• ই-পেপার

যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ

লেবানন, সিরিয়া ও গাজা ছাড়ছে না ইসরায়েলি বাহিনী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
লেবানন, সিরিয়া ও গাজা ছাড়ছে না ইসরায়েলি বাহিনী

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এখনোই লেবানন, সিরিয়া ও গাজা ছাড়ছে না। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একটি সুস্পষ্ট নীতি অনুসরণ করছেন, যার অধীনে আইডিএফ লেবানন, সিরিয়া ও গাজার নিরাপত্তা অঞ্চলগুলোতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান করবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শেষ করতে সম্মত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সোমবার বলেছেন যে ইসরায়েলি বাহিনী লেবানন, সিরিয়া এবং গাজায় অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান করবে। সূত্র : আল জাজিরা

বিবিসিতে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
বিবিসিতে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বড় ধরনের কর্মী ছাঁটাই করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বিবিসি। আগামী সপ্তাহে গণমাধ্যমটির প্রায় দুই হাজার কর্মী চাকরি হারাতে পারেন। এই ছাঁটাইয়ের বড় শিকার হবেন নিউজ ডিপার্টমেন্ট-এর কর্মীরা। সবার আগে তাঁদের ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে। গতকাল সোমবার ফিন্যানশিয়াল টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। গণমাধ্যমটির সামগ্রিক খরচ সাশ্রয় ও ডাউনসাইজিং (আকার ছোট করা) পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সূত্র : রয়টার্স

 

নেতানিয়াহুকে কটাক্ষ ট্রাম্পের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
নেতানিয়াহুকে কটাক্ষ ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চুক্তি নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কটাক্ষ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নেতানিয়াহুকে খুব কঠিন মানুষ আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এই খবর জানিয়েছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নেতানিয়াহু খুব কঠিন মানুষ। সত্যি বলতে, এ কাজ করার জন্য তাঁর আমাদের প্রতি খুব কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কারণ ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, তাহলে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকে থাকতে পারত না।

ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশটির ওপর আবারও সামরিক হামলা শুরু করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।  সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস

 

 

তৃণমূল বিদ্রোহ ও আইনি টানাপোড়েনে জেরবার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
তৃণমূল বিদ্রোহ ও আইনি টানাপোড়েনে জেরবার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

একদিকে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের ধাক্কা, অন্যদিকে একের পর এক আইনি জটিলতা-সব মিলিয়ে গত রবিবার এক চরম ব্যস্ত ও নাটকীয় দিন পার করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত একের পর এক রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে গেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে।

রবিবার সকালেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতির নজর চলে যায় কেন্দ্রীয় তদন্ত প্রক্রিয়ার দিকে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে করা মামলায় দলটির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে রাজ্যের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। একদিকে যখন এই আইনি চাপ তৈরি হচ্ছিল, ঠিক তখনই অন্যদিকে ঘনীভূত হচ্ছিল দলীয় বিদ্রোহের মেঘ।

বিকেলের দিকে বিদ্রোহী শিবিরের তৎপরতা রুখতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি পাঠায় তৃণমূল। কিন্তু সেই পদক্ষেপ খুব একটা কাজে আসেনি।

সন্ধ্যার মধ্যেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠী এক বড়সড় ঘোষণা দেয়। তারা জানায়, তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তারা একটি স্বল্প পরিচিত দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টিতে যোগ দিচ্ছে। এই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যার জোরেই দলত্যাগ বিরোধী আইনের হাত থেকে তারা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে বলে দাবি করেছে বিদ্রোহী সংসদ সদস্যরা।

বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদারের স্পষ্ট ঘোষণা, আমরা এনডিএর অংশ হতে যাচ্ছি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই কাজ করব।

বিদ্রোহীরা শুধু দল ছেড়েই ক্ষান্ত হচ্ছে না, বরং মূল তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং নির্বাচনী প্রতীকও নিজেদের দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। মমতার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং অন্যতম শীর্ষ সংসদ সদস্য সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও শেষ মুহূর্তে এই বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানিয়ে সুদীপ বলেন, যখন আপনি দলের দুই-তৃতীয়াংশ অংশ নিয়ে বেরিয়ে আসেন, তখন প্রথম দিনই মূল দলের নাম দাবি করা যায় না। আগামী জুলাই মাসে আমরা তৃণমূল নামের ওপর আমাদের অধিকার দাবি করব। এরপর বিষয়টি আদালতই ফয়সালা করবে।

অবশ্য বিদ্রোহীদের তরফ থেকে এই বিশাল ধাক্কার পরও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মদন মিত্রকে বেশ শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই দলবদলকে স্রেফ বিশ্বাসঘাতকতা বলে আখ্যা দেন। মদন মিত্র বলেন, ওরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দলকে শক্তিশালী করার কথা বলে তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচন লড়েছিল। এখন সেই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে। এটা পুরোপুরি প্রতারণা।

বিদ্রোহীদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, আলাদা দল গঠন করার জন্য এই সংখ্যাটা খুবই নগণ্য। এর অনেক আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, এটা তো মাত্র শুরু। সুভাষচন্দ্র বসু একসময় ফরওয়ার্ড ব্লক গঠন করেছিলেন। কিন্তু এই বিদ্রোহী শিবিরে কোনো সুভাষ বসু নেই।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, নতুন কোনো দল গঠন করার ক্ষেত্রে যেসব আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হয়, তা এড়াতেই বিদ্রোহীরা সরাসরি অন্য একটি নিবন্ধিত দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জুলাই মাসে বিদ্রোহী গোষ্ঠী যখন আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলের নাম ও প্রতীকের দাবি তুলবে, তখন এই লড়াই নির্বাচন কমিশন ও আদালতের দরজায় পৌঁছাবে। ফলে আগামী দিনে বাংলার রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের অস্তিত্ব ও অধিকার রক্ষার লড়াই আরো তীব্র রূপ নিতে চলেছে। সূত্র : এনডিটিভি