• ই-পেপার

বন্ধ কারখানায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

বায়ুদূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুরমান ‘অস্বাস্থ্যকর’

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুরমান ‘অস্বাস্থ্যকর’

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। সেই দূষণের কবলে পড়েছে মেগাসিটি ঢাকাও। সেই ধারাবাহিকতায় দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান আজ দ্বিতীয়, এর বায়ুমান স্কোর ১৬৭, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু নির্দেশ করে। তবে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। বায়ুমান সূচকে শহরটির স্কোর ২৫৩, অর্থাৎ এখানকার বাতাস ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।

আজ সোমবার (২৩ জুন) সকালে বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থান আজ দ্বিতীয়; এর বায়ুমান স্কোর ১৬৭, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ের নির্দেশক। তবে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ভারতে রাজধানী দিল্লি। বায়ুমান সূচকে শহরটির স্কোর ২৫৩, অর্থাৎ এখানকার বাতাস ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।

একই সময়ে স্কোর ১৬৭ নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, স্কোর ১২৭। এ ছাড়া ১০৯ স্কোর নিয়ে ইসরায়েলের তেল আবিব রয়েছে তালিকার পঞ্চম অবস্থানে।

বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে ‘বায়ুর মান ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান।

‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

শিবির নেতা হত্যায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জামায়াতের

অনলাইন ডেস্ক
শিবির নেতা হত্যায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জামায়াতের

ছাত্রশিবিরের গাইবান্ধার সাঘাটা বোনারপাড়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীকে হত্যার প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
রবিবার (২১ জুন) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবৃতিতে বলেছেন, যুবদল নেতা মোখলেসুসর রহমান মুকুল এবং তার ভাই পলাশ হত্যা করেছে সাইফুল্লাহকে। খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে সংসদের বৈঠকের পর গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ির) এমপি মো. আব্দুল ওয়ারেছ এই হত্যার বিচার দাবি করেন প্রেস ব্রিফিংয়ে। তিনি বলেন, যুবদল এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা হত্যা করেছে সাইফুল্লাহকে। 

জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বিবৃতিতে বলেছেন, যুবদল নেতা মুকুল ও তার ভাই পলাশসহ সন্ত্রাসীরা সাইফুল্লাহ বারীকে ধারাল অস্ত্র ও লোহার শাবল দিয়ে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বর্বর, কাপুরুষোচিত ও মানবতাবিরোধী। এ ধরনের রক্তক্ষয়ী ও পাশবিক হামলা কোনো সভ্য সমাজ ও সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। 

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, হত্যায় জড়িত মূল হোতা মুকুল ও পলাশসহ সকল খুনি ও সন্ত্রাসীকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। হামলায় গুরুতর আহত সাইফুল্লাহর বন্ধু সালাউদ্দিন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে

অনলাইন ডেস্ক
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান। ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জুন) সকালে পুত্রাজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠক যোগদানের জন্য এর আগে রবিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে কুয়ালালামপুরে পৌঁছান তারেক রহমান। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।

এদিন কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে সুসজ্জিত বাহিনীর দেওয়া গার্ড অব অনারের সময়ে বাজানো হয় দুই দেশের জাতীয় সংগীত।

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলকিফলি হাসান ও তার সহধর্মিণী। এ সময় ছোট শিশু মাইসা নুর আইশা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জুবাইদা রহমানকে।

বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী ও ডেপুটি হাইকমিশনার সাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে কুয়ালালামপুরের ‘শাংগ্রি লা’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়; সফরে প্রধানমন্ত্রী, তার সহধর্মিণী ও সফর সঙ্গীরা এই হোটেলে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গীদের মধ্যে আছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা একেএম শামসুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ছাড়া আছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান সরকার গঠনের পরপরই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম তাকে আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক এই সফর।

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বলেছেন, ‘দেশের মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে।’

রবিবার (২১ জুন) সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জিয়াউদ্দিন হায়দার।

এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী করে চিকিৎসাব্যবস্থাকে ‘ট্রিটমেন্ট সেন্ট্রিক’ ধারা থেকে ‘প্রিভেনশন সেন্ট্রিক’ বা প্রতিরোধভিত্তিক ব্যবস্থায় রূপান্তর করতে চায় সরকার। এ জন্য আগামী তিন থেকে চার বছরে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

একইসঙ্গে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা এবং মা ও নবজাতকের সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান।

প্রধানমন্ত্রীর এ বিশেষ সহকারী জানান, এ বিপুল সংখ্যক মিডওয়াইফ নিয়োগের আগে মাঠপর্যায়ে সেবার মান বাড়াতে তাদের প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে সরকার এরইমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারা দেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি শক্তিশালী ‘প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলা হবে। এই নতুন নেটওয়ার্কের আওতায় বিদ্যমান কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো এবং সেখানকার স্বাস্থ্যকর্মীরা সরাসরি মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেবেন।

তিনি বলেন, ‘কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো যেভাবে আছে সেভাবেই সচল থাকবে। তবে সেবার পরিধি আরও বাড়াতে এবং মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছে দিতেই এই নতুন প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক কাজ করবে।’

তিনি আরও বলেন, পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইফসের ৩৪তম আন্তর্জাতিক কংগ্রেসে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। ১২২টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে অংশ নেন তিনি।