• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার চুরি, দুই আসামি পাঁচ দিনের রিমান্ডে

উত্তরা ১৬ নম্বর সেক্টরে মসজিদের জন্য জমি বরাদ্দের দাবিতে সমাবেশ

উত্তরা ১৬ নম্বর সেক্টরে মসজিদের জন্য জমি বরাদ্দের দাবিতে সমাবেশ
রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউনের ১৬ নম্বর সেক্টরে মসজিদের জন্য সরকারি প্লট স্থায়ীভাবে বরাদ্দের দাবিতে গতকাল সমাবেশে উপস্থিত মুসল্লিরা। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউনের ১৬ নম্বর সেক্টরে মসজিদের জন্য সরকারি প্লট স্থায়ীভাবে বরাদ্দের দাবিতে সমাবেশ করেছে স্থানীয় মুসল্লি ও বাসিন্দারা।

গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর সেক্টরের ই-ব্লকের এস-২৮ নম্বর প্লটের মসজিদ আল জান্নাহ-এর সামনে এই সমাবেশ হয়। বক্তারা বলেন, উত্তরা মডেল টাউনের ১৬ নম্বর সেক্টরে বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয়ের জন্য জমি বরাদ্দ থাকলেও মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য মসজিদের কোনো নির্দিষ্ট স্থান রাখা হয়নি। এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দা ও মুসল্লিদের উদ্যোগে প্লটটিতে অস্থায়ীভাবে মসজিদ আল জান্নাহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সমাবেশে বক্তারা ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্ব বিবেচনায় ই-ব্লকের এস-২৮ নম্বর প্লটটি মসজিদ আল জান্নাহ-এর নামে স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

মুসল্লিদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন সেখানে জুমার নামাজ আদায় করেন। পরে তিনি বলেন, ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্লটটি মসজিদ আল জান্নাহ-এর নামে স্থায়ীভাবে বরাদ্দের বিষয়ে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন মসজিদ আল জান্নাহর সভাপতি লেফটেন্যান্ট কর্নেল নুরুল আলম (অব.), সহসভাপতি মো. মাসুদ আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. মাজেদুল হক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আখতার হোসেন

ভারতের ‘পুশ ইন’ মেনে নেওয়া হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারতের ‘পুশ ইন’ মেনে নেওয়া হবে না

বাংলাদেশে ভারতের কোনো ধরনের পুশ ইন কার্যক্রম মেনে নেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তিনি বলেন, সীমান্তে পুশ ইন ও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা শুধু দুই দেশের সম্পর্কের জন্যই নয়, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকি।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে এনসিপির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, প্রধান সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদসহ দলের নেতারা অংশ নেন। আখতার হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা সংকট হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি। মায়ানমারে রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়া রোহিঙ্গারা মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের কার্যকর ব্যবস্থা না হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে অবস্থান করছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায়, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ অঞ্চলে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে পুশ ইনের অভিযোগ আরো বেশি করে সামনে আসছে। সীমান্তের শূন্যরেখায় পরিবার-পরিজনসহ মানুষকে ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনাও দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ভারতীয় বাঙালি মুসলিমদের বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন

ইসলামী ব্যাংকের কারণেই আরেকটি ৫ আগস্ট ঘটতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামী ব্যাংকের কারণেই আরেকটি ৫ আগস্ট ঘটতে পারে

ইসলামী ব্যাংকের কারণেই আরেকটি ৫ আগস্ট ঘটে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

গতকাল শুক্রবার মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর আয়োজিত বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেলিম উদ্দিন বলেন, বহুপক্ষীয় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আপনারা এবার জামায়াতের সুনিশ্চিত বিজয় কেড়ে নিয়েছিলেন। অথচ এখন গরম গরম কথা বলেন আর ইসলামী ব্যাংকের গায়ে হাত তুলছেন। মনে রাখবেন, ইসলামী ব্যাংক কারো বাপের টাকায় হয়নি, ইসলামী ব্যাংক জনগণের টাকায় হয়েছে। যা ইচ্ছা করেন, ইসলামী ব্যাংকের গায়ে হাত তুলবেন না। গ্রাহকরা জীবন দেবে, লুটেরাদের হাতে ইসলামী ব্যাংক তুলে দেবে না।

তিনি বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে হরতাল ডেকে তাদের বাসায় গিয়ে চা খেতেন। পুলিশকে ম্যানেজ করে ঝটিকা মিছিল করতেন। এ ধরনের আন্দোলন জামায়াত করবে না। সুতরাং সময় থাকতে এই বিপজ্জনক রাস্তা ছেড়ে সঠিক পথে আসেন। শুধু ইসলামী ব্যাংকের কারণেই আরেকটি ৫ আগস্ট ঘটে যেতে পারে।

ওসমান হাদি হত্যা

বিচার চেয়ে ঢাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মিছিল সমাবেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বিচার চেয়ে ঢাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মিছিল সমাবেশ

শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে ভারতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, দেশীয় খুনিদের শনাক্ত করা ও পলাতক আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। গতকাল শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এই কর্মসূচি হয়।

জুমার নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে মিছিল শুরু হয়। টিএসসির রাজু ভাস্কর্য হয়ে মিছিলটি আবার কেন্দ্রীয় মসজিদসংলগ্ন ওসমান হাদির সমাধিস্থলে আসে এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়। মিছিলকারীরা আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে, জানতে চায় জনতা, নাম বলো মমতা ইত্যাদি স্লোগান দেন।

সমাবেশে বক্তব্যে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা উচিত ছিল। কিন্তু পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, হারা প্রার্থীর কোনো কথা আমরা আমলে নিচ্ছি না। আমরা জানতে চাই, আপনারা কত দিনের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার করবেন।

তিনি বলেন, ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা নিজেদের পক্ষ থেকে আর কোনো দফা দেব না। এখন দফা দেবে সরকার। আমাদের সামনে যদি আর কোনো আলটিমেটাম দিতে হয়, সেটি হবে চূড়ান্ত আন্দোলনের আলটিমেটাম।

তিনি আরো বলেন, কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই যারা ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে রাজপথে নামে, তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। আগে মনে করতাম এসব শুধু বট অ্যাকাউন্ট থেকে বলা হয়। এখন দেখি সরকারের ছাত্রসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও এসব বক্তব্য দিচ্ছেন। এঁদের থামান।

জাবের বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য কী ভিত্তিতে প্রত্যাখ্যান করা হলো, তা আমরা জানতে চাই। সাত দিনের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে দুটি সুনির্দিষ্ট বিষয় জানতে চাই। প্রথমত, জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী? অন্তর্বর্তী সরকার জাতিসংঘকে চিঠি দেওয়ার কথা বলেছিল। এরপর সেই উদ্যোগের কী অগ্রগতি হয়েছে?

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের কিছু পক্ষের যোগসূত্র রয়েছে। ভারতের প্রত্যক্ষ মদদে বাংলাদেশি এজেন্টরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। ফলে এটি আন্তর্জাতিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তাই নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক তদন্ত প্রয়োজন।