• ই-পেপার

শিশু হত্যায় প্রধান আসামি ড. ইউনূস : জ ই মামুন

ব্রাজিল সমর্থক রুবেলের চোখে সর্বকালের সেরা ফুটবলার মেসি

অনলাইন ডেস্ক
ব্রাজিল সমর্থক রুবেলের চোখে সর্বকালের সেরা ফুটবলার মেসি
সংগৃহীত ছবি

সর্বকালের সেরা ফুটবলার কে? সহজ এ প্রশ্নে পৃথিবী কয়েকভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। কেউ কেউ টেনে আনেন পেলে, ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তিকে। কারো ভোট যায় লিওনেল মেসির বাক্সে। আরেক মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রসঙ্গও টানেন কেউ কেউ।

এবার এ নিয়ে নিজের মত দিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক পেসার রুবেল হোসেন। তার চোখে সর্বকালের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে এ মত দেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে রুবেল হোসেন লেখেন, আমার কাছে সর্বকালের সেরা ফুটবলার একটাই লিওনেল মেসি। আমি নিজে ব্রাজিলের সমর্থক, অনেকেই হয়ত দ্বিমত পোষণ করবেন, আর সেটাই স্বাভাবিক। এটি শুধুই আমার ব্যক্তিগত মতামত।

আর্জেন্টিনার জার্সিতে ট্রাইব্যুনালে পলক, ভিডিও ভাইরাল

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনার জার্সিতে ট্রাইব্যুনালে পলক, ভিডিও ভাইরাল

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি পরা অবস্থায় ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে দেখা গেছে। সোমবার (১৫ জুন) এসংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি পরা অবস্থায় পলক পুলিশের প্রিজন ভ্যান থেকে নেমে  ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে হাঁটছেন। এ সময় তার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও ছিলেন। ট্রাইব্যুনাল এলাকায় উপস্থিত কয়েকজনকে মোবাইল ফোনে ওই দৃশ্য ধারণ করতে দেখা যায়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিও প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনেক ব্যবহারকারী বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন।

২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থাকাবস্থায় ১৪ আগস্ট খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন পলক। বর্তমানে তিনি একাধিক হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এসব মামলার শুনানির অংশ হিসেবেই তাকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন তিনি। 

হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হচ্ছে?

অনলাইন ডেস্ক
হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হচ্ছে?

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এমপি পদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

আজ সোমবার (১৫ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এ প্রশ্ন তুলেন তিনি। 

কালের কণ্ঠ পাঠকের জন্য রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো :

রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্ট

হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অপরাধে বাতিল হচ্ছে হান্নান মাসউদের এমপি পদ!?  সম্প্রতি একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে হলফনামায় অসত্য তথ্য উল্লেখ করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন হাতিয়ার এমপি হান্নান মাসউদ। ভবিষ্যতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও আয়কর রিটার্ন দিতে সুবিধা হবে বলে অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে হলফনামা হান্নান মাসউদকে তার আইনজীবী করার পরামর্শ দিয়েছেন বলে মাসউদ জানিয়েছেন। যদিও তিনি দাবি করেছেন, তার স্থাবর সম্পদ নেই। তার মানে তার হলফনামায় দেওয়া তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।

হলফনামায় মিথ্যা তথ্যের বিষয়ে গত ১১ আগস্ট ২০২৫ ইং তারিখে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনো প্রার্থী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে ভোটের পরেও তদন্ত করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে সত্যতা মিললে বাতিল হবে প্রার্থিতা, চলে যাবে সংসদ সদস্য (এমপি) পদ। এটি সুনির্দিষ্টভাবে বিধান আরপিওতে সন্নিবেশ করা হয়েছে।’

আমি হান্নান মাসউদ সম্পর্কে অতীতে যেসব তথ্য দিয়েছি, তা সত্য না কি মিথ্যা, তা হান্নান মাসউদের হলফনামায় দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলেও উত্তর পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে হান্নান মাসউদ দাবি করেছে, সে তার সহধর্মিণীর সেমিস্টার ফি দিয়েছে মাহবুব ভাই নামক একজনের থেকে ধার করে। আর নতুন বাড়ি করার জন্য ইট কিনেছে, কিন্তু ৩ লাখ টাকা এখনো বাকি! টাকার অভাবে শোধ করতে পারছে না! একজন এমপি এত গরিব, এত সৎ! আহারে। হলফনামায় এই সততা কেন ফুটিয়ে তুললেন না তিনি? 

ড. আসিফ নজরুলের ক্ষমা চাওয়া উচিত : মাসুদ কামাল

অনলাইন ডেস্ক
ড. আসিফ নজরুলের ক্ষমা চাওয়া উচিত : মাসুদ কামাল
সংগৃহীত ছবি

সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেছেন, ড. আসিফ নজরুল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন পাওয়ারফুল উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি ‘বাংলাদেশে ২৬ লক্ষ ভারতীয় আছে’ বলে মন্তব্য করেছেন। ওনাকে বিভিন্ন সময় অনেকে এই ২৬ লক্ষ্যের হিসাব চাইলেও তিনি দিতে পারে নাই।  ওনার ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

সম্প্রতি এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 
 
তিনি বলেন, ভারত পৃথিবীর যে কয়েকটি দেশ থেকে রেমিট্যান্স আনে তার মধ্যে ১০ এর মধ্যে বাংলাদেশ আছে। মানে বাংলাদেশের অনেক প্রতিষ্ঠানে ভারতীয়রা উচ্চ বেতনের চাকরি করেন। তার রেমিট্যান্স নিয়ে যান। অনেকে হুন্ডি করে নিয়ে যান। কিন্তু বাংলাদেশের লোক ভারতে চাকরি করে টাকা নিয়ে আসে এটা প্রমাণ করা কঠিন। তবে আসিফ নজরুল যে কথা বলেছেন এটা একটা জাস্ট ব্লেম।