• ই-পেপার

ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্নীতি ও বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেই বাজেট প্রণয়ন করেছি : প্রধানমন্ত্রী

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তদন্তে বিতরণ সংস্থাগুলোকে নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তদন্তে বিতরণ সংস্থাগুলোকে নির্দেশ

চলতি জুন মাসে অন্যান্য মাসের তুলনায় গ্রাহক পর্যায়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ পাওয়ায় বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দেশের সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ও কম্পানিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। একই সঙ্গে অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ নিয়ে গ্রাহকদের সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থা অথবা নির্ধারিত হটলাইনে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, অন্যান্য মাসের তুলনায় জুন ২০২৬ মাসে গ্রাহক পর্যায়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পরিলক্ষিত হচ্ছে। গ্রাহকদের হয়রানি কমাতে বিষয়টি যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ও কম্পানিগুলোকে ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ অবস্থায় অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে গ্রাহকদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা বা কম্পানির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগের নির্ধারিত হটলাইনগুলোতে অভিযোগ জানানোর অনুরোধ জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রীয় সেবার হটলাইন নম্বর ১৬৯৯৯। এ ছাড়া বিপিডিবির ১৬২০০, পবিবোর ১৬৮৯৯, ডিপিডিসির ১৬১১৬, ডেসকোর ১৬১২০, নেসকোর ১৬৬০৩ এবং ওজোপাডিকোর ১৬১১৭ নম্বরে যোগাযোগ করে গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় সহায়তা নিতে পারবেন।

পে স্কেলে জুলাইয়ে কার্যকর মূল বেতন, ভাতা মিলবে কবে

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেলে জুলাইয়ে কার্যকর মূল বেতন, ভাতা মিলবে কবে
ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রায় ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো চালুর ঘোষণায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরছে। তবে সব শ্রেণির কর্মীদের জন্য বিষয়টি সমানভাবে স্পষ্ট নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে স্কেলের মূল সুবিধাভোগী হলেও পেনশনভোগী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।

অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতনকাঠামো দুই ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন মূল বেতন কার্যকর হতে পারে। আর বিভিন্ন ভাতা চালু হতে পারে ২০২৭-২৮ অর্থবছরের শুরু থেকে।

সূত্রে জানা গেছে, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা থাকলে পুরো নতুন বেতনকাঠামো একসঙ্গে বাস্তবায়ন করাই সবচেয়ে ভালো হতো। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তিন ধাপের পরিবর্তে দুই ধাপে বাস্তবায়নকে অধিক বাস্তবসম্মত মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে এ জন্য ৪৪ হাজার কোটি টাকা সংরক্ষণের তথ্য প্রকাশ করা হয়। তবে কিভাবে, কোন ধাপে এবং কারা আগে এই সুবিধা পাবেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত বাস্তবায়ন নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়নি।

বাজেট-পরবর্তী আলোচনা, অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নবম পে স্কেল এখনো সবার জন্য নিশ্চিত সুবিধা হয়ে ওঠেনি। বরং এটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথে থাকা একটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বরাদ্দটি সরাসরি ‘স্যালারি অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস’ খাতে না দেখিয়ে ‘নেট পাবলিক সার্ভিস’-এর আওতায় রাখা হয়েছে। এই অর্থ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পেনশনভোগী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সম্ভাব্য সমন্বয়ের জন্য ব্যবহার হতে পারে। তবে বিষয়টি নির্ভর করবে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নের গতির ওপর।

নবম পে কমিশন সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেছে। বিভিন্ন গ্রেডে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাবও রয়েছে। তবে চূড়ান্ত গেজেট, গ্রেডভিত্তিক কাঠামো ও প্রথম ধাপে কত শতাংশ কার্যকর হবে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, আইনসচিব, প্রতিরক্ষাসচিব, স্বাস্থ্যসেবাসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষাসচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রয়েছেন।

দায়িত্বশীল সমালোচনা বাজেটকে আরো সমৃদ্ধ-সুদৃঢ় করবে : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দায়িত্বশীল সমালোচনা বাজেটকে আরো সমৃদ্ধ-সুদৃঢ় করবে : অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি : সংগৃহীত

বাজেট নিয়ে প্রাণবন্ত, গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শকে স্বাগত জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এ আলোচনা বাজেটকে আরো সমৃদ্ধ ও সুদৃঢ় করবে।’

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্য উপস্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে দীর্ঘ, প্রাণবন্ত ও গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য জাতীয় সংসদের সব সদস্যের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্যরা তাদের বক্তব্যে জনগণের প্রত্যাশা, বাজেট বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এবং সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন। সংসদীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলো—মতের ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও জাতীয় স্বার্থে সবাই একসঙ্গে কাজ করা।’

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘সংসদের বাইরেও অর্থনীতিবিদ, বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী সংগঠন, সুশীল সমাজ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া বাজেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করেছেন। আমরা এসব মতামত গভীর মনোযোগের সঙ্গে বিবেচনা করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যে সময়ে এই বাজেট প্রণয়ন করেছি, তখন একদিকে ছিল ফ্যাসিবাদী সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বিপর্যস্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো। অন্যদিকে ছিল একটি নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা। তাই এই বাজেট কেবল সরকারের বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিই নয়; এটি জনজীবনে স্বস্তি আনা, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, কাঠামোগত সংস্কার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের রূপরেখা।’

কর্ণফুলী টানেলে আয়ের চেয়ে ব্যয় দ্বিগুণ : সেতুমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
কর্ণফুলী টানেলে আয়ের চেয়ে ব্যয় দ্বিগুণ : সেতুমন্ত্রী
কর্ণফুলী টানেল। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল থেকে প্রতি মাসে আদায়কৃত টোলের পরিমাণের চেয়ে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী বলেন, ‘কর্ণফুলী টানেল থেকে মাসিক গড়ে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় হলেও পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় হয় ৬ কোটি ৯৫ লাখ ১৮ হাজার ৬৯১ টাকা।’

তিনি জানান, টানেলের ভেতরে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ, আলোকসজ্জা, বায়ু চলাচলব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা, সিসিটিভি এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মতো অত্যাবশ্যকীয় সেবার কারণে পরিচালন ব্যয় তুলনামূলক বেশি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘টানেল চালুর পর প্রথম দিকে প্রতিদিন পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রায় ৩৭ লাখ টাকা ব্যয় হতো। তবে সরকারের কৃচ্ছ্রসাধন নীতি এবং সেতু কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন উদ্যোগে কম গুরুত্বপূর্ণ খাতের ব্যয় কমিয়ে বর্তমানে দৈনিক ব্যয় ২২ থেকে ২৩ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। টানেলকে লাভজনক করতে সরকার আরো বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।’

এদিকে সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪০-এর সংসদ সদস্য নাজমুন নাহারের প্রশ্নের জবাবে সড়কমন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানীর যানজট নিরসনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের শিববাড়ী পর্যন্ত ২০ দশমিক ৫ কিলোমিটার করিডরে দেশের প্রথম বিআরটি (বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট) দ্রুত চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি আরো উন্নত করে জনগণের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।’

সংরক্ষিত আসন-৩৫-এর সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে মহাসড়কের পরিবর্তে স্থানীয় ফিডার সড়কে সীমাবদ্ধ রাখতে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নিশ্চিত করা এবং কঠোর রুট নিয়ন্ত্রণসংবলিত থ্রি-হুইলার ও সমজাতীয় যানবাহন পরিচালনা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলমান।’

ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনের প্রশ্নের জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘যেসব যানবাহনের ফিটনেসের মেয়াদ ১০ বছর আগে শেষ হয়েছে এবং নবায়ন করা হয়নি, সেগুলো সড়ক থেকে অপসারণ ও নিবন্ধন বাতিল করা হচ্ছে। আর যেসব যানবাহনের ফিটনেসের মেয়াদ পাঁচ বছর আগে শেষ হয়েছে, সেগুলোর নবায়ন কার্যক্রম চলছে। এসব যানবাহনের তালিকা পুলিশের কাছে পাঠানোর পাশাপাশি মালিকদেরও নোটিশ দেওয়া হচ্ছে।’

অন্যদিকে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই চুক্তি স্বাক্ষর হবে। সম্ভাব্য তিনটি রুট বিবেচনায় রয়েছে—বগুড়ার সারিয়াকান্দি থেকে জামালপুরের মাদারগঞ্জ, গাইবান্ধার বালাসী থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত করিডর।’