• ই-পেপার

পথ বন্ধ করলেন অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি

হাইকমিশনার হিসেবে ‘লেটার অব ক্রিডেন্স’ গ্রহণ দীনেশ ত্রিবেদীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
হাইকমিশনার হিসেবে ‘লেটার অব ক্রিডেন্স’ গ্রহণ দীনেশ ত্রিবেদীর

বাংলাদেশে ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে শিগগিরই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন দেশটির সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী। গতকাল শুক্রবার ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে তিনি নিয়োগসংক্রান্ত পরিচয়পত্র (লেটারস অব ক্রিডেন্স) গ্রহণ করেন। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এ তথ্য জানায়।

দীনেশ ত্রিবেদী দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গভিত্তিক রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (ইউপিএ) সরকারের আমলে তিনি কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন। ২০২১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। একই বছরের ৬ মার্চ তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন।

চাকরি ছাড়ার আবেদন সিআইডিপ্রধানের

নিজস্ব প্রতিবেদক
চাকরি ছাড়ার আবেদন সিআইডিপ্রধানের

অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভারপ্রাপ্ত প্রধান ডিআইজি আলী আকবর খান পিআরএলের (অবসর-পূর্ব ছুটি) আবেদন করেছেন। দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় স্বেচ্ছায় অবসরের জন্য আবেদন করেন তিনি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোরাল আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি পুলিশ সদর দপ্তর।

এর আগে গত ১ জুন সিআইডির দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ (সিনিয়র) সচিব বরাবর এ আবেদন দাখিল করেন সিআইডিপ্রধান। এতে পদোন্নতিতে বঞ্চিত হওয়া এবং বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার পুলিশের পাঁচজন ডিআইজিকে অতিরিক্ত আইজিপি (গ্রেড-২) হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের তালিকায় আলি আকবর খানের নাম না থাকায় তাঁর ভবিষ্যৎ দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এ অবস্থায় তিনি পিআরএলের আবেদন করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে দুজন ছিলেন আলি আকবর খানের ১৫তম ব্যাচের সহকর্মী, বাকি তিনজন ১৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা।

আবেদনপত্রে আলি আকবর খান উল্লেখ করেন, ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর পুলিশ বাহিনীতে যোগদানের পর থেকে তিনি অত্যন্ত সততা, দক্ষতা ও সম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে কর্মজীবনে তিনি দীর্ঘ সময় বঞ্চনার শিকার  হয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর তাঁকে ওএসডি করা হয় এবং ২০২২ সালের এপ্রিলে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। দীর্ঘ বঞ্চনার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী তিনি চাকরিতে পুনর্বহাল হন।

তিনি লিখেছেন, নিজের অযোগ্যতা নিয়ে সরকারের বোঝা হওয়ার পরিবর্তে তিনি সরকারি চাকরি আইন-২০১৮-এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী স্বেচ্ছায় অবসর নিতে ইচ্ছুক।

আবেদন অনুযায়ী, আগামী ২ জুলাই ২০২৬ থেকে তার এ অবসর কার্যকর করার অনুরোধ জানিয়েছেন আলি আকবর খান। একই সঙ্গে ওই তারিখ থেকে এক বছরের পিআরএল (অবসরোত্তর ছুটি) মঞ্জুরের জন্যও আবেদন করেছেন এই কর্মকর্তা।

এদিকে স্বেচ্ছায় অবসরের আবেদন প্রসঙ্গে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে আলি আকবর খান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

চার মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন দলের ২০০ নেতাকর্মীর এনসিপিতে যোগদান

নিজস্ব প্রতিবেদক
চার মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন দলের ২০০ নেতাকর্মীর এনসিপিতে যোগদান

চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন দলের ২০০ নেতাকর্মী জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর ডিগ্রি কলেজ মাঠে এক অনুষ্ঠানে দলটিতে যোগদান করেন তাঁরা। পাশাপাশি ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানও করে দলটি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, আপ বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গন থেকে দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক এনসিপিতে যোগদান করেন বলে জানান দলটির নেতারা। যোগদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধারা হলেন আবু বকর সিদ্দিক, ওসমান গনি, রমিজ উদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী।

অনুষ্ঠানে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণের লক্ষ্যে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি জনগণের সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে নবাগত নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

খুলনায় ‘গ্রেনেড বাবু’র দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার ৫৯

খুলনা অফিস
খুলনায় ‘গ্রেনেড বাবু’র দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার ৫৯

খুলনা মহানগরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশ (কেএমপি)। অভিযানে চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কেএমপির মিডিয়া সেল জানায়, মহানগর এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ দমনে পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মহানগরের বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে খুলনা থানা এলাকা থেকে ১৩ জন, সোনাডাঙ্গা মডেল থানা থেকে ১৩ জন, লবণচরা থানা থেকে ছয়জন, হরিণটানা থানা থেকে একজন, খালিশপুর থানা থেকে ১৬ জন, দৌলতপুর থানা থেকে আটজন এবং মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর অন্যতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত কসাই লিটন ও রিফাত রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

কেএমপি জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

এর দুই দিন আগে কেএমপি সদর দপ্তরে খুলনা শহরের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা হয়। ওই সময় থেকে মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রসীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, অভিযানে খুলনা মহানগর পুলিশ, র‌্যাব-৬ এবং খুলনার বিভিন্ন পুলিশ ইউনিট, এপিবিএন যৌথভাবে অংশগ্রহণ করবে। যৌথ অভিযান টিম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

খুলনায় অপরাধের বেশির ভাগ ঘটনায় ঘুরেফিরে ৯টি সন্ত্রাসী গ্রুপের নাম এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নিষ্ক্রিদ্ধয়তা ও অদক্ষতার সুযোগেই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো শক্তিশালী হয়েছে।