• ই-পেপার

কেন ২০২৬ সালে ‘গবলিনটিমেসি’ ডেটিংয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে?

শ্যাম্পু করার পরও বারবার খুশকি? জেনে নিন করণীয়

জীবনযাপন ডেস্ক
শ্যাম্পু করার পরও বারবার খুশকি? জেনে নিন করণীয়
সংগৃহীত ছবি

সকালে শ্যাম্পু করার পর বিকেলেই মাথায় আবার অস্বস্তি ও চুলকানি, আর চুলকালেই নখের গোড়ায় সাদা গুঁড়ো পদার্থ—এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। চিরুনি চালালেই চুল পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝরে পড়ে মরা চামড়া। অনেকেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দামি শ্যাম্পু বা হেয়ার ক্লিনিকের পেছনে হাজার হাজার টাকা খরচ করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খুশকির সমাধান এত জটিল নয়; এর জন্য আগে খুশকি হওয়ার আসল কারণ বুঝতে হবে।

খুশকি কেন হয়?
মানুষের মাথার ত্বকে স্বাভাবিকভাবেই ‘ম্যালাসেজ়িয়া’ নামের এক ধরনের ছত্রাক বা ইস্ট থাকে। কিন্তু যখন মাথায় অতিরিক্ত তেল, ঘাম জমে কিংবা অতিরিক্ত গরম ও মানসিক চাপ তৈরি হয়, তখন এই ছত্রাকের বংশবৃদ্ধি ঘটে। ছত্রাকের এই আধিক্য মাথার ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যার ফলে ত্বকের কোষগুলো দ্রুত নিষ্প্রাণ হয়ে ঝরে পড়তে শুরু করে। এই ঝরে পড়া মৃত কোষই হলো খুশকি।

খুশকি মূলত দুই ধরনের
তৈলাক্ত খুশকি : এই খুশকি কিছুটা হলদেটে ও চটচটে হয়, যা সহজে চুল থেকে ঝরে পড়ে না। এগুলো চুলের গোড়ায় লেগে থেকে অনবরত চুলকানি ও জ্বালা ভাব তৈরি করে। অতিরিক্ত চুলকানির কারণে মাথা কেটে-ছড়ে গিয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। যাদের মাথার ত্বক তৈলাক্ত, গরমে ও ঘামে তাঁদের এই সমস্যা বেশি হয়।

শুষ্ক খুশকি : মাথায় হাত দিয়ে সামান্য ঘষলেই এই খুশকি গুঁড়োর মতো ঝুরঝুর করে কাঁধে, পিঠে ও কপালে ঝরে পড়ে। শুষ্ক ত্বকে ম্যালাসেজ়িয়া ছত্রাকের প্রভাবেই এটি হয় এবং শীতকালে এর প্রকোপ বাড়ে। অনেকের ধারণা মাথায় তেল দিলে এই খুশকি কমবে, যা সম্পূর্ণ ভুল। তেল দিলে এই খুশকি কমার সম্ভাবনা তো নেই-ই, বরং উল্টো হতে পারে।

গরমে কেন বাড়ে খুশকির উপদ্রব?
গরমের তীব্র রোদ ও বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে মাথায় প্রচুর ঘাম ও তেল জমে। এই পরিবেশ ম্যালাসেজ়িয়া ছত্রাকের বৃদ্ধির জন্য একদম আদর্শ। এ ছাড়া গরমে দীর্ঘক্ষণ হেলমেট পরে থাকা কিংবা ভেজা চুল বেঁধে রাখলেও এই ছত্রাক দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে।

প্রতিকার ও শ্যাম্পু ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
সাধারণ শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুলে তা শুধু কয়েক ঘণ্টার জন্য মৃত কোষ দূর করে, কিন্তু ঘাম বা তেল জমলেই খুশকি আবার ফিরে আসে। তাই এর স্থায়ী সমাধানের জন্য ছত্রাকনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধের দোকান থেকে এই শ্যাম্পু কেনা উচিত।

যেহেতু খুশকি একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, তাই সাময়িকভাবে কমে গেলেও বিশেষ শ্যাম্পু ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না। এটি ব্যবহারের নিয়ম হলো :
১। শুরুতে প্রতি ২-৩ দিন পর পর একবার ব্যবহার করতে হবে।
২। খুশকি নিয়ন্ত্রণে এলে সপ্তাহে একবার ব্যবহার করতে হবে।
৩। পরবর্তী সময়ে সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাসে অন্তত দুইবার এই শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুতে হবে।

সতর্কতায় করণীয় কিছু অভ্যাস
মাথা ঘামলে যত্ন : মাথার ত্বক ঘেমে গেলে অবশ্যই পরিষ্কার পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে নিতে হবে। ধুয়ে নেওয়া সম্ভব না হলে দ্রুত ফ্যানের বাতাসে চুল ভালো করে শুকিয়ে নিতে হবে।

ভেজা চুল না বাঁধা : কোনো অবস্থাতেই ভেজা চুল বা ঘেমে থাকা চুল বেঁধে রাখা যাবে না।

পরিচ্ছন্নতা : নিয়মিত ব্যবহৃত হেলমেট, স্কাল ক্যাপ ও চিরুনি সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

সূত্র : আনন্দবাজার

স্ট্রোক না হার্ট অ্যাটাক? বুঝবেন যেসব লক্ষণে

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্ট্রোক না হার্ট অ্যাটাক? বুঝবেন যেসব লক্ষণে
সংগৃহীত ছবি

বর্তমানে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। ৩০ পার হতেই কিংবা অল্পবয়সীদের মধ্যেও দেখা দিচ্ছে হার্টের নানা সমস্যা। তবে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক কিন্তু এক বিষয় নয়। হার্ট অ্যাটাক হয় যখন হার্টে রক্ত সরবরাহে বাধা থাকে। আর স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে বা রক্তনালি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ হলে মস্তিষ্কের কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মারা যায়।

হার্ট অ্যাটাক আর স্ট্রোক দুটোই জরুরি অবস্থা, কিন্তু দুটির লক্ষণ আলাদা। দ্রুত বুঝতে পারলে জীবন বাঁচানো যায়। দেখে নিন কোন কোন লক্ষণে আপনি প্রাথমিকভাবে বুঝবেন হার্ট অ্যাটাক নাকি স্ট্রোক।

  • সহজভাবে পার্থক্যগুলো জেনে নিন

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ

  • বুকে চাপ বা ভারী ব্যথা—মাঝখানে, বাঁ-দিকে ছড়াতে পারে
  • ব্যথা ছড়িয়ে পড়া—বাঁ হাত, কাঁধ, পিঠ, চোয়াল
  • শ্বাসকষ্ট
  • ঠাণ্ডা ঘাম হওয়া
  • বমি বমি ভাব বা বমি
  • অস্বাভাবিক ক্লান্তি
  • ব্যথা ৫-১৫ মিনিট বা তার বেশি স্থায়ী হয়
  • বিশ্রামেও কমে না
  • শরীর ভারী বা চাপা লাগে

 স্ট্রোকের লক্ষণ

  • মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া
  • এক হাত দুর্বল হয়ে পড়া, তুলতে না পারা
  • কথা জড়ানো, পরিষ্কারভাবে বলতে না পারা
  • হঠাৎ দৃষ্টি ঝাপসা বা এক চোখে কম দেখা
  • হঠাৎ ভারসাম্য হারানো, মাথা ঘোরা
  • হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা

হার্ট অ্যাটাকে ৪-৬ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা শুরু করলে ক্ষতি কম হয়। স্ট্রোকে সোনালি সময় ৩–৪.৫ ঘণ্টা, এ সময়ের মধ্যে চিকিৎসা পেলে মস্তিষ্কের ক্ষতি কমে।

পরীক্ষার আগে ভয়? ৩০ সেকেন্ডেই শান্ত হওয়ার উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক
পরীক্ষার আগে ভয়? ৩০ সেকেন্ডেই শান্ত হওয়ার উপায়
ছবি: কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা

পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার আগে অনেক শিক্ষার্থীর বুক ধড়ফড় করে, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যায়। কেউ কেউ বমি ভাব বা ঘন ঘন টয়লেটে যাওয়ার মতো সমস্যায়ও ভোগেন। শুধু পরীক্ষা নয়, মঞ্চে ওঠার আগেও এমন ভয় কাজ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় শরীরে স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়, তাই এমন অনুভূতি হয়। তবে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের তিনটি সহজ কৌশল মানলে মন অনেকটাই শান্ত রাখা যায়।

১) ১০ সেকেন্ড শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম
নাক দিয়ে গভীর শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে ছাড়ুন। এটি দুইবার করুন। এতে শরীর ও মন শান্ত হয়, হৃদস্পন্দন কমে।

২) ১০ সেকেন্ড চাপের কৌশল
বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল ডান হাতে চেপে ধরুন এবং চোখ বন্ধ করে চোখের ওপর হালকা চাপ দিন। এতে মানসিক চাপ কমে।

৩) ১০ সেকেন্ড হালকা শব্দ করুন
পা মাটিতে রেখে মুখ বন্ধ করে আস্তে আস্তে “হুম” শব্দ করুন। এতে শরীর রিল্যাক্স হয় এবং মন শান্ত হয়।

এই তিনটি কৌশল একসঙ্গে করলে পরীক্ষার আগের ভয় অনেকটাই কমে যেতে পারে এবং মন স্থির রাখা সহজ হয়।

কর্মক্ষেত্রে শরীর ও মন ভালো রাখতে চান? মাত্র ৫ মিনিট হেঁটেই মিলবে ফল

অনলাইন ডেস্ক
কর্মক্ষেত্রে শরীর ও মন ভালো রাখতে চান? মাত্র ৫ মিনিট হেঁটেই মিলবে ফল
ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

অফিসে দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা বর্তমানে অনেক মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। ইমেইলের জবাব দেওয়া, কম্পিউটারে কাজ করা কিংবা ভিডিও মিটিংয়ে অংশ নেওয়া—এসব কারণে দিনের বড় একটি সময় চেয়ারে বসেই কাটে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

তাদের মতে, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো রোগের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ঘণ্টায় মাত্র পাঁচ মিনিট হাঁটাহাঁটি করলে শরীর ও মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। গবেষকদের মতে, এটি কাজের ব্যাঘাত না ঘটিয়ে স্বাস্থ্য ভালো রাখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায়গুলোর একটি। ব্রিটিশ জার্নাল অব স্পোর্টস মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণায় প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ মিনিটের হাঁটার বিরতিকে ‘মুভমেন্ট স্ন্যাকস’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণার প্রধান গবেষক কিথ ডিয়াজ বলেন, বর্তমানে অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ জেগে থাকার সময়ের প্রায় ৭৫ শতাংশই বসে কাটান। তাই শুধু ‘কম বসুন, বেশি নড়াচড়া করুন’ বললেই হবে না, মানুষের জানা দরকার ঠিক কতটা নড়াচড়া করলে উপকার পাওয়া যায়। তার মতে, প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ মিনিট হাঁটলে মানুষের মন ভালো থাকে, ক্লান্তি কমে এবং এটি বেশিরভাগ কর্মীর কাছেই বাস্তবসম্মত বলে মনে হয়েছে। 

গবেষণাটি পরিচালনা করেছে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ হাজারের বেশি কর্মী অংশ নেন। তাদের বেশিরভাগই অফিসে কাজ করেন এবং প্রতিদিন আট থেকে নয় ঘণ্টা কর্মস্থলে থাকেন। গবেষণার প্রথম সপ্তাহে অংশগ্রহণকারীরা স্বাভাবিক নিয়মে কাজ করেন। এ সময় তারা প্রতিদিন নিজেদের ক্লান্তি, মনোভাব এবং কাজের দক্ষতা সম্পর্কে তথ্য দেন। পরবর্তী দুই সপ্তাহে তাদের বিভিন্ন সময় পরপর হাঁটার বিরতি নিতে বলা হয়। কেউ প্রতি আধা ঘণ্টা পর পাঁচ মিনিট হাঁটেন, কেউ প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ মিনিট হাঁটেন, আবার কেউ প্রতি দুই ঘণ্টা পর একবার হাঁটেন। এরপর গবেষকেরা অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা ও কাজের ফলাফল বিশ্লেষণ করেন।

গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি আধা ঘণ্টা পর হাঁটলে মন ভালো থাকে এবং ক্লান্তি কমে। তবে এত ঘন ঘন বিরতি নেওয়ার কারণে নিয়মিত কাজের কিছুটা ব্যাঘাত ঘটতে পারে। অন্যদিকে প্রতি দুই ঘণ্টা পর হাঁটা একেবারে না হাঁটার চেয়ে ভালো হলেও এর প্রভাব তুলনামূলক কম ছিল। গবেষকেরা দেখেছেন, প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ মিনিট হাঁটার অভ্যাস সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক ফল দিয়েছে। এতে কর্মীদের কাজের গতি বেড়েছে, মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তারা বেশি সতর্ক ও সক্রিয় অনুভব করেছেন।

কিথ ডিয়াজ বলেন, অনেক কর্মী মনে করেন কাজের মাঝখানে বিরতি নিলে উৎপাদনশীলতা কমে যাবে। আবার কেউ কেউ উদ্বিগ্ন থাকেন, তাদের বস বা সহকর্মীরা বিষয়টি কীভাবে দেখবেন। তবে গবেষণার ফলাফল বলছে, বাস্তবতা ঠিক উল্টো হতে পারে। ডিয়াজের ভাষায়, নড়াচড়ার জন্য নেওয়া ছোট বিরতি কর্মীদের পরিকল্পনা করার ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা, মনোযোগ এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি তারা নিজেদের বেশি স্বস্তিদায়ক, সতেজ এবং কর্মক্ষম মনে করেন। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস গড়ে তুলতে অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন নেই। অফিসের ভেতরে বা বাইরে কয়েক মিনিট হাঁটলেই যথেষ্ট। মিটিংয়ের সময় হাঁটতে হাঁটতে আলোচনা করা, ফোনে কথা বলার সময় হাঁটাহাঁটি করা কিংবা প্রতি ঘণ্টায় কয়েক মিনিট ডেস্ক ছেড়ে উঠে দাঁড়ানো—এসব ছোট পরিবর্তনও উপকার বয়ে আনতে পারে।

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের জ্যেষ্ঠ হৃদরোগ নার্স এমিলি ম্যাকগ্রাথ গবেষণার ফলাফলকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও কিছু সতর্কতার কথা বলেছেন। তার মতে, সাধারণ কিছু শারীরিক নড়াচড়াও মানুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে। তবে এই গবেষণার তথ্য অংশগ্রহণকারীদের নিজের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং গবেষণাটি তুলনামূলক স্বল্প সময়ের ছিল। তাই দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্‌স্বাস্থ্য ও অন্যান্য শারীরিক উপকারিতা কতটা পাওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে আরো বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

তবে বর্তমান গবেষণার ফলাফল বলছে, দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকার পরিবর্তে প্রতি ঘণ্টায় অন্তত পাঁচ মিনিট হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুললে তা শরীর ও মন দুইয়ের জন্যই উপকারী হতে পারে।