• ই-পেপার

গাইবান্ধায় ১৭১তম সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস উদযাপন

ভারত থেকে পার্বতীপুরে পৌঁছাল আরো ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
ভারত থেকে পার্বতীপুরে পৌঁছাল আরো ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
ছবি : কালের কণ্ঠ

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে আরো ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে। সোমবার (২৯ জুন) চালানটি ডিপোর রিসিভিং টার্মিনালে গ্রহণ করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আমন মৌসুমে সেচের চাহিদা বিবেচনায় এ চালান উত্তরাঞ্চলে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিত ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে। পাইপলাইন চালুর ফলে জ্বালানি পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমেছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আরো নিরাপদ ও কার্যকর হয়েছে।

বিপিসি সূত্র আরো জানায়, চলতি বছরে ভারত থেকে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ চালানসহ এ পর্যন্ত প্রায় ৭৯ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে এসে পৌঁছেছে।

পার্বতীপুর ডিপো থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির মাধ্যমে ট্যাংকলরিযোগে রংপুর বিভাগসহ উত্তরাঞ্চলের আটটি জেলায় ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে সেচ কার্যক্রম, কৃষি উৎপাদন ও পরিবহন খাতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রংপুর বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আতাউর রহমান বলেন, পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিত ডিজেল সরবরাহের ফলে উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা অনেকটাই কমেছে। এতে পরিবহন ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি ট্যাংকলরি শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগও বেড়েছে।

দিনাজপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল বলেন, কৃষিনির্ভর উত্তরাঞ্চলে সময়মতো জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে কৃষকরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও আরো গতিশীল হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন প্রকল্প উত্তরাঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি কৃষি, পরিবহন এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

পটিয়ার শিশু জায়ান হত্যা : আদালতে প্রধান আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
পটিয়ার শিশু জায়ান হত্যা : আদালতে প্রধান আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
শিশু জায়ান। সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের পটিয়ার আলোচিত পাঁচ বছর বয়সী শিশু মোহাম্মদ জায়ান আবরার অপহরণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাদিয়া সুলতানা নিহা (১৯) ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে পটিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মো. শাখাওয়াত হোসেন তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

পটিয়া থানা পুলিশ জানায়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা, অপহরণের নাটক সাজানো এবং মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে ঘটনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এসব তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৬ জুন দুপুরে বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় শিশু জায়ান। পরে পরিবারের শয়নকক্ষ থেকে হাতে লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। সেখানে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ এবং পরিবারের একটি মোবাইল ফোন নির্দিষ্ট স্থানে রেখে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। প্রথমে ঘটনাটি অপহরণ হিসেবে মনে হলেও তদন্তে হত্যার বিষয়টি সামনে আসে।

পুলিশের ভাষ্য, চিরকুটের হাতের লেখা, প্রযুক্তিগত তথ্য, স্থানীয় সূত্র এবং সন্দেহভাজনদের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পটিয়া পৌরসভার দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু জায়ানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শিশুটিকে খোঁজার নামে বিভিন্ন স্থানে ঘুরেছেন এবং স্থানীয়দের অনুসন্ধান কার্যক্রমেও অংশ নিয়েছেন, যাতে তাদের প্রতি সন্দেহ সৃষ্টি না হয়।

নিহতের এক স্বজন বলেন, ‘যারা আমাদের সঙ্গে থেকে জায়ানকে খুঁজছিল, তারাই তাকে হত্যা করেছে—এটা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’

নিহতের মামা জিসান বলেন, ‘জায়ান ছিল আমাদের পরিবারের একমাত্র আশা-ভরসা। টাকার লোভে একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা ট্রাইব্যুনালে বিচার এবং হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।’

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রধান আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ উদ্দেশ্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুততম সময়ে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে।

এর আগে গত বুধবার চট্টগ্রামের আদালতে প্রধান আসামি সাদিয়া সুলতানা নিহা, তার বাবা মো. সাইফুদ্দিন এবং মা শাহনুর আক্তারকে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত নিহার তিন দিনের এবং তার বাবা-মায়ের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দোহারে রাতের আঁধারে ঘর তুলে জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ

দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
দোহারে রাতের আঁধারে ঘর তুলে জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকার দোহার উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের মধুরচর গ্রামে রাতের আঁধারে একটি পৈতৃক ও রেকর্ডভুক্ত জমিতে ঘর নির্মাণ করে দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দোহার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন জমির দাবিদার মো. জয়ধর আলী।

অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় সোহেল মোল্লা, রিপন মোল্লা ও লাভলু মোল্লা সোমবার (২৯ জুন) গভীর রাতে বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ শুরু করেন। বিষয়টি টের পেয়ে জমির দাবিদার জয়ধর আলী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে দোহার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে জয়ধর আলী দেখতে পান, ওই জমিতে ঘর নির্মাণ করে দখলের চেষ্টা চলছে। পরে জোরপূর্বক জমি দখল, হত্যার হুমকি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

জয়ধর আলীর দাবি, সিএস দাগ নম্বর ৬৭৬, ৬৭৯, ৬৮৫, ৫৯২, ৭৩৪, ৫৯৮ ও ৬৮৯-এর মোট ৫ একর ৩৯ শতাংশ জমি তাদের পৈতৃক ও রেকর্ডভুক্ত সম্পত্তি। তিনি অভিযোগ করেন, তাদের ‘ক’ তফসিলভুক্ত জমিকে ‘খ’ তফসিলভুক্ত সম্পত্তি হিসেবে দেখিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং সরকারি লিজের নামে জমি দখলের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, জমিতে কাজ করতে গেলে সোহেল মোল্লা, রিপন মোল্লা ও লাভলু মোল্লা তাকে হত্যার হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

সরেজমিনে গিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে একটি ঘর নির্মাণের বিষয়টি দেখা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউনুস বলেন, রেকর্ডভুক্ত এ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তার দাবি, ‘ক’ তফসিলের জমিকে ‘খ’ তফসিল দেখিয়ে ভূমিহীনদের নামে লিজের দাবি তুলে জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে ঘর নির্মাণের খবর পেয়ে দোহার থানার এসআই মাসুদ রানা, এসআই মাহতাব ও এসআই আজিজুল ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবারও ঘর নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল মোল্লা বলেন, ‘আমরা নদীভাঙা মানুষ। সরকার আমাদের লিজ দিয়েছে বলেই এখানে আছি। আইনের দৃষ্টিতে যদি আমাদের দাবি সঠিক না হয়, তাহলে জায়গা ছেড়ে দেব। যদি এটি সত্যিই জয়ধর আলীর সম্পত্তি হয়, তাহলে সরকার আমাদের লিজ দিল কেন? আমরা গরিব মানুষ, সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

তিনি আরো দাবি করেন, তিনি ‘খ’ তফসিলের ভিত্তিতে সরকারি লিজ পেয়েছেন। প্রকৃত মালিকানা ও লিজের বৈধতা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে।

দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর কেউ পুনরায় কাজ করে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জমি নিয়ে উভয় পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবির কারণে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

পদ্মায় গোসলে নেমে ২ কিশোরের মৃত্যু, নিখোঁজ ১

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
পদ্মায় গোসলে নেমে ২ কিশোরের মৃত্যু, নিখোঁজ ১
ছবি : কালের কণ্ঠ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলো, রিফাত আলী (১৬) ও রাসেল (১৭)। রিফাত সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা হাজীপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। আর রাসেল একই ইউনিয়নের বইড়পাড়া গ্রামের আলমের ছেলে। দুজনই সুন্দরপুর সুবাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির ছাত্র। 

স্থানীয়রা জানায়, রিফাত ও রাসেলসহ ৪-৫ জন বন্ধু বাইসাইকেল চালিয়ে পদ্মা নদীর আলিমনগর ঘাটে গোসল করতে যায়। সেখানে পানিতে ডুবে দুজন মারা যায়।

অপরদিকে মহানন্দায় মাছ ধরতে নেমে জেলা শহরের আরামবাগ মহল্লার রহুল আমিনের ছেলে সাকিরুল হক (৩৩) নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি দুবাইপ্রবাসী। মাসখানেক আগে বাড়ি ফিরে দুই বন্ধুকে নিয়ে শখ করে শহরের রেহাইচর এলাকায় মহানন্দা রাবার ড্যাম এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে নিখোঁজ হন সাকিরুল।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার সাঈদ হাসান শুভ বলেন, দুপুর ২টার দিকে পদ্মায় ডুবে যাওয়ার পর রাজশাহী থেকে ডেকে আনা ডুবুরি দল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রিফাতের এবং সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে রাসেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মহানন্দায় নিখোঁজ সাকিরুলের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী নৌ পুলিশ স্টেশন ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জীবন চন্দ্র বলেন, পুলিশ দুই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। অপরদিকে দুপুর আড়াইটার দিকে মহানন্দায় নিখোঁজ যুবককে খোঁজা চলছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একরামুল হোসাইন বলেন, পদ্মায় ডুবে রাসেল ও রিফাত নামের দুই কিশোর মারা গেছে। অপরদিকে মহানন্দায় ডুবে নিখোঁজ হয়েছে সাকিরুল নামে এক যুবক। নৌ পুলিশ ঘটনাগুলোর তদন্ত শুরু করেছে।