• ই-পেপার

আইসিসি র‍্যাংকিং

নাসুমের বড় লাফ, হৃদয় ও সাইফের উন্নতি

বিশ্বকাপ আলোচনায় গোল্ডেন বুটের লড়াই

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ আলোচনায় গোল্ডেন বুটের লড়াই

চলমান বিশ্বকাপে ছোট ছোট দলগুলো চমক দেখিয়ে যাচ্ছে। এতে জমজমাট করে তুলেছে এই বৈশ্বিক আসরটিকে। কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে আলোচনায় গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ের বিষয়। মহাতারকা ও তারকা ফরোয়ার্ডরা শুরু থেকেই দুর্দান্ত গতিতে গোল করে চলেছেন।

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডেই শেষে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচে পাঁচ গোল যোগ করে তিনি এখন ছয়টি বিশ্বকাপে মোট ১৮ গোলের মালিক।

তারই পেছনে আছেন আরেক ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড। যাদের দুজনেরই গোলসংখ্যা চার। এ ছাড়া ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো ও হ্যারি কেইন ২ গোল করে রয়েছেন প্রতিযোগিতায়।

১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন এক আসরে ১৩ গোল রেকর্ড গড়েছিলেন। সেটিও এবার হুমকির মুখে পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জার্মান কিংবদন্তি গার্ড মুলার সর্বশেষ খেলোয়াড় হিসেবে এক বিশ্বকাপে দুই অঙ্কের গোল করেছিলেন। ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে ১০ গোল করেছিলেন তিনি। এরপর থেকে মাত্র তিনটি আসর বাদে প্রতিটি বিশ্বকাপেই সর্বোচ্চ গোলদাতা ছয় বা তার কম গোল করেছেন।

কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে যৌথভাবে আয়োজিত বিশ্বকাপের সবচেয়ে উজ্জ্বল মহাতারকা আর্জেন্টাইন অধিানয়ক মেসিই। আলজেরিয়ার বিপক্ষে স্মরণীয় হ্যাটট্রিকের পর অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে ২-০ ব্যবধানের জয়ে দুই গোলই এসেছে তার পা থেকে। ফলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার এ পর্যন্ত করা পাঁচ গোলের সবকটিই এসেছে মেসির পা থেকে।

উদ্বোধনী ম্যাচের পর আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের প্রতিভা ব্যাখ্যা করা কঠিন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো তাকে দেখে বিস্মিত হই, যদিও প্রতিদিনই তাকে দেখি। গত ২০ বছর ধরে সে-ই সেরা। প্রতিটি ম্যাচেই সে আবারও তা প্রমাণ করে।’

টুর্নামেন্টে অনেক দূর যাওয়ার সম্ভাবনার বিচারে মেসির সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন এমবাপ্পে। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে আট গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন তিনি। বর্তমানে ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা ২৭ বছর বয়সী এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে মেসির সর্বোচ্চ গোলের থেকে ২ গোলে পিছিয়ে আছেন। 

ইরাকের বিরুদ্ধে দলের ৩-০ ব্যবধানে জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা বলেন, ‘মেসিকে তাড়া করা তার মূল চিন্তা নয়।’

তিনি বলেন, ‘লিও সবসময় গোল করে এবং করতেই থাকবে। তাই সে কী করছে সেদিকে আমি তাকাচ্ছি না, আমি শুধু আমার দলকে সাহায্য করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।’

এমবাপ্পের সমান চার গোল নিয়ে আছেন ম্যানচেস্টার সিটি তারকা আর্লিং হালান্ড। নরওয়ের হয়ে টানা ১২টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করেছেন তিনি। ২৫ বছর বয়সী এই শক্তিশালী স্ট্রাইকার আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৫২ ম্যাচে ৫৯ গোলের অসাধারণ মাইলফলকে পৌঁছেও নিজের প্রতিভাকে খুব সাধারণভাবেই দেখেছেন।

তিনি বলেন, ‘অনেক কিছুর মতো এটাও বলতে হয় আমি গোল করতে পারি এবং কিছুটা ভাগ্যবানও। আমি আসলে জানি না আমি কী করছি। ব্যাপারটা এমনই।’

জার্মানির ডেনিজ উনডাভ ও কানাডার জোনাথ ডেভিড তিনটি করে গোল করেছেন। আর দুই গোল করে এরপরই তালিকায় আছেন কেইন ও রোনালদো।

মঙ্গলবার দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী মেসির কাছ থেকে কিছু সময়ের জন্য আলো কেড়ে নেন রোনালদো। তিনি বিশ্বকাপের ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করা প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে অনন্য এক রেকর্ড গড়েছেন। 

আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদোর গোলসংখ্যা এখন ১৪৫।

অন্যদিকে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ছয় গোল করে গোল্ডেন বুট জেতা হ্যারি কেইন তৃতীয় ম্যাচে স্কোর করতে না পারায় দুই গোলেই আটকে আছেন। মঙ্গলবার ঘানার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র ম্যাচে তিনি একটি নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট করেন।

২০৩৮ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে চায় ফ্রান্স

ক্রীড়া ডেস্ক
২০৩৮ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে চায় ফ্রান্স
ছবি: এআই দিয়ে বানানো

২০৩৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য বিড করার পরামর্শ পেয়েছে ফ্রান্স। দেশটির ক্রীড়া অবকাঠামো ও বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের সক্ষমতা নিয়ে তৈরি একটি প্রতিবেদনে এই সুপারিশ করা হয়েছে।

ফ্রান্সের ক্রীড়া দৈনিক লেকিপ জানিয়েছে, প্রতিবেদনটি ফ্রান্সের ক্রীড়া মন্ত্রী মারিনা ফেরারির কাছে জমা দেওয়া হবে। এতে সুপারিশ করা হয়েছে যে, ফ্রান্স যেন আগামী বছরগুলোতে একাধিক বড় ফুটবল আসর আয়োজনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এর মধ্যে রয়েছে ২০৩৩ সালে মেয়েদের ইউরো, ২০৩৬ সালে ছেলেদের ইউরো এবং ২০৩৮ সালে ফিফা বিশ্বকাপ। 

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক স্টেডিয়াম, উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা এবং বড় ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ফ্রান্সকে শক্তিশালী প্রার্থী করে তুলতে পারে।

২০৩৮ বিশ্বকাপের জন্য জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে বিড করার সম্ভাবনাও আছে ফ্রান্সের। দুই দেশের বিদ্যমান অবকাঠামো ও ফুটবল সংস্কৃতি এমন একটি যৌথ প্রস্তাবকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে বিশ্বকাপ আয়োজনের পথ এখন আর সহজ নয়। ফিফার মহাদেশভিত্তিক আয়োজন নীতি এবং ভবিষ্যতের আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। 

২০৩০ বিশ্বকাপ হবে তিন মহাদেশে। বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে প্রথম আসরের আয়োজক উরুগুয়ের সঙ্গে স্বাগতিক হিসেবে দেখা যাবে আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে, স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোকে। আর ২০৩৪ আসরের আয়োজক সৌদি আরব। 

ফলে ২০৩৮ বিশ্বকাপের আয়োজক নির্বাচন নিয়ে এখনই স্পষ্ট কোনো ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ, আট বছরের মধ্যে ইউরোপের আরেক দেশকে আয়োজন স্বত্ব নাও দিতে পারে ফিফা।

তবু ফুটবল বিশ্লেষকদের বিশ্বাস, সময়মতো পরিকল্পনা শুরু করতে পারলে ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়ে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে পারবে ফ্রান্স।

এখন পর্যন্ত দুবার ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে ফ্রান্স—১৯৩৮ ও ১৯৯৮ সালে।

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছিলে...

শাহজাহান কবির, নিউ ইয়র্ক থেকে
তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছিলে...

‘এমন একটা কিছুই আমরা চাইছিলাম, যাতে গ্রুপের শেষ ম্যাচের আগে নির্ভার থাকতে পারি’—ম্যাচ শেষে বলছিলেন লিওনেল মেসি। ২৭ জুন (বাংলাদেশ সময় ২৮ জুন সকাল ৮টা) গ্রুপের সেই শেষ ম্যাচের আগে মেসির জন্মদিনও জমকালো তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছিলে...উদযাপনের পথ খুঁজে নিয়েছে।

অস্ট্রিয়া ম্যাচের জয়, মেসির রেকর্ড ভাঙা গোল—এ সব কিছুই এখন কতই না আনন্দময় করে তুলেছে আজ তাঁর জন্মদিনটিকে। ৩৯-এ পা রাখছেন। সব অর্জনের সঙ্গে এই বয়সটা মেলালেই তা আরো অবিশ্বাস্য, মহিমাময় হয়ে উঠছে। অথচ সব কিছু উল্টে যেতে পারত, সেভাবেই তো শুরু হয়েছিল ম্যাচটি।

মেসি পেনাল্টি মিস করলেন! একটা বাজে দিন যাওয়ার জন্য এর বেশি আর কী লাগে। পরে ম্যাচ শেষে নিজেই বলছিলেন, ‘যেভাবে রেকর্ডটা হলো, অসাধারণ! ওই পেনাল্টিটা মিস না হলে হয়তো পরের দুটি গোল পাওয়া হতো না। আমি ভীষণ খুশি, নিজের পারফরম্যান্স ও দলের জয় নিয়ে।’ মেসিকে এমন খুশি আসলে খুব কমই দেখা যায়।

ম্যাচ শেষে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছিলে...অনেক কথা বললেন, এরপর এলেন মিক্সড জোনে। আর্জেন্টিনাসহ গোটা বিশ্বের সাংবাদিকরা তাঁকে ঘিরে ধরলেন। মেসি একের পর এক ডাকে সাড়া দিতে থাকলেন, সময় নিয়ে সবার প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন। টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে বরং তাড়া দেওয়া হলো বাস ছেড়ে যাচ্ছে বলে। মেসিকে এমন প্রাণবন্ত তাঁর কাছের সাংবাদিকরাও খুব কম দেখেছেন।

নিজের রেকর্ড গড়া গোলটি নিয়েও বলেছেন খোলামেলা, ‘আমি সব সময়ই নেগ্রোকে (থিয়াগো আলমাদা, প্রথম গোলের সময় যিনি বাঁ প্রান্তে ফাকুন্দো মেদিনাকে বল বাড়িয়েছিলেন। এরপর নিজেও ওপরে উঠে গিয়ে জায়গা নেন মেদিনা ও মেসির মাঝামাঝি। মেদিনার কাটব্যাকে ডামি করে বল ছেড়ে দেন মেসির পায়ে) বলি, ফিরতি পাসটা যেন পাই, আমি ঠিক জায়গামতো থাকব। সে আজকে অসাধারণভাবেই সেটা করেছে। আমাকে উঠে আসতে দেখেছে, এনসো তার মার্কারকে টেনে নিয়ে গেছে একদিকে, লাউতারো নিয়ে গেছে তার মার্কারকে; আমার জন্য জায়গা তৈরি হয়েছে। সেই পুরনো দিনের কথা মনে হচ্ছিল, যখন ইহোর্দি (সাবেক বার্সেলোনা লেফট ব্যাক ইহোর্দি আলবা) আমাকে এ ধরনের পাস বাড়াত। আজ পুরো কৃতিত্বটাই তাই মেদিনার।’
মেসি সেই বার্সার দিন ফিরিয়ে আনছেন নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে, দুই ম্যাচে পাঁচ গোলের রহস্য তো সেখানেই। সেখানে পেনাল্টি মিসের ঘটনায় নিজের ওপর ভীষণ রাগ হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন ‘মিক্সড’ জোনের সেই প্রতিক্রিয়ায়, ‘এর আগেও আমি বলেছিলাম, আমি খুব উপভোগ করছি খেলাটা, মাঠে বেশ ভালো সময় কাটছে। সেখানে ওই পেনাল্টি মিসে আমার নিজের ওপরই খুব রাগ হচ্ছিল, খুব বাজে মেরেছিলাম। সৌভাগ্য যে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচটা আমরা জিততে পেরেছি।’ দলের এই জয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেছেন তিনিই, ‘সত্যিই খুব খুশি, বিশেষ করে এই জয়টার জন্য। কারণ অনেক কঠিন ম্যাচ ছিল। আর আমরা জানতামও এই ম্যাচে এক মুহূর্তের জন্য আমাদের মনোযোগ হারানো চলবে না। সেটা আমরা পেরেছি এবং আমাদের যে লক্ষ্য ছিল নক আউট পর্ব নিশ্চিত করা, সেটিও হয়েছে। কিন্তু এই বিশ্বকাপটা যেভাবে এগোচ্ছে, জানেন যে কারও জন্য কোনো কিছুই নিশ্চিত নয়। আজও আমাদের সেই কঠিন পরীক্ষাটাই পার হতে হয়েছে। লম্বা সময় আমাদের বলের দখল রাখা সম্ভব হচ্ছিল না, ম্যাচ অনেক গতিময় হয়ে উঠছিল—এ সবকিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়েই আমরা পারফর্ম করেছি। পুরো টুর্নামেন্টেও তা-ই করতে চাই।’

কোচ লিওনেল স্কালোনির চোখে এই পারফরম্যান্স মেসিকেন্দ্রিক, ‘যখন লিও ভালো খেলে, তখন পুরো দলই ভালো খেলে। এটা দলেরও কৃতিত্ব। তবে আবার দল যখন ছন্দ পায় না, তখন লিও বাড়তি পরিশ্রম করে, নিজেই বলের জন্য যায়, গোলের চেষ্টা করে। সে দলের জন্য নিবেদিত। আর সে যা করে তার তুলনা নেই।’ টিওয়াইসি স্পোর্টসের কলামিস্ট আন্তোনিও সারপা তাই লিখেছেন, ‘সবাই মেসির জন্য আর মেসি সবার জন্য।’ মেসি প্রশংসায় ভাসছেন এই মুহূর্তে আসলে সব দিক থেকেই। ম্যাচ শেষে অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিকও যেমন বলেছেন, ‘৩৯ বছর বয়সেও কেউ যদি দুই গোল করে আর বিশ্বকাপের শুরুতেই পাঁচ গোল পেয়ে যায়, সেটিই আসলে পার্থক্য গড়ে দেয়। মেসি প্রমাণ করেছে, সে-ই সেরা। ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে খুব বেশি সুযোগেরও দরকার হয় না তার।’ প্রতিপক্ষের জন্য মেসি আসলে নিয়তি, তাঁকে থামানোর জন্য প্রার্থনা ছাড়া কোনো উপায় বোধ হয় জানা নেই কোচদের কাছেও।

আইসিসি র‍্যাংকিং

সিংহাসন ফিরে পেলেন রুট, শীর্ষে উঠে এলেন হেনরি

ক্রীড়া ডেস্ক
সিংহাসন ফিরে পেলেন রুট, শীর্ষে উঠে এলেন হেনরি
বামে ইংলিশ ব্যাটসম্যান জো রুট ও ডানে নিউজিল্যান্ড বোলার ম্যাট হেনরি।

ক্রিকেটের টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটের খেলোয়াড়দের র‍্যাংকিং প্রকাশ করেছে আইসিসি। টেস্টে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান ও বোলারদের আধিপত্য। ওয়ানডেতে এগিয়ে ভারতের ব্যাটসম্যান-বোলাররা।

সর্বশেষ প্রকাশিত র‍্যাংকিংয়ে স্বদেশি হ্যারি ব্রুককে হটিয়ে ব্যাটসম্যানদের শীর্ষে উঠে এসেছেন জো রুট। ওভাল টেস্টে দুই ইনিংসে ৪৬ এবং ৭৭ রানের ইনিংস খেলেছেন ইংল্যান্ডের এই ভারপ্রাপ্ত টেস্ট অধিনায়ক। এতে এক ধাপ এগিয়ে শীর্ষস্থান দখল করে রুট। একধাপ পিছিয়ে দুয়ে নেমে গেছেন হ্যারি ব্রুক। ১ ধাপ পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড নেমে গেছেন তিনে।

বোলিংয়ে দীর্ঘ ৩৬ বছর পর টেস্ট র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন নিউজিল্যান্ডের কোনো বোলার। সর্বশেষ দ্য ওভাল টেস্টে বল হাতে ১১ উইকেট শিকার করেছেন ৩৪ বছর বয়সী কিউই পেসার ম্যাট হেনরি। সেই সুবাদে ৬ ধাপ এগিয়ে টেস্টে বোলারদের মধ্যে ভারতের জাসপ্রীত বুমরাহর সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে উঠেছেন হেনরি। এর আগে কিউই বোলারদের মধ্যে টেস্ট র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠেছিলেন জ্যাক কোওয়ি (১৯৪৭) এবং রিচার্ড হ্যাডলি (১৯৮৪-১৯৯০)। 

কিউইদের বিশাল জয়ে র‍্যাংকিংয়ে এগিয়েছেন অনেকেই। ২ ধাপ এগিয়ে ব্যাটারদের মধ্যে ১০ম স্থানে রয়েছেন রাচিন রবীন্দ্র। এ ছাড়া ড্যারিল মিচেল ৫ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ১৬ নম্বরে। গ্লেন ফিলিপস ৮ ধাপ এগিয়ে ৩১ এবং হেনরি নিকোলস ১৩ ধাপ এগিয়ে রয়েছেন ৪০তম স্থানে।

আফগানিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হারিয়ে র‍্যাংকিংয়ে এগিয়েছেন ভারতের ক্রিকেটাররাও। ৩ ধাপ এগিয়ে ব্যাটারদের মধ্যে ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে ২য় স্থানে আছেন শুবমান গিল। তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ড্যারেল মিচেল।  তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছেন বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। আরেক ভারতীয় ঈশান কিষাণ এগিয়েছেন ২১ ধাপ, আছেন ৪৩ নম্বরে। আফগানিস্তানের অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহীদি এগিয়েছেন ৪ ধাপ, রয়েছেন ৫২ নম্বরে।

এছাড়া শ্রেয়াস আইয়ার তালিকায় ১৪ নম্বরে ও কে এল রাহুল ১১ নম্বর স্থানে আছেন। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজে খেলেননি। তাই রেটিং পয়েন্ট কমেছে বিরাটের। 

ওয়ানডেতে বোলারদের র‍্যাংকিংয়ে ১৬ ধাপ এগিয়ে ২২তম স্থানে উঠেছেন আর্শদীপ সিং। ৩৪ ধাপ এগিয়ে ৫৮ নম্বরে রয়েছেন প্রসিধ কৃষ্ণা এবং ১৭ ধাপ এগিয়ে ৭১ নম্বরে উঠেছেন ওয়াশিংটন সুন্দর।