• ই-পেপার

টেকনাফে ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২ নারী আটক

দা-কুড়াল হামলার পর ৭ লাখ টাকার লুট, মূল আসামি গ্রেপ্তার

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
দা-কুড়াল হামলার পর ৭ লাখ টাকার লুট, মূল আসামি গ্রেপ্তার
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের পটিয়ায় দা ও কুড়াল দিয়ে হামলা চালিয়ে প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল লুটের ঘটনায় মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ শাহিন আলম (২৩) কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা। বুধবার (২৪জুন) ভোরে চকরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পটিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুন দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের শাহগদী মার্কেটসংলগ্ন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সংঘবদ্ধ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা রনি দাশ (৩০) ও তানভীর হোসেনের (২২) পথরোধ করে চার সদস্যের একটি ছিনতাইকারী দল।

পরে দুর্বৃত্তরা ধারালো দা ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে তাদের আহত করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে একটি সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল, একটি সনি এ-সেভেন থ্রি ক্যামেরা, ১৬-৩৫ মিমি ও ৫০ মিমি লেন্স, একটি আরএস-৪ গিম্বল এবং একটি শাওমি ১১আই মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকা।

ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে পুলিশ। এসআই সমীর ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত নাম্বারবিহীন কালো রঙের একটি পালসার-১৫০ মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা বলেন, ‘প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের মাধ্যমে মূল আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অন্যান্য আসামিকে গ্রেপ্তার এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এ ঘটনায় পটিয়া থানায় একটি ছিনতাই মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ৭ বছরের শিশুর

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ৭ বছরের শিশুর
শিশু হামীম মিয়া। সংগৃহীত ছবি

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় পানিতে ডুবে হামীম মিয়া (৭) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোপালের খামার এলাকার চিলকির কুড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হামীম মিয়া ওই এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে কয়েকজন শিশুর সঙ্গে কুড়ার পাশে খেলতে যায় হামীম। একপর্যায়ে সবার অজান্তে সে পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি গরু আনতে গিয়ে কুড়ার পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, খেলাধুলার সময় অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে যাওয়ার কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ অবগত করেনি। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

গাজীপুরের টঙ্গী

মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর
মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ
ছবি : কালের কণ্ঠ

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১০) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কামরুজ্জামান (৫৪) নামের এক শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে টঙ্গীর নামাবাজার বস্তিতে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার কামরুজ্জামান পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর থানার হোগলা গনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নামাবাজার বস্তির আসহাবে সুবফা ইসলামিয়া নূরানী মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষক কামরুজ্জামান একই মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষ থেকে ডেকে একটি দোকানের ভেতরের রুমে নিয়ে বসান। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চিৎকার করে দোকান থেকে বেরিয়ে যায়। পরে বাসায় ফিরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। পরে ওই শিক্ষককে আটক করে গণপিটুনি দেয় বিক্ষুব্ধরা। খবর পেয়ে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গণপিটুনির শিকার এক শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

ছাগলনাইয়ায় থামছেই না ট্রান্সফরমার চুরি, সক্রিয় চোরচক্র

ফেনী প্রতিনিধি
ছাগলনাইয়ায় থামছেই না ট্রান্সফরমার চুরি, সক্রিয় চোরচক্র
ছবি : কালের কণ্ঠ

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। একের পর এক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ভোগে পড়ছে গ্রাহকরা।

সর্বশেষ বুধবার (২৪ জুন) গভীর রাতে উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি থেকে একটি ট্রান্সফরমার চুরির চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় ট্রান্সফরমারটি সম্পূর্ণ খুলে নিতে পারেনি চোরচক্র।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ছাগলনাইয়া জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আলমাছ উদ্দিন জানান, চুরির চেষ্টায় ট্রান্সফরমারটির কিছু ক্ষতি হলেও দ্রুত মেরামত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এর আগের দিন ঘোপাল ইউনিয়নের নিজকুঞ্জরা এলাকা ও শুভপুর ইউনিয়ন থেকে দুটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এসব ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়েছে গ্রাহকরা।

একের পর এক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। তারা দ্রুত চোরচক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগের স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারেরও আহ্বান জানিয়েছে।

এ বিষয়ে ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের বলেন, ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে বলেও জানতে পেরেছেন। তিনি সম্প্রতি থানায় যোগদান করেছেন উল্লেখ করে বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।