• ই-পেপার

অন্ধত্ব প্রতিরোধ আন্দোলনের অগ্রদূত ডা. রবিউল হোসেনের বিদায়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা মাউশির

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা মাউশির
সংগৃহীত ছবি

‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী সোমবার (২৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। শনিবার (২৭ জুন) (মাউশির এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ চিঠি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে পাঠানো হয়েছে। 

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান টি' কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রজেক্ট কর্তৃক মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জলবায়ু অনুদান বাবদ ৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। এ অর্থ দিয়ে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি ফলদ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ, ব্যানার/ফেস্টুন তৈরি এবং সেমিনার/র‍্যালি আয়োজনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৯ জুন সকাল ১০টা ৫ মিনিটে এই কর্মসূচি উদ্বোধনে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। 

মাউশির নির্দেশনাসমূহ: 

প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১টি ফলদ, ১টি বনজ ও ১টি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ করা হবে;

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন;

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি মিডিয়ায় অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন;

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করবে;

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই দিবসে ক্যাম্পাসে জলবায়ু বিষয়ক ব্যানার, ফেস্টুন ইত্যাদি টানানোর ব্যবস্থা করতে হবে;

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে র‍্যালির আয়োজন করতে হবে।

উন্নয়ন চাইলে বড় বাজেট মেনে নিতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
উন্নয়ন চাইলে বড় বাজেট মেনে নিতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সবাই এলাকায় উন্নয়ন চান, কিন্তু বলেন বাজেট অনেক বেশি হয়ে গেছে। যদি উন্নয়ন চান, বাজেট বরাদ্দ তো বেশি হতেই হবে। বাসায় আপনি যদি ডাল-ভাতের বাজেট করেন, আর খেতে চান বিরিয়ানি, সেটা তো চলবে না। উন্নয়ন চাইলে বড় বাজেটও মেনে নিতে হবে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রস্তাবিত বাজেটকে সময়োপযোগী, মানবিক ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছরে পরিকল্পিতভাবে অর্থনীতি, শিক্ষা ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত ধ্বংস করা হয়েছিল। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার এই বাজেট প্রণয়ন করেছে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারা বিভিন্ন এলাকায় হাসপাতাল, সড়ক ও উন্নয়ন প্রকল্পের দাবি জানাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়েই প্রমাণ হয়, বর্তমান সরকারের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে এবং তারা বিশ্বাস করেন, এই সরকারই এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সক্ষম।

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড নিয়ে সমালোচনার কথা উল্লেখ করে ইয়াসের খান বলেন, যারা একসময় এসব উদ্যোগকে ‘ভুয়া’ বলেছিলেন, তারাই এখন এই সুবিধা পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তার মতে, মাসে আড়াই হাজার টাকা সহায়তা পাওয়া ৪০ লাখ পরিবার শুধু উপকৃতই হবে না, এই অর্থ গ্রামীণ বাজারে ব্যয় হওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, জিয়া পরিবার বিভিন্ন সংকটে দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতার পথে এগিয়েছিল, নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আবারও মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছে।

নিজ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব ৪৭ কোটি টাকায় কেনার পর তা বেসরকারি খাতে বিক্রি করে ইতোমধ্যে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে প্রায় বিনা মূল্যেই দেশের মানুষ বিশ্বকাপ দেখতে পারবেন। তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রচারস্বত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া শিশু ও তরুণদের মধ্যে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে তথ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী চীনা ব্যবসায়ীদের ১৮ মাসের চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন : বিডা চেয়ারম্যান

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী চীনা ব্যবসায়ীদের ১৮ মাসের চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন : বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। ছবি : সংগৃহীত

চীনের ব্যবসায়ীদের ১৮ মাসের মধ্যে চট্টগ্রামের আনোয়ারাতে প্রথম শিল্প-কারখানা চালুর চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারা এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণও করেছেন।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর সদ্য সমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

আশিক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরে মোংলায় চীনের বিশেষায়িত ইকোনমিক পার্ক এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারাতে বিশেষায়িত ইকোনমিক জোন তৈরির চুক্তি হয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশকে জ্বালানি সহায়তায় চীন কাজ করবে বলেও জানান বিডা চেয়ারম্যান।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

তিনি জানান, চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং অন্য দেশের সরকারপ্রধানকে বসিয়ে রেখে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেছেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং জানিয়েছেন, চায়না বাংলাদেশের উন্নয়নে স্থায়ী বন্ধু হতে চায়। এ ছাড়া ব্রিকস এবং সাংহাই কনভেনশনে বাংলাদেশের নতুন সদস্য হওয়াকে চীন সমর্থন করবে।

ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

শনিবার (২৬ জুন) সকালের অধিবেশনের শুরুতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

প্রধানমন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছেন তিনি। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে সামনে রেখেই দেশের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সফরে অর্জিত সাফল্য কোনো ব্যক্তির নয়; এটি বাংলাদেশের এবং দেশের মানুষের অর্জন।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘সংসদের সব সদস্য, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতা দেশের জন্য, দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য উৎসাহ প্রদান করেছেন। সে জন্য আমি সব সদস্যকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’