ভোলার লালমোহন উপজেলায় গত দুই দিনে কুকুরের কামড়ে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে সাতজন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এর আগে বুধবার আরো ১৩ জন আক্রান্ত হন। আক্রান্তদের অধিকাংশই উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া কিছু কুকুরকে রোগাক্রান্ত অবস্থায় দেখা গেলেও সেগুলোর চিকিৎসা বা নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কুকুরের আক্রমণের ভয়ে শিশু, নারী ও বয়স্করা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যার সময় কুকুরের উপদ্রব বেশি দেখা যাচ্ছে।
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবু মাহমুদ তালহা বলেন, কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা আক্রান্তদের বিনামূল্যে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সামনে কুকুরের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করতে হবে। সচেতনতা ও সাবধানতা অবলম্বন করলে কুকুরের কামড়ের ঝুঁকি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।




