• ই-পেপার

১৬ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা, ঝড়ের শঙ্কা

বাংলাদেশে নেপালের ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি আটকে দিল ভারত

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশে নেপালের ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি আটকে দিল ভারত

বাংলাদেশে ১৫ জুন থেকে নেপাল থেকে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট (মেগাওয়াট) বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা বাধার মুখে পড়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (সিইএ) সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা সংকটের কথা উল্লেখ করে এ বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন দেয়নি।

জ্বালানি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, ফলে চলতি বর্ষা মৌসুমে বিদ্যমান ব্যবস্থার আওতায় নেপাল বাংলাদেশে আগের মতোই ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানিতে সীমাবদ্ধ থাকবে।

তাদের মতে, ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যবসা নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে (এনইএ) জানিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশের ১ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার আন্তঃসীমান্ত সঞ্চালন লাইনে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরিবহনের সুযোগ নেই।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রপ্তানির প্রস্তাব এখন নেপাল-ভারত যৌথ পরিচালনা কমিটি (জেএসসি) ও যৌথ কর্মপরিষদের (জেডব্লিউজির) পরবর্তী বৈঠকে আলোচনা হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) সংশ্লিষ্ট নতুন বা সংশোধিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তির প্রয়োজন হবে।

এনইএর বিদ্যুৎ বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক থারকা বাহাদুর থাপা বলেন, ‘এবার বাংলাদেশে শুধু ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎই রপ্তানি করা হবে। অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট রপ্তানির প্রক্রিয়া ভারতের সিইএর মাধ্যমে এনভিভিএনের কাছে উত্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু সঞ্চালন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে তা আটকে গেছে।’

২০২৪ সালের ২ অক্টোবর নেপাল-বাংলাদেশ যৌথ পরিচালনা কমিটির বৈঠক এবং পরদিন ৩ অক্টোবর এনইএ, বিপিডিবি ও এনভিভিএনের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যবস্থা করা হয়।

নেপাল প্রথমবারের মতো ২০২৪ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশে ১২ ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। এ সময় ভারতের ধলকেবার-মুজাফফরপুর ৪০০ কেভি এবং বাংলাদেশ-ভারতের বহরমপুর-ভেড়ামারা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করা হয়। পরে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত যৌথ পরিচালনা কমিটির বৈঠকে নীতিগতভাবে আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির বিষয়ে সম্মতি হয়। এতে মোট রপ্তানি ৬০ মেগাওয়াটে উন্নীত হওয়ার কথা ছিল।

বর্তমানে অনুমোদিত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় নেপালের ত্রিশুলি ও চিলিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে, যেগুলোর ভারতের কাছে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন আগে থেকেই রয়েছে। তবে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য একই প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে ভারতের পৃথক অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

ভারতের সঙ্গে বিদ্যুৎ বাণিজ্যে লেনদেন ভারতীয় রুপিতে হলেও বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের অর্থ পরিশোধ করা হয় মার্কিন ডলারে।

ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব ইরানের

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব ইরানের
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল চালুর প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন ও জনগণের যোগাযোগ আরো জোরদার করতে এ উদ্যোগের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।

সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের ড. জলিল রাহিমী জাহানাবাদী এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত বলেন, সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময় আরো বৃদ্ধি পাবে। 
তিনি বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ভবিষ্যতে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে ইরান থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য, ইউরিয়া সার ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী আমদানির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বমানের তৈরি পোশাক ইরানের বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করে, সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু হলে ব্যবসায়ী, পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের যাতায়াত সহজ হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত হবে।

চীনের সঙ্গে আরো গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
চীনের সঙ্গে আরো গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চীনের সঙ্গে আরো গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথাও জানান তিনি।

‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে চীনের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এ সম্মেলনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ীদের সামনে বিশেষ উপস্থাপনা দেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। সম্মেলনে চীনের ১২৫ জন ব্যবসায়ী অংশ নেন।

এ সময় চীনা ব্যবসায়ীদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সহজ করতে দ্রুতই চীনে বাংলাদেশের প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খোলার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক ব্যবসার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। বিনিয়োগ আকর্ষণে আমলাতান্ত্রিক জড়তা দূর করতে তার সরকার এরই মধ্যে ১৮০ দিনের কঠোর কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এখন থেকে মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে নতুন ব্যবসার লাইসেন্স অনুমোদন করা হবে।

চীনা ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত এবং চীনের সঙ্গে আরো গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী। তিনি চীনা কম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পুঁজি সংক্রান্ত কার্যপ্রণালি ঢেলে সাজাতে সরকার ১৮০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এর মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস, সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন, নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণ এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারপ্রধান আরো জানান, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল এবং মোংলায় দ্বিতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি চীনা বিনিয়োগকারীদের আরো কার্যকর সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে শিগগিরই চীনে বাংলাদেশের প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ চালু করা হবে।

পে স্কেল : মূল বেতন বাড়ছে, ভাতায় কাটছাঁটের ইঙ্গিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
পে স্কেল : মূল বেতন বাড়ছে, ভাতায় কাটছাঁটের ইঙ্গিত
সংগৃহীত ছবি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বহাল থাকলেও সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ভাতা পুনর্মূল্যায়ন, সীমিতকরণ কিংবা বিলোপের আভাস পাওয়া গেছে।

সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, একই সঙ্গে রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা ও বাজেট ব্যবস্থাপনাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে নবম পে স্কেলের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের নীতিগত সিদ্ধান্ত ধরে এর আর্থিক প্রভাব, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় হয়।

সূত্র মতে, নতুন পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। তবে মূল বেতন বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন ভাতার পরিমাণও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যাওয়ায় এসব ভাতা যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বাড়িভাড়া ভাতার হার পুনর্বিবেচনার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

বর্তমানে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, শিক্ষা সহায়ক, উৎসব, বৈশাখী, টিফিন, ধোলাই এবং বিশেষ ভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকেন। এর মধ্যে বাড়িভাড়া অঞ্চলভেদে মূল বেতনের ৪৫ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। ফলে মূল বেতন বাড়লে এই ভাতার পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সরকারি ব্যয়ের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে। সে কারণে বাড়িভাড়া ভাতার শতাংশ কিছুটা কমিয়ে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আনার প্রস্তাব আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়ক ও যাতায়াত ভাতার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সিলিং বা সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। বৈঠকে এমন কিছু ভাতার বিষয়ও উঠে আসে, যেগুলোর কার্যকারিতা বর্তমানে কমে গেছে।

এসব ছোটখাটো ভাতাকে একীভূত করা অথবা পুরোপুরি বিলোপ করার প্রস্তাবও আলোচনায় স্থান পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, এতে প্রশাসনিক জটিলতা কমবে এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর হবে।

সূত্রগুলো জানায়, সরকার বেতন বৃদ্ধি করলেও একই সঙ্গে কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায়। বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি জনপ্রশাসনে স্বচ্ছতা ও সেবার মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে রাষ্ট্র বড় ধরনের আর্থিক দায় গ্রহণ করছে। এর বিনিময়ে নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, দ্রুত সেবা প্রদান এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

বৈঠকে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও কারিগরি প্রস্তুতির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি, গেজেট প্রকাশ, আইনি ভেটিং এবং সফটওয়্যারভিত্তিক বেতন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় পরিবর্তন দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের শুরু থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নবম পে স্কেলের আওতায় বেতন-ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এ লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।