• ই-পেপার

লিওনেল মেসি যেন ঢাকাই তারকাদের ঘরের মানুষ!

‘ইকরার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই ভালো ছিল’, আদালতে দাবি আলভীর

বিনোদন প্রতিবেদক
‘ইকরার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই ভালো ছিল’, আদালতে দাবি আলভীর
সংগৃহীত ছবি

স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা জাহের আলভীকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক আলভীর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। গত ২১ জুন আদালত শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছিলেন।

বুধবার শুনানির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন জাহের আলভী। তিনি বলেন, ‘আমি কাজে (অভিনয়ে) ফেরার জন্য জামিন চাই না। আমার সন্তানটা তার মাকে হারিয়েছে, তাকে এখন সাপোর্ট দেওয়া দরকার। আমি এমন একটা পরিস্থিতিতে আছি, যখন শোক পালন করব নাকি মামলার প্রসিডিওর মেইনটেইন করবো জানি না। সংসারে ছোটোখাটো মনোমালিন্য হয়। আমার ও ইকরার রিলেশন খুব স্মুথ (ভালো) ছিল। সুইসাইড করার মতো কিছু ঘটেনি। আমি মিডিয়ায় কাজ করি, এখানে আমার শুভাকাঙ্ক্ষী যেমন আছে, হেটার্সও আছে। তারা একটা এআই জেনারেটেড মেহেদীওয়ালা ছবি দিয়ে মিথ্যা প্রচারণা করেছে। সেই মেহেদীওয়ালা আসল ছবিটা আমার আইনজীবীর কাছে আছে।’

অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে নেপালে জন্মদিন উদযাপনের অভিযোগ নিয়েও বক্তব্য দেন আলভী। তিনি বলেন, ‘আমি নাকি নায়িকা নিয়ে নেপালে গেছি। অথচ আমি ৬টা নাটকের শুটিংয়ে প্রডাকশনের সঙ্গে গিয়েছি; এটা আমার কাজ। সেখানে প্রডাকশনের সবাই ছিল, শুধু তিথি না।’

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুবায়েত রিমান্ড বাতিলের আবেদন করে বলেন, ‘এ মামলায় কোনো মিডিয়া ট্রায়ালের প্রভাব যেন না থাকে। এখানে তাকে (আলভী) শাস্তি দেওয়ার চেয়ে ন্যায় বিচার হওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরো বলেন, ‘তিনি দেশে এসে আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোর্টে আত্মসমর্পণ করেছেন।’ এ সময় বিচারক মন্তব্য করেন, ‘তাকে হাইকোর্টই আত্মসমর্পণ করতে বলেছেন।’

শুনানির এক পর্যায়ে ইকরার দেওয়া একটি হলফনামার বিষয়ও আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়। 

আসামিপক্ষের দাবি, ওই হলফনামায় ইকরা উল্লেখ করেছিলেন যে, তাঁর পরিবার জোরপূর্বক অন্যত্র বিয়ে দিয়েছিল। পরে আলভীর পক্ষের আরেক আইনজীবী রিমান্ডের পরিবর্তে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানান। তবে আদালত তা নাকচ করে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ইকরাকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপমানজনক ও উস্কানিমূলক বিভিন্ন পোস্ট দিতেন আলভী। এছাড়া বিবাহিত থাকা অবস্থায় অন্য এক নারীর সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে উস্কানিমূলক মন্তব্যও করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। 

মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং অন্যান্য তথ্য সংগ্রহের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ রাজধানীর মিরপুরের একটি বাসা থেকে অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার রাতে ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় জাহের আলভীর পাশাপাশি তাঁর মা নাসরিন সুলতানা শিউলিকেও আসামি করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও মানসিক নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শুরু থেকেই নিজের নির্দোষতার দাবি করে আসছেন জাহের আলভী। মামলার তদন্ত চলমান থাকায় এখন তদন্তের অগ্রগতির দিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

মিমির বিরুদ্ধে এফআইআরে স্থগিতাদেশ

বিনোদন ডেস্ক
মিমির বিরুদ্ধে এফআইআরে স্থগিতাদেশ
সংগৃহীত ছবি

আইনি লড়াইয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তার বিরুদ্ধে হওয়া এফআইআরের কার্যকারিতায় স্থগিতাদেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। 

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত মিমির বিরুদ্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

বিচারপতি কৌশিক চন্দের একক বেঞ্চ এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছেন। বনগাঁর এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে আয়োজক তনয় শাস্ত্রীর সঙ্গে মিমির বিরোধের জেরেই আইনি জটিলতার সূত্রপাত।

ঘটনাটি চলতি বছরের জানুয়ারির। তনয় শাস্ত্রীর অভিযোগ, অনুষ্ঠানে মিমির উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল রাত সাড়ে ১০টায়। তবে তিনি পৌঁছান প্রায় রাত পৌনে ১২টায়। ফলে প্রশাসনের নির্ধারিত সময়সীমার কারণে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই অনুষ্ঠান শেষ করতে হয়। 

তনয়ের দাবি, বিষয়টি মঞ্চে জানানো হলে অভিনেত্রী অপমানিত বোধ করেন এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন।

পরিস্থিতি ক্রমেই আইনি রূপ নেয়। দোল উৎসবের আগে, গত ২ মার্চ বনগাঁ আদালতে মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেন তনয় শাস্ত্রী। 

সে সময় অভিযোগকারীর আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি জানিয়েছিলেন, ‘মানহানি মামলায় ২০ লক্ষ টাকা দাবির পাশাপাশি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। মিমি নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠানে না এসেও ২ লাখ ৬৫ হাজার রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। দ্বিতীয় মামলা তারই ভিত্তিতে।’

তরুণজ্যোতি আরো অভিযোগ করেছিলেন, ‘মিমির আচরণ যথার্থ ছিল না। প্রথমত, তিনি অনেক দেরিতে অনুষ্ঠানে আসেন। মাত্র ১৫ মিনিট অনুষ্ঠান করেন। রাত ১২টার পরে অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল না। ফলে, অনুষ্ঠান ওই সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হয়। মিমি সমস্ত দোষ অকারণে তনয়ের উপরে চাপিয়েছেন। মিথ্যা অভিযোগে তরুণজ্যোতির মক্কেলকে সংশোধনাগারে পাঠিয়েছেন। তনয় তাই তাঁর সঙ্গে ঘটা অন্যায়ের বিধান চান।’

তবে হাইকোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশে আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন মিমি। আদালতের এই রায়ের পর তনয় শাস্ত্রীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মধুর সমস্যা নিয়ে বিশ্বকাপে হাজির জার্মান মডেল

অনলাইন ডেস্ক
মধুর সমস্যা নিয়ে বিশ্বকাপে হাজির জার্মান মডেল

বিশ্বকাপে মজেছে গোটা বিশ্ব। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ফুটবলারদের সমর্থন জোগাতে মাঠে হাজির থাকছেন পরিবারের সদস্যরা। কারো কারো সঙ্গে রয়েছেন প্রেমিকা। তবে এই দিকে এক মধুর সমস্যায় পড়েছেন জার্মান মডেল লরা আবলা শ্মিট।

নামটি কিছু দিন আগে অনেকের কাছে অপরিচিত ছিল। যা এখন অধিকাংশ জার্মান ফুটবলভক্তের কাছেই খুব পরিচিত। বিখ্যাত মডেল বনে যাওয়া লরাকে আগে তেমন চিনত না কেউ। উত্তর জার্মানিতে জন্ম নেওয়া মেয়েটির জীবন পুরোপুরি বদলে যায়। তার সঙ্গে দেখা হয় স্প্যানিশ ও লিপজিগের তারকা দানি ওলমোর, আর এভাবেই সে বিখ্যাত হয়ে ওঠে।

রাতারাতি স্যোশাল প্ল্যাটফর্মে বিখ্যাত হয়ে উঠেন তিনি। হাজার হাজার ফলোয়ার তৈরি হয়ে যায় এই ইনফ্লুয়েন্সারের। এই খ্যাতি তৈরি করে আরেক বিড়ম্বনা।  ২০২৪ ইউরোর কোয়ার্টার-ফাইনালে স্পেন বিতর্কিত পেনাল্টিতে জার্মানিকে হারিয়ে সেমিতে জায়গা করে নেয়।

এতে তীব্র সমালোচনার লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠেন এই জার্মান মডেল। জার্মান সমর্থকরা লরাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল, কারণ তারা জানত তিনি স্প্যানিশ জাতীয় দলের সবচেয়ে কাছের ছিলেন বলে।
 
এ সময় লরা বলেন, ‘জার্মানির হারে আমি হাজার হাজার বিদ্বেষপূর্ণ বার্তা পেয়েছিলাম। তারা আমাকে সম্ভাব্য সবচেয়ে জঘন্য নামে ডাকত।

লরা তার প্রেমিককে সমর্থন করার জন্য স্পেনের জার্সি পরতে পারেননি, আবার ওলমোর সতীর্থদের স্ত্রী ও বান্ধবীদের সঙ্গে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে ওলমোকে সমর্থন করার জন্য জার্মানির জার্সিও পরতে পারেননি। 

লরা বলেন, ‘আমি স্পেনের জার্সি পরি বলে মানুষ আমাকে ঘৃণা করে, আক্রমণ করে, এটা দেখে আমি খুব হতাশ। আমি যদি স্পেনের জার্সি পরতে না পারি, তাহলে আমি কোনো দলেরই জার্সি পরব না। বিশ্বকাপ বা ফুটবল নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই, আমি শুধু আমার প্রেমিককে সমর্থন করছি। আমি ২০২২ সালের টুর্নামেন্টের এক মিনিটও দেখিনি।’

তিনি আরো জানান, ইউরো ২০২৪ ইউরো কাপে স্পেনের কাছে জার্মানি বাদ পড়ার পর তার বন্ধুরা তাকে স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের সঙ্গে বাইরে গিয়ে উদযাপন না করার পরামর্শ দিয়েছিল। এমনকি স্প্যানিশ কোচিং স্টাফও বলেছিলেন যে তারা ভয় পাচ্ছিলেন লরা হয়তো আক্রমণের শিকার হতে পারে।

সেই সময়ের কথা আস্তে আস্তে সবার মন থেকে মুছে যায়। তবে বিপত্তি বাঁধে চলমান বিশ্বকাপে নিজের স্পেনের ১০ নম্বর জার্সি পরে দানি ওলমোকে সমর্থন জানাতে যুক্তরাষ্ট্রে হাজির হলে।

তখনই আবার জার্মান ভক্তরা তার গল্পটি আবার সামনে নিয়ে আসে।  স্পেন যদি আবার জার্মানির মুখোমুখি হয়, তাহলে লরার প্রতিক্রিয়া কেমন হবে? তা নিয়ে প্রশ্ন রাখতে শুরু করেছে নেটিজেনরা।

লরার ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকসহ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তাঁর বিশাল ফলোয়ার রয়েছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওতে ‘মহা জাদু’ দেখে অবাক হাবিব ওয়াহিদ

বিনোদন প্রতিবেদক
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওতে ‘মহা জাদু’ দেখে অবাক হাবিব ওয়াহিদ
সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি গান। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফর উপলক্ষে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ব্যবহৃত হয়েছে সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদের বহুল জনপ্রিয় গান ‘মহা জাদু’, যা নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিল্পী নিজেই।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে সম্প্রতি একটি বিশেষ ভিডিও প্রকাশ করা হয়। 

প্রায় ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ওই ভিডিওতে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক, রাষ্ট্রীয় মধ্যাহ্নভোজ এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে।

তবে ভিডিওটির বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে এর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। সেখানে ব্যবহার করা হয় ‘মহা জাদু’ গানটি, যা কোক স্টুডিও বাংলার মাধ্যমে নতুনভাবে শ্রোতাদের সামনে আসে। মরমী সাধক দূরবিন শাহের শিষ্য লোককবি খোয়াজ মিয়ার লেখা গানটিতে নতুন সঙ্গীতায়োজন করেছেন হাবিব ওয়াহিদ। গানটিতে তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন তাজিকিস্তানের শিল্পী মেহরনিগরি রুস্তম।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নজরে আসে হাবিব ওয়াহিদেরও। 

এ নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল হাতে নিই। দেখি অনেকেই আমাকে কিছু একটা লিংক পাঠিয়েছেন। কৌতূহল নিয়ে সেই লিংকে ক্লিক করি। তখন দেখি, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের গুরুত্বপূর্ণ ভিডিওতে আমার গান। আমি তো গানটি শুনে অবাক। এটা আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে। কারণ, তারেক রহমানের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। সেখানে দুটি দেশ জড়িয়ে রয়েছে। সেই ভিডিওতে আমার গানটি ব্যবহার করায় আমি সম্মানিত বোধ করছি। আমি লাকি। নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।’ 

শিল্পী জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আগে থেকে তাঁর কোনো ধারণাই ছিল না। হঠাৎ করেই ভিডিওটি দেখে বিস্মিত হয়েছেন তিনি।

হাবিব বলেন, ‘আমি কিছুই জানতাম না। কেউ আমার সঙ্গে এটা নিয়ে কথাও বলেনি। হঠাৎ লিংকে দেখে অবাক হয়ে গেছি। কারণ, আমি মোবাইলে ফেসবুক ব্যবহার করি না। ফেসবুকই বলা যায় ব্যবহার করি না।’ 

বাংলাদেশের একটি গান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিসরের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিডিওতে স্থান পাওয়াকে অনেকেই দেশের সংগীতের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন। আর সেই অর্জনের অংশ হতে পেরে স্বাভাবিকভাবেই আনন্দিত দেশের জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পী।