• ই-পেপার

নিজেকে সুখী ঘোষণা করলেন সোনাক্ষী

ভাঙল জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ৯ বছরের সংসার

বিনোদন ডেস্ক
ভাঙল জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ৯ বছরের সংসার
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিনের প্রেম, এরপর জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ে। ভারতের টেলিভিশন অঙ্গনের অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন অভিনেত্রী আকাঙ্ক্ষা চামোলা ও অভিনেতা গৌরব খান্না। তবে নয় বছরের সেই দাম্পত্য জীবনের ইতি টানতে চলেছেন তারা। অবশেষে বিচ্ছেদের খবর নিজেই নিশ্চিত করেছেন আকাঙ্ক্ষা।

নেটফ্লিক্সের রিয়েলিটি শো ‘লুক আপ’-এর দ্বিতীয় মৌসুমের প্রথম পর্বে ব্যক্তিগত জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। 

একটি গোপন তথ্য জানাতে বলা হলে তিনি বলেন, ‘আমি এবং গৌরব ডিভোর্স নিচ্ছি। গত এক বছর ধরে আমরা আলাদা থাকছি। বিষয়টি এতদিন প্রকাশ্যে আসেনি।’

তবে সম্পর্কের ইতি টানলেও তাদের মধ্যে কোনো তিক্ততা নেই বলে জানান আকাঙ্ক্ষা।

Gaurav Khanna Reunites with Wife Akanksha Chamola on Bigg Boss 19

তিনি বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক খারাপ নয়। এখনও আমরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলি। কিন্তু আমরা বুঝেছি, জীবন নিয়ে আমাদের ভবিষ্যৎ ভাবনা এক নয়। তাই সঙ্গী হিসেবে আমরা একে অপরের জন্য উপযুক্ত নই।’

২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর উত্তর প্রদেশের কানপুরে তিন দিনব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন গৌরব খান্না ও আকাঙ্ক্ষা চামোলা। বিয়ের পর দীর্ঘদিন টেলিভিশন অঙ্গনের আদর্শ দম্পতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন তারা। বিভিন্ন সময় একে অপরের কাজ ও ক্যারিয়ারে প্রকাশ্যেই সমর্থন জানিয়েছেন এই তারকা জুটি।

তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েনের ইঙ্গিত অবশ্য আগেই মিলেছিল। ‘বিগ বস’-এর ১৯তম আসরে অংশ নিয়ে গৌরব খান্না জানিয়েছিলেন, সন্তান নেওয়ার বিষয়ে তাদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। তিনি সন্তান চাইলেও আকাঙ্ক্ষা মা হতে আগ্রহী নন। ভালোবাসার বিয়ে হওয়ায় স্ত্রীর সিদ্ধান্তকে তিনি সম্মান করেন বলেও জানিয়েছিলেন।

Gaurav Khanna shares wife Akanksha Chamola doesnt want kids - India Today

যদিও চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিচ্ছেদের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছিলেন আকাঙ্ক্ষা। সে সময় টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, তাদের দাম্পত্যে কোনো সমস্যা নেই এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

একই সাক্ষাৎকারে মাতৃত্ব নিয়ে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেছিলেন অভিনেত্রী। আকাঙ্ক্ষার ভাষায়, ‘আমি নিজেকে মা হিসেবে কল্পনা করি না। এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এ জন্য কাউকে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না।’

এদিকে বর্তমানে নেটফ্লিক্সের রিয়েলিটি শো ‘লুক আপ’-এর দ্বিতীয় মৌসুমে প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিয়েছেন আকাঙ্ক্ষা চামোলা। এই আসরে তার সঙ্গে রয়েছেন রাম কাপুর, শিবাঙ্গী জোশী, সুনিতা আহুজা, ধীরাজ ধোপার, হর্ষদ চোপড়া, রিয়াজ আলি, সুফি মতিওয়ালাসহ আরও অনেক তারকা।
 

‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’ দিয়ে আলোচনায় আসা কে এই তরুণী?

বিনোদন প্রতিবেদক
‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’ দিয়ে আলোচনায় আসা কে এই তরুণী?
সংগৃহীত ছবি

বছর দুয়েক আগে অন্তর্জালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ভ্যানিশিং ম্যান’। মুক্তির পর দর্শকের সাড়াও পেয়েছিল বেশ। সেই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন আগেই আসে নাটকটির সিক্যুয়াল। বরাবরের মতোই সিক্যুয়াল ‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’ দর্শকের মন জয় করেছে।

ইতিমধ্যে নাটকটি দেখেছেন প্রায় ৬০ লাখ দর্শক। মন্তব্যের ঘরে জমা পড়েছে আড়াই হাজারেরও বেশি মন্তব্য।

তবে নাটকটিতে দর্শকের কাছে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে জিয়াউল হক পলাশের বিপরীতে অভিনয় করা তরুণ অভিনেত্রী শেগুফতা আহমেদ জারবীনি। নবাগতার মিষ্টি চেহারা আর হাসির পাশাপাশি তার অভিনয়ও মুগ্ধ করেছে দর্শকদের।

May be a graphic of one or more people, beard and text

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি ইউটিউবে মন্তব্যের ঘরে দেখা গেছে ইতিবাচক প্রশংসা। কেউ কেউ লিখেছেন, ‘নায়িকা অসাধারণ অভিনয় করেছে। একেবারে ন্যাচারাল, নো ওভার অ্যাক্টিং। আরো নাটকে দেখতে চাই।’ আরেকজন লেখেন, ‘মেয়েটাকে দারুণ মানিয়েছে। পরিমিত অভিনয়।’

কাজটি নিয়ে দর্শকের সাড়া প্রসঙ্গে জারবীনি বলেন, ‘নাটকটি রিলিজের পর থেকে এখন পর্যন্ত দর্শকদের কাছ থেকে এত বেশি সাড়া পাচ্ছি, তা অভাবনীয়। সত্যি বলতে এই অভিজ্ঞতা আমার জন্য একেবারেই নতুন। ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্ট এবং তাদের মন্তব্য দেখে আমি আপ্লুত। সবাই এত প্রশংসা করছেন যে আমি নিজেই খুব লজ্জা পাচ্ছি। বিষয়টি অনেক উপভোগ করছি।’

যদিও অভিনয়ে জারবীনি একেবারে নতুন নন। স্বপ্ন ছিল পাইলট হওয়ার, সে জন্য অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনাও শেষ করেছেন। এর মধ্যেই এলেন অভিনয়ে। এর আগে নাজমুল হুদা ঈমনের পরিচালনায় ‘কুড বি আস!’, ‘কুলেজ’-এ অভিনয় করলেও ‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’ দিয়ে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিষেক হয় জারবীনির। যদিও আগের কিস্তিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন এবং তাতে পলাশের বিপরীতে দেখা গিয়েছিল সাফা কবিরকে।

May be an image of one or more people and people smiling

নবাগতা এই অভিনেত্রী বলেন, ‘যেহেতু ‘ভ্যানিশিং ম্যান’-এ আমি ছিলাম সেহেতু জানতাম যে এটার সিক্যুয়ালেও থাকব। কিন্তু আমি যে প্রটাগনিস্ট হিসেবে সুযোগ পাব এতে, এটা ভাবিনি। ভেবেছিলাম সাফা কবির আপুই থাকবেন। কিন্তু শুটিং শুরুর এক সপ্তাহ আগে জানতে পারি যে এখানে একমাত্র মেয়ে চরিত্রে আমিই আছি। উচ্ছ্বসিত ছিলাম, একই সঙ্গে নার্ভাসও। চেষ্টা করেছি নিজের সবটুকু দিয়ে কাজ করার। দর্শক যখন কাজটি পছন্দ করতে শুরু করল, তখন ভালো লাগাটা বেড়ে গেল।’    

এদিকে নাটকটির নির্মাতা নাজমুল হুদা ইমন বলেন, ‘ভ্যানিশিং ম্যান’ নাটকটি যে পরিমাণ ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি, সিক্যুয়ালটিতে তা তার চেয়েও অনেক বেশি। সবাই অনেক প্রশংসা করছেন, দর্শকরা উপভোগ করছেন কাজটি। পলাশের সঙ্গে জারবীনির জুটিটা দর্শক আরো বেশি পছন্দ করেছেন। নতুন হিসেবে সে অনেক ভালো পারফর্ম করেছে। যা দর্শকরাই বলছেন।

‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’- জিয়াউল হক পলাশ, জারবীনি ছাড়া আরো অভিনয় করেছেন সৈয়দ বাচ্চু, এরফান মৃধা শিবলু, জাবেদ গাজি, ফরহাদ জুলফিকার, আনোয়ার হোসেন, শাহানা স্বপ্না এবং শরীফ আজম প্রমুখ। 

অবস্থা সংকটাপন্ন, ফের ভেন্টিলেটরে মুস্তাফা মনোয়ার

বিনোদন প্রতিবেদক
অবস্থা সংকটাপন্ন, ফের ভেন্টিলেটরে মুস্তাফা মনোয়ার
সংগৃহীত ছবি

নিউমোনিয়াজনিত জটিলতায় দীর্ঘ দুই সপ্তাহ ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার। কয়েক দিন আগে ভেন্টিলেটর খুলে নেওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির আশা জেগেছিল। তবে সেই আশায় ভাটা পড়েছে। 

আবারও তাকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন মুস্তাফা মনোয়ারের স্ত্রী মেরী মনোয়ার। 

তিনি গণমাধ্যমে বলেন, ‘ভেন্টিলেটর খুলে নেওয়ার দুই দিন পর আবারও তাঁকে ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বেশ ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আইসিইউতে ভর্তি রয়েছে। ওঁনার ফুসফুস মারাত্মকভাবে ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। দোয়া করবেন।’

জানা গেছে, নিউমোনিয়ার জীবাণুতে আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

এর আগে তার অসুস্থতা নিয়ে মেরী মনোয়ার বলেছিলেন, ‘১৪ জুন ওঁনাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। ওঁনার প্রেসার ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছিল। তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা আইসিইউতে ভর্তির পরামর্শ দেন। গত চার দিন ধরে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।’

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান। 

দীর্ঘ কর্মজীবনে শিল্প, সংস্কৃতি ও শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণে অসামান্য অবদান রেখে তিনি দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। শিল্পকলায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

কতটা জমল ৩৪ তারকার ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’?

বিনোদন ডেস্ক
কতটা জমল ৩৪ তারকার ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’?
সংগৃহীত ছবি

২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়েলকাম’ ছিল বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি। বিশেষ করে অনিল কাপুর ও নানা পাটেকরের ‘মজনু-উদয়’ জুটি আজও দর্শকের কাছে সমান জনপ্রিয়। তবে সেই সাফল্য ধরে রাখতে পারেনি ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্বিতীয় কিস্তি ‘ওয়েলকাম ব্যাক’। ফলে তৃতীয় ছবি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। ৩৪ জন তারকার বিশাল সমাবেশ, পুরনো জনপ্রিয় ছবির একের পর এক রেফারেন্স—সব মিলিয়ে আগ্রহের কমতি ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পেরেছে ছবিটি?

পরিচালক আহমেদ খানের ২ ঘণ্টা ৪৪ মিনিটের এই ছবিতে রয়েছেন অক্ষয় কুমার, সুনীল শেঠি, জ্যাকি শ্রফ, জনি লিভার, পরেশ রাওয়াল, আরশাদ ওয়ারসি, রাজপাল যাদব, শ্রেয়স তলপড়ে, দিশা পাটানি, জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, রবিনা ট্যান্ডনসহ বিশাল তারকাবহর। 

গল্পের মূল উপজীব্য ‘সিনেমার মধ্যে সিনেমা’ নির্মাণ। পাশাপাশি ‘দ্য প্রোডিউসার্স’ ও ‘ট্রপিক থান্ডার’ থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার পাশাপাশি ‘ওয়েলকাম’, ‘হেরা ফেরি’, ‘আওয়ারা পাগল দিওয়ানা’, ‘মোহরা’ ও ‘খিলাড়ি’র মতো একাধিক বলিউড ছবির রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে এত আয়োজনের পরও ছবির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা এর চিত্রনাট্য। প্রবাদ আছে, অতিলোভে তাঁতি নষ্ট। এই ছবির ক্ষেত্রেও যেন সেটিই সত্যি হয়েছে। অসংখ্য তারকা, একের পর এক রেফারেন্স আর অতিরিক্ত কৌতুকের চেষ্টায় গল্পটি শেষ পর্যন্ত জগাখিচুড়িতে পরিণত হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ মূলত জঙ্গলে একদল ফ্লপ তারকার উদ্ভ্রান্ত অ্যাকশন আর সিনেমা বানানোর নামে দীর্ঘ এক পিকনিক। ১৬৪ মিনিটের ছবিতে অক্ষয় কুমার ও জনি লিভারের কয়েকটি কমেডি সংলাপ দর্শককে হাসাতে সক্ষম হলেও দুর্বল চিত্রনাট্য এবং অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘায়িত দৃশ্য ছবির গতি বারবার থামিয়ে দেয়।

অনেক দৃশ্যই যেন শুধুই সময় পূরণের জন্য রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে পুরো ছবিতে অতিরিক্ত গ্রিন স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে ভিজ্যুয়ালও কৃত্রিম মনে হয়। জ্যাকি শ্রফের সন্ত্রাসী চরিত্রকে আলাদা মাত্রা দিতে গিয়ে ‘ধুরন্ধর’-এর অক্ষয় খান্নার স্টাইল অনুসরণের চেষ্টা করা হয়েছে, যা দৃশ্যের সঙ্গে খুব একটা মানানসই হয়নি। এমনকি শেষদিকে ‘বজরঙ্গী ভাইজান’-এর একটি দৃশ্যের ছায়াও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।

‘ওয়েলকাম’ যেখানে দর্শকদের নিখাদ বিনোদন দিয়েছিল, সেখানে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সেই মানের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি। বিশাল তারকাবহর থাকলেও অভিনয়ে সমন্বয়ের অভাব চোখে পড়ে। অনেকের অতিরঞ্জিত অভিব্যক্তিও বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ছবিতে দালের মেহেন্দির উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট নয়। পুরো ছবিজুড়ে তাঁর ভাবলেশহীন উপস্থিতি সেই প্রশ্ন আরো জোরালো করে। অন্যদিকে, জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে কার্যত সাজসজ্জার উপকরণ হিসেবেই ব্যবহার করা হয়েছে। দিশা পাটানির ক্ষেত্রেও পরিচালক শরীরী আবেদনকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, অভিনয়ের সুযোগ খুব একটা তৈরি হয়নি।

তবে গল্পে বড় কোনো চমক না থাকলেও নির্মাতারা তাঁদের লক্ষ্য দর্শক ঠিক করতে পেরেছেন বলেই মনে হয়। সেই কারণেই ছবিতে ভোজপুরি ও মালয়ালি দর্শকগোষ্ঠীর প্রসঙ্গও উঠে এসেছে।

সব মিলিয়ে, ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ এমন একটি ছবি, যেখানে তারকার সংখ্যা গল্পের চেয়ে অনেক বেশি। আর শেষ পর্যন্ত এই ছবির সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে ওঠে সম্ভবত অক্ষয় কুমারের সেই সংলাপ, যা দিশা পাটানি ও পাঞ্জাবি গায়ক তালবিন্দরের সম্পর্ক নিয়েও ইঙ্গিত ছুড়ে দেয়।