্রিয়া বলা যায়।

 

নেই শক্তির অপচয়

তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কয়লার শক্তির মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বিদ্যুতে রূপান্তরিত হয়। বাকি শক্তি অপচয় হয় তাপ ও মেকানিক্যাল লস হিসেবে। একে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘কার্নো সাইকল’-এর সীমাবদ্ধতা বলা হয়। কিন্তু চীনের এই নতুন ফুয়েল সেলে কোনো দহন বা পোড়ানোর ব্যাপার নেই। এখানে কোনো টারবাইন ঘোরানোর প্রয়োজন পড়ে না, ফলে যান্ত্রিক ঘর্ষণে শক্তির অপচয়ও হয় না। তাই এর এফিশিয়েন্সি বর্তমান বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। সহজ কথায়, অল্প কয়লায় মিলবে অনেক বেশি বিদ্যুৎ।

 

কয়লা উত্তোলনের প্রয়োজন নেই

এই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে গভীর ভূগর্ভস্থ কয়লা উত্তোলন না করেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা যাবে। গবেষকরা অনুমান করছেন,  ভূপৃষ্ঠের প্রায় দুই কিলোমিটার গভীরেও ফুয়েল সেল বসিয়ে সেখানে অবস্থিত কয়লা কাজে লাগানো যাবে। ২০২৫ সাল থেকে শুরু হওয়া চীনের একটি বড় প্রকল্পের অধীনে এই গভীর ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ উৎপাদন সিস্টেমের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

 

বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ

প্রযুক্তিটির বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরুর জন্য অনেকটা পথ এখনো বাকি। গবেষণাগারে এই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে সফলভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা গেলে বড় পরিসরে এ প্রযুক্তি কিভাবে কাজে লাগানো হবে সে বিষয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন। এইচবিআইএস গ্রুপের বিশেষজ্ঞ ওয়েই ঝিজিয়াং মনে করেন, এই প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের নাগালে আসতে বা বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হতে ২০৪৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ফুয়েল সেলের স্থায়িত্ব নিয়েও এখনো সংশয় রয়েছে। কত সময় পর্যন্ত সেগুলো কার্যক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে, সেটিও দেখার বিষয়।

 

মার্কোপোলো এআই

ঢাকা থেকে সিলিকন ভ্যালি

টেকবিশ্ব ডেস্ক
ঢাকা থেকে সিলিকন ভ্যালি
টিম মার্কোপোলো এআই। ছবি : সংগৃহীত

ই-কমার্স এবং ডিরেক্ট-টু-কাস্টমার (ডিটুসি) ব্যবসায়ীদের জন্য ক্রেতা হারানো বড় এক সমস্যা। কার্টে পণ্য যোগ করার পরও অনেক ক্রেতা অর্ডার সম্পন্ন করে না বা একবার অর্ডার করার পর পুনরায় অর্ডারে উৎসাহ দেখায় না। কী কারণে ক্রেতারা অর্ডার করতে নিরুৎসাহিত হয়, সেটি বের করে মার্কোপোলো এআই।

২০২১ সালে বিশ্ব যখন মহামারির কবলে, ঠিক তখনই তাসফিয়া তাসবিন এবং রুবাইয়াত ফারহান ঠিক করেন মার্কোপোলো এআই নিয়ে কাজ শুরু করবেন। এআই নিয়ে কাজ করায় তাসফিয়ার অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিনের। এর আগে সিঙ্গাপুর এবং বাংলাদেশভিত্তিক এআই স্টার্টআপ ‘গেইজ এআই’-তে কাজ করেছেন তিনি। এ ছাড়াও দায়িত্ব পালন করেছেন জাতিসংঘ এবং বাংলাদেশের জাতীয় ডিজিটাল উদ্ভাবন কর্মসূচির উপদেষ্টা হিসেবে। অন্য সহপ্রতিষ্ঠাতা রুবাইয়াত ফারহান পড়াশোনা করেছেন বুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে। তাঁর তৈরি ‘ওয়ানথ্রেড’ নামক সফটওয়্যার বিশ্ববাজারে বেশ সমাদৃত। দুজনের কর্ম অভিজ্ঞতা মিলিয়ে এআইচালিত মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরির সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা, যা আজ মার্কোপোলো এআইয়ে পরিণত হয়েছে।

বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক এআই বা স্টার্টআপ প্রতিযোগিতায় সম্মাননা পেয়ে এগিয়ে যেতে থাকে মার্কোপোলো। সৌদি আরবের প্রযুক্তি সম্মেলন ‘লিপ ২০২৪’ এর ‘এআই ওয়েসিস হ্যাকাথন’ জয় করে ৪০ হাজার ডলারের অনুদান লাভ করে প্রতিষ্ঠানটি, পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের ‘কে-স্টার্টআপ গ্র্যান্ড চ্যালেঞ্জ’-এ শীর্ষ ১০-এও জায়গা করে নেয়। ২০২৩-এ ফোর্বসের ‘৩০ অনূর্ধ্ব ৩০ এশিয়া’ তালিকায় ঠাঁই পায় এই দুই তরুণের নাম। এতে বিশ্ব প্রযুক্তিবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান এগিয়ে যায় আরো একধাপ।

বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অবস্থান তৈরির সুযোগ করে দিয়েছিল সান ফ্রান্সিসকোর এইচএফজিরো রেসিডেন্সি। প্রতিবছর বিশ্বের হাজারও আবেদনকারীর মধ্যে ১০টিরও কম প্রতিযোগীকে এইচএফজিরোতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। এখানে কাজ করার সময় নিজেদের প্ল্যাটফর্মকে ই-কমার্সের জন্য ‘প্রেডিক্টিভ এআই’ হিসেবে তৈরির সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির সিইও এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা তাসফিয়া তাসবিন বলেন, ‘আমরা চাই মার্কোপোলো এআই বিশ্বের প্রতিটি অনলাইন স্টোরকে সাহায্য করুক।’

মার্কোপোলো এআইয়ের অনন্য উদ্ভাবন ‘অ্যাথেনা’। এটি একপ্রকার প্রেডিক্টিভ এআই,  যা ক্রেতার ইচ্ছা আগেভাগেই বুঝে নেয়। অনলাইন স্টোরে প্রবেশ করে গ্রাহক কী করছে—সেটি বিশ্লেষণ করে অ্যাথেনা অনুমান করতে পারে আগামী ১০ থেকে ৩০ সেকেন্ড পর ক্রেতা কী করবে। কার্টে থাকা পণ্যের অর্ডার সম্পন্ন না করে ক্রেতা চলে যাবে কি না সেটি বুঝে নিয়ে অর্ডার সম্পন্ন করায় উৎসাহিত করে অ্যাথেনা। ফলে ক্রেতাদের কেনাকাটার হার বাড়ে প্রায় দ্বিগুণ। মার্কোপোলো এআই ইংরেজি ও বাংলার পাশপাশি আরো অনেক ভাষা বুঝতে সক্ষম। ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অত্যন্ত সাবলীলভাবে কথা বলে ক্রেতাদের ফিরিয়ে আনে অ্যাথেনা।

এইচএফজিরো, ট্রান্সপোজ ভিসি, স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড, অ্যাকসেলারেটিং এশিয়া, আইডিয়া, জোয়া ক্যাপিটাল এবং তাকাদাম-এর মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগে মার্কোপোলো এআই এখন বাংলাদেশ, সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ই-কমার্স ও ডিটুসি ব্যবসাগুলোর হারানো ১০০ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা পুনরুদ্ধার করায় কাজ করছে এই প্রতিষ্ঠান।