• ই-পেপার

৮ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

হজ শেষে ফিরেছেন ৭৭০৬৯  বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরেছেন ৭৭০৬৯  বাংলাদেশি

পবিত্র হজ পালন শেষে সোমবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ২১১টি ফিরতি ফ্লাইটে ৭৭ হাজার ৬৯ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৭২ হাজার ৬১০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এ বছর হজ করতে গিয়ে মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১১১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৭০টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এয়ারলাইনস ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১১১টি ফ্লাইটে ৩৪ হাজার ১২২ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৭০টি ফ্লাইটে ২৫ হাজার ৩৭৭ জন, ফ্লাইনাসের ৩০টি ফ্লাইটে ১১ হাজার ৪৩ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৬ হাজার ৫২৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ৭ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৭ হাজার ১৪০ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৪৫২ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

সিলেটে পৌঁছেছে কাতারে নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
সিলেটে পৌঁছেছে কাতারে নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

সিলেটে পৌঁছেছে কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহগুলো পৌঁছায়।

এর আগে ২১ জুন সকালে কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সংঘটিত এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হন। নিহতরা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী গ্রামের আব্দুল কাদির, মাঝতালুক গ্রামের মুস্তাক আহমেদ আফনান, একই গ্রামের জুবায়ের আহমেদ, আগাতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন এবং আমরপুর গ্রামের জিবাল আহমেদ।

নিহতদের মরদেহ সোমবার (২৯ জুন) কাতারের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-২২৬ নম্বর ফ্লাইটে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়।

দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এ ছাড়া, মরদেহগুলো বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর তা যথাযথভাবে পরিবারের কাছে হস্তান্তর ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা কাজ করছে বলে জানিয়েছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

বায়ুদূষণে শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার বাতাসের খবর কী

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার বাতাসের খবর কী

বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে ছিল বায়ুদূষণের কবলে। সবশেষ বায়ুরমান সূচকে শহরটির বাতাসের মান অস্বাস্থ্যকর।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী, ঢাকার স্কোর ১১৯। এই স্কোরে বায়ুরমান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ সময় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান সপ্তম।

এদিকে, একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকায় ১৭০ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। এছাড়া ১৬৯ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। ১৬৭ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহর। ১৫৫ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, ১৪৭ স্কোর নিয়ে ঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাজেটে বড় পরিবর্তন

সংশোধনীসহ অর্থবিল-২০২৬ পাস কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বন্ধ করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কষণের পর কালো টাকা সাদা করার বিধান রাখার প্রস্তাব বাতিল করে জাতীয় সংসদে গতকাল কণ্ঠভোটে অর্থবিল-২০২৬ পাস করা হয়েছে। ১১ জুন উত্থাপন করা বাজেট ২০২৬-২৭ এর (অর্থবিল) আরো অনেক প্রস্তাব ও এ আইনের ধারায় সংশোধনী আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কর শনাক্তকরণ নম্বর বাধ্যতামূক না করে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা শিথিলের প্রস্তাব, ব্যক্তি পর্যায়ের করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি করা, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর প্রযোজ্য ১০ শতাংশ কর হ্রাস করে ৫ শতাংশ করাসহ আরো বেশ কিছু সংশোধনী এনে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস করা হয়।

অর্থবিলের ওপর সমাপনী বক্তব্যে এসব সংশোধনী আনতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার দেওয়া সব সংশোধনী প্রস্তাব সংসদে গৃহীত হয়। এরপর গতকাল বিকালে বিলটি পাসের জন্য অর্থমন্ত্রী উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। পাস হওয়া অর্থবিল-২০২৬ এ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিলের পাশাপাশি ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা করা হয়েছে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে বাধ্যতামূলকভাবে লাগবে না টিআইএন।

সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, প্রস্তাবিত বাজেটের মাধ্যমে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত এবং রপ্তানি ও প্রবাস আয়ে অগ্রগতি সাধন এবং মানুষের উৎপাদনশীল সক্ষমতার ওপর ভর করে আমরা অর্থনীতিকে এগিয়ে নেব। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।

বাজেট আলোচনার সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর ব্যবস্থা আরো স্বচ্ছ, আধুনিক ও করদাতাবান্ধব করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক ব্যয়ের এই বাজেট সংসদে আজ পাস হবে। এরপর তা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাজেটে সাধারণ মানুষের করভার লাঘব, কালো টাকা সাদা করার বিতর্কিত বিধান প্রত্যাহার এবং দেশীয় শিল্প ও বেসরকারি উচ্চশিক্ষার প্রসারে একাধিক জনবান্ধব সংশোধনী প্রস্তাব আনেন। ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে দেশের অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বিদেশে পাচার করা অর্থ দ্রুত দেশে ফেরত আনার বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লাখ টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত আয়ের সীমা যথাক্রমে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ৪ লাখ টাকা এবং ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব ছিল।

অর্থমন্ত্রী জানান, বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটিও প্রত্যাহার করা হয়েছে। এটি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে অনেক জমি প্রকৃত বাজারমূল্যের পরিবর্তে মৌজা মূল্যে নিবন্ধিত হওয়ায় করদাতাদের জটিলতা থেকে রক্ষা করতেই এ প্রস্তাব আনা হয়েছিল। তবে জনমতের প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকার এটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় আরও দুটি প্রস্তাবও প্রত্যাহার করা হয়েছে। এগুলো হলো- বেশির ভাগ ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করা এবং বণ্টন দলিল (পার্টিশান ডিড) ও নামজারি (মিউটেশন) নিবন্ধনের জন্য টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব। অর্থমন্ত্রী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর হার বিদ্যমান ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। পার্বত্য তিন জেলা ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য বিদ্যমান কর-সুবিধা আরও সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন। এর ফলে ব্যবসা, কৃষি ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের আয়ের পাশাপাশি বেতনভিত্তিক আয়ও করমুক্ত থাকবে।

চিংড়ি খাতকে সহায়তা দিতে আমদানি করা চিংড়ির খাদ্য, প্রোবায়োটিক, ভিটামিন, খনিজ, অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেন তিনি। দেশীয় শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক-সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি ওষুধ ও অন্যান্য উৎপাদন শিল্পে ব্যবহৃত আমদানি করা মধুর ওপর বিদ্যমান ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাবও দেন। শিল্পে বহুল ব্যবহৃত পিভিসি ও পিইটি রেজিনের আমদানি শুল্ক প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়। ফায়ার ডোর তৈরিতে ব্যবহৃত কোল্ড-রোলড শিট, ফ্ল্যাট স্টিল পণ্যে ব্যবহৃত কোটেড ক্রোমিয়াম অক্সাইড এবং বৈদ্যুতিক কেবল উৎপাদনে ব্যবহৃত রিফাইন্ড কপার ওয়্যারের ওপর প্রস্তাবিত নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। আমদানি করা ফায়ার ব্রিকের ওপর প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও অগ্রিম কর বাতিলেরও প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী। দেশীয় কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাত শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে আমদানি করা অপরিশোধিত কাজুবাদামের আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এলইডি বাতি এবং প্রিফ্যাব্রিকেটেড ভবন তৈরির কাঁচামাল আমদানির ওপর বিদ্যমান শুল্ক-সুবিধার মেয়াদ ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাবও করা হয়েছে। ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক অর্থপ্রদানের চ্যানেল ব্যবহারে উৎসাহ দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, সার্চ ইঞ্জিন, অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারে বিদ্যমান ভ্যাট হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এতে বিদেশে অনানুষ্ঠানিক অর্থপ্রদান কমবে এবং কর পরিপালন বাড়বে। সোনা, প্লাটিনাম ও হীরার গহনার ওপর ভ্যাট ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং রুপার গহনার ওপর ১০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সঙ্গে রাজস্ব ভাগাভাগি চুক্তির ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি এবং সরবরাহকারী পর্যায়ে সব ধরনের মাছ সরবরাহে পূর্ণ ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাবও করা হয়েছে। দেশীয় মোটরগাড়ি শিল্পকে উৎসাহিত করতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ডাবল কেবিন পিকআপ ও মাইক্রোবাসের ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর পরিপালন সহজ করতে নির্বাচিত কয়েকটি খাতে ভ্যাট ব্যবস্থার কো-ইফিশিয়েন্ট দাখিলের বাধ্যবাধকতাও শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে এসব সংশোধনী আনতে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে অর্থমন্ত্রী তা সংসদে উত্থাপন করেন এবং সদস্যদের কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন