• ই-পেপার

অস্বস্তিকর দৃশ্য নিয়ে আপত্তি, বিতর্কের মুখে ‘পেডি’

পাঁচ মাস সংসারের পর আইনি বিয়ে সারলেন মধুমিতা

বিনোদন ডেস্ক
পাঁচ মাস সংসারের পর আইনি বিয়ে সারলেন মধুমিতা
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে পারিবারিক পরিবেশে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছিলেন মধুমিতা ও দেবমাল্য। এবার পাঁচ মাসের মাথায় আইনি বিয়ের মাধ্যমে সেই সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিলেন এই তারকা দম্পতি।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে রেজিস্ট্রির কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন মধুমিতা। সেখানে দেখা যায়, কোনো জাঁকজমক বা আড়ম্বর ছাড়াই দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে আইনি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

বিশেষ এই দিনে মধুমিতার সাজেও ছিল সরলতার ছাপ। তিনি পরেছিলেন রাস্ট অরেঞ্জ রঙের সালোয়ার-কামিজ এবং ছিলেন প্রায় মেকআপবিহীন। অন্যদিকে দেবমাল্যও বেছে নিয়েছিলেন একেবারে সাধারণ ক্যাজুয়াল পোশাক।

দম্পতির জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তাদের পোষ্য কুকুরটিও ছিল সঙ্গী। রেজিস্ট্রির ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে মধুমিতা লিখেছেন, ‘আজ থেকে আমি আইনতভাবে তোমার স্ত্রী হলাম।’

উল্লেখ্য, এটি দেবমাল্য চক্রবর্তীর প্রথম বিয়ে হলেও মধুমিতা সরকারের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে তিনি অভিনেতা ও পরিচালক সৌরভ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তবে কয়েক বছর পর তাদের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে। এরপর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর দেবমাল্যের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেন অভিনেত্রী, যা এবার আইনি স্বীকৃতিও পেল।
 

মা হচ্ছেন সোহিনী

বিনোদন ডেস্ক
মা হচ্ছেন সোহিনী
সংগৃহীত ছবি

বিয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপনের আগেই নতুন সুখবর ঘিরে আলোচনায় এসেছেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। ফলে শিগগিরই দুই থেকে তিন সদস্যের পরিবার হতে চলেছে সোহিনী সরকার ও সংগীতশিল্পী শোভন গাঙ্গুলির সংসার।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন সোহিনী ও শোভন। আগামী জুলাইয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনের দুই বছর পূর্ণ হওয়ার কথা। এর আগেই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা।

সম্প্রতি চলচ্চিত্র অঙ্গনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সিনেমার প্রিমিয়ারে সোহিনী সরকারের অনুপস্থিতি নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়। এমনকি তাঁর অভিনীত ‘ফেরা’ সিনেমার প্রিমিয়ারেও দেখা যায়নি অভিনেত্রীকে। এরপর থেকেই তাঁর মা হওয়ার গুঞ্জন আরও জোরালো হতে থাকে।

যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি সোহিনী সরকার কিংবা শোভন গাঙ্গুলি। তবে তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তারকা দম্পতির পরিবারে শিগগিরই নতুন সদস্য যোগ হতে চলেছে।

এমনও জানা গেছে, চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক ঘনিষ্ঠজন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকলেও সোহিনী ও শোভন নিজেরা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত কেউই এ নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে চাইছেন না।

সূত্রের দাবি, নতুন অতিথিকে স্বাগত জানাতে খুব বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। চলতি বছরই মা-বাবা হিসেবে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে পারেন এই তারকা দম্পতি। তবে ব্যক্তিগত এই সুখবর আপাতত আলোচনার বাইরে রাখতেই আগ্রহী তারা।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের শেষ দিকে অভিনেত্রী সোহিনী সরকার ও অভিনেতা রণজয় বিষ্ণুর সম্পর্ক ভাঙার খবর প্রকাশ্যে আসে। একই সময় গায়ক শোভন গাঙ্গুলির সঙ্গে অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্তের বিচ্ছেদের খবরও আলোচনায় ছিল। 

এরপর সোহিনী ও শোভনের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। সেই সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে ২০২৪ সালে তারা বিয়ে করেন।

কেন শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ?

বিনোদন প্রতিবেদক
কেন শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ?
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার আলোচনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। তবে শেষ মুহূর্তে সেই সম্ভাবনায় ইতি টানলেন জনপ্রিয় অভিনেতা বাপ্পারাজ। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

বাপ্পারাজের এই সিদ্ধান্তে শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থী ও প্যানেলের সমীকরণেও এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে গণমাধ্যমকে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত কিছু কারণ রয়েছে। এর মাঝে ব্যবসায়িক কারণ একটি। নির্বাচন করে যদি সময় না দিতে পারি, তাহলে বিষয়টা ভালো দেখায় না। তাই নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।’

এদিকে শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে এফডিসিপাড়ায় বাড়তে শুরু করেছে নির্বাচনী আমেজ। সম্ভাব্য প্রার্থী, জোট ও প্যানেল গঠন নিয়ে শিল্পী ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ।

বাপ্পারাজের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার পর সভাপতি পদে শেষ পর্যন্ত কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকেই মনে করছেন, তাঁর সিদ্ধান্ত নির্বাচনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সর্বশেষ কার্যনির্বাহী পরিষদ, যার নেতৃত্বে ছিলেন মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল, তাদের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ২৪ এপ্রিল। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যেই নতুন নির্বাচন আয়োজনের বিধান রয়েছে।

‘প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব’, লিখলেন দীপ্তি চৌধুরী

বিনোদন প্রতিবেদক
‘প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব’, লিখলেন দীপ্তি চৌধুরী
সংগৃহীত ছবি

জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগভরা একটি বার্তা শেয়ার করেছেন আলোচিত উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। 

বিয়ের একাধিক ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’। মুহূর্তেই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দীপ্তি চৌধুরীর ব্যবহৃত বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাসের সংলাপের অনুকরণে লেখা। মূল সংলাপে ছিল, ‘ডাক্তার সাহেব, তুমি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছ! তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব।’ সেই বহুল পরিচিত সাহিত্যিক আবেগকে নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিলিয়ে ‘ডাক্তার সাহেব’-এর পরিবর্তে ‘মাস্টার সাহেব’ ব্যবহার করেছেন তিনি। 

May be an image of one or more people, henna and wedding

শুক্রবার ঢাকার বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। ঘরোয়া পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এই আয়োজনে নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানান স্বজনরা।

দীপ্তি চৌধুরীর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেন এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।

বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরীর পরিবারের এক সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ আক্দ হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বড় আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় সবাইকে দাওয়াত দেওয়া হবে। সবার কাছে দীপ্তির নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাই।’

May be an image of one or more people, henna and wedding

আক্দের পর সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আরও কয়েকটি বিয়ের ছবি প্রকাশ করেন দীপ্তি। ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তাঁর ক্যাপশন। স্বামীকে ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন করে লেখা আবেগঘন বার্তাটি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

পোস্টটির মন্তব্যের ঘরেও শুভেচ্ছার বন্যা বইছে। সহকর্মী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নবদম্পতির সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা জানিয়েছেন। বিয়ের খবর প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীপ্তি চৌধুরীকে ঘিরে চলছে নানা আলোচনা, আর ভক্ত-অনুরাগীরাও তাঁদের নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানাচ্ছেন।