• ই-পেপার

গাজীপুরে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ, টিয়ার শেল নিক্ষেপ পুলিশের

সিরাজগঞ্জ

বর্ষার শুরুতেই আগ্রাসী যমুনা

১০ দিনে ঘরহীন ৩০ পরিবার ঝুঁকিতে শতাধিক বসতভিটা বাসিন্দাদের নির্ঘুম রাত

ইসরাইল হোসেন বাবু, সিরাজগঞ্জ
বর্ষার শুরুতেই আগ্রাসী যমুনা
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা এলাকায় যমুনার তীররক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। শনিবার তোলা। -কালের কণ্ঠ

বর্ষার শুরু থেকেই ক্রমশ আগ্রাসী হয়ে উঠছে যমুনা। নদীর পূর্বপাড়ে অবস্থিত সিরাজগঞ্জের কাজিপুর ও চৌহালী উপজেলার চরাঞ্চলের দুইটি ইউনিয়ন। সেখানে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। এতে নির্ঘুম রাত কাটছে সেখানকার বাসিন্দাদের।

স্থানীয়রা জানায়, ইতোমধ্যে এসব এলাকার বহু বসতবাড়ি, মসজিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কৃষিজমি নদীতে বিলীন হয়েছে।

কাজিপুরের চরগিরিশি ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য আল আমিন সরকার বলেন, চরগিরিশ চরে এক সময় ৫০০ থেকে ৬০০ পরিবারের বসবাস ছিল। নদীভাঙনের কারণে ১৫০টি পরিবার আগেই অন্যত্র চলে গেছে। গত ১০ দিনে অন্তত ৩০টি পরিবার গৃহহীন হয়েছে। নদী যেভাবে ভাঙছে তাতে আরো শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি যে কোনো সময় নদীতে হারিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভিটেমাটি হারানো স্থানীয় আব্দুল মোমিন বলেন, ‘এই চরে বাবা-দাদার ভিটে ছিল। জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে ঘর তুলছিলাম। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে সব নদীতে চলে গেছে। এখন অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছি।’

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চোখের সামনে সবকিছু নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে কোথায় যাব, কী খাবো- সব মিলিয়ে বড় চিন্তায় আছি।’

আরেক বাসিন্দা কোহিনুর খাতুন বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। যা ছিল সব নদী নিয়ে গেছে। এখন যদি সরকার সাহায্য না করে, তাহলে পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে।’
 
চরগিরিশ চরের বৃদ্ধ রশিদ মিয়া বলেন, ‘জীবনে অনেক কষ্ট করছি। কিন্তু এমন অসহায় কখনো লাগেনি। আমরা এখন কোথায় যাব, ভেটুয়া ও চরগিরিশ চরের শত শত মানুষজন এখন দিশেহারা।’

এদিকে, চৌহালী উপজেলার বাগুটিয়া ইউনিয়নের চরসলিমাবাদ, ভূতের মোড়, বিনানুই ও ভুসুরিয়া চরাঞ্চলে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত ১০ দিনে ভাঙনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, মসজিদ, দোকানপাটসহ অন্তত  ৩০টি স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়েছে। পাউবো ভাঙনরোধে জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেললেও তেমন কাজে আসছে না তা। আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীতীরের বাসিন্দাদের। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি তাদের।

চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুল আমিন বলেন, আমরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারিভাবে সহায়তা দেওয়া হবে।  

এদিকে, সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি ও শাহজাদপুর উপজেলার নদীতীর ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে এসব অঞ্চলের চরগুলোর আবাদি জমির ফসল তলিয়ে গেছে। নৌকা ছাড়া চলাচল করতে পারছে না তারা।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৭ জুন)  সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৫১ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৯৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

এই সময়ের মধ্যে সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা এলাকায় নদীর তীররক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সেখানে জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করেছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ভাঙনরোধে চৌহালী উপজেলার একটি স্থানে এবং সিরাজগঞ্জ সদরের বাহুকা এলাকায় কাজ চলছে।

চরাঞ্চলে নদীভাঙন প্রসঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, যমুনার বিশাল এলাকজুড়ে চরাঞ্চল। এসব এলাকায় ভাঙন দেখা দিলে আমাদের কিছু করার থাকে না। সরকার চরাঞ্চল রক্ষায় উদ্যোগী হলে আমরা সমীক্ষা করে প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবো। 

দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি সবসময় আপসহীন : রাশেদ খান

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি সবসময় আপসহীন : রাশেদ খান
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে রাশেদ খান। ছবি : কালের কণ্ঠ

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, বিএনপি কখনোই কোনো দেশের দালালি করে না, বরং দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলটি সব সময় আপসহীন অবস্থানে রয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিগত প্রায় ১৮ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিল বলেই দেশ চীনের মতো উন্নয়নের পথে এগোতে পারেনি।

রাশেদ খান বলেন, যারা বিএনপিকে ভারতের দালাল বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারা বাস্তবতার কাছে ভুল প্রমাণিত হয়েছেন। বিএনপি যদি ভারতের দালালি করত, তাহলে সরকার প্রধান চীন সফরের আগে ভারত সফর করতেন।

তিনি বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। আমরা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই। তবে সেই সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে। কোনো ধরনের আধিপত্য বা দাদাগিরি বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না।’

সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, বর্তমানে বিজিবি সীমান্তে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্তে দেশের স্বার্থ রক্ষায় তারা চোখে চোখ রেখে জবাব দিচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় আছে বলেই বিজিবি এত শক্তিশালী অবস্থানে আছে। 

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, জামায়াত ও এনসিপির কিছু নেতা আজ সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছেন। অথচ গত ১৭ বছর তারা নিজেদের দলীয় কার্যালয়ের তালাই খুলতে পারেননি। এখন তারা বড় বড় কথা বলছেন।

তিনি আরো বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি বরাদ্দের বড় অংশ নিজের এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেটি কি দুর্নীতির মধ্যে পড়ে না?

পুশইন ইস্যু নিয়ে রাশেদ খান বলেন, বিএনপি কোনো দেশের দালালি করে না, না ভারতের, না পাকিস্তানের। অথচ শিবিরের একজন কেন্দ্রীয় নেতা পাকিস্তানে গিয়ে লালগালিচা সংবর্ধনা নিয়ে দেশে ফিরে বিএনপিকে ভারতের দালাল বলছেন। তাহলে জনগণের কাছেই প্রশ্ন, আপনারা কি পাকিস্তানের দালাল?

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে। প্রতিবেশীসহ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

ফরিদপুরে ২৬ লাখ টাকার স্কাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুরে ২৬ লাখ টাকার স্কাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরে র‌্যাব-১০-এর অভিযানে প্রায় ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ৮৮০ বোতল স্কাফ সিরাপসহ মো. রানা গাজী নামে এক পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ফরিদপুর র‌্যাব-১০ সিপিসি-৩ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদা এসব তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃত মো. রানা গাজী (৩২) সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দেবহাটা থানার একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব ক্যাম্প জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার রাজবাড়ী রাস্তার মোড় এলাকায় সাতক্ষীরা-ঢাকাগামী মহাসড়কে একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ৮৮০ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সিরাপগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

র‌্যাবের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে স্কাফ সিরাপসহ বিভিন্ন মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিলেন। 

র‌্যাব জানায়, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ফরিদপুর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে ঢাকাগামী গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথের অন্যতম সংযোগস্থল। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাদক কারবারিরা প্রায়ই এই রুট ব্যবহার করে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা ও হেরোইনের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ স্কাফ সিরাপও উদ্ধার হচ্ছে।

মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদা জানান, মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া। এটি আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো জানান, সাধারণ মানুষের কাছে মাদক বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য থাকলে র‌্যাবকে জানাতে হবে। একটি তথ্য অনেক সময় একটি পরিবার বা একটি জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

র‌্যাব জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া স্কাফ সিরাপ, জব্দকৃত প্রাইভেটকার এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি : বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখতে চাই

অনলাইন ডেস্ক
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি : বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখতে চাই
সংগৃহীত ছবি

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে কোটি কোটি টাকার পাশাপাশি প্রতি বারই মনোবাসনা পূরণের আশায় লেখা নামে-বেনামে অসংখ্য চিঠি পাওয়া যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবার পাওয়া চিঠিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ব্যতিক্রমী একটি চিঠিতে ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলকে দেখতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন এক ফুটবলপ্রেমী।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় প্রায় ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। দানবাক্সগুলো থেকে এবার রেকর্ড পরিমাণ ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। পরে সেগুলো মসজিদের দ্বিতীয় তলায় এনে গণনার কাজ শুরু হয়। গণনার সময় টাকার পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের লেখা অসংখ্য চিঠিও পাওয়া যায়।

এসব চিঠির মধ্যে একটি চিঠিতে একজন নিজেকে একজন স্বপ্নবাজ বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী হিসেবে পরিচয় দিয়ে মহান আল্লাহর কাছে বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নতি এবং ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

চিঠিতে লেখা ছিল, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। হে আল্লাহ, আপনি সর্বশক্তিমান। আপনার কাছে আমার একটি প্রিয় স্বপ্নের কথা জানাচ্ছি। আমি চাই ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আমার প্রিয় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করুক। লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বমঞ্চে উড়ুক। হে আল্লাহ, আমাদের দেশের ফুটবলের উন্নতি করুন, খেলোয়াড়দের সফলতা দান করুন এবং বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরার তাওফিক দিন। আমিন।

— একজন স্বপ্নবাজ বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী।’

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে প্রতিবছরই অর্থের পাশাপাশি ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও জাতীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা অসংখ্য চিঠি পাওয়া যায়। তবে দেশের ফুটবলকে বিশ্বকাপে দেখার এমন আবেগঘন আবেদন এবার সবার দৃষ্টি কেড়েছে।