• ই-পেপার

টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না আজ যেসব এলাকায়

ঘুমধুম সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে যুবকের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন

অনলাইন ডেস্ক
ঘুমধুম সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে যুবকের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে শফিউল আলম (৩৬) নামে এক যুবকের পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার বাড়ি ঘুমধুমের আমতলী গ্রামে।

বুধবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ভালুকিয়া নামক পাহাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুরে সীমান্ত এলাকায় নিজের কলাবাগানে কাজ করতে যান শফিউল। একপর্যায়ে স্থলমাইন বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তার পায়ের গোড়ালি উড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাসান বলেন, ঘুমধুম সীমান্তবর্তী কোন কোন এলাকায় মাইন পোঁতা আছে, সেগুলো শনাক্ত করে লাল পতাকা টাঙানো হবে। এতে ভবিষ্যতে সীমান্তের মানুষ এ ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হবে না।

কৃষকদের জৈব সারের নামে দেওয়া হলো ‘ময়লা-আবর্জনা’

অনলাইন ডেস্ক
কৃষকদের জৈব সারের নামে দেওয়া হলো ‘ময়লা-আবর্জনা’

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাছের চারা ও জৈব সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের দাবি, জৈব সারের পরিবর্তে পলিথিন, ময়লা ও বিভিন্ন ধরনের আবর্জনামিশ্রিত পদার্থ বিতরণ করা হচ্ছিল। এই অবস্থায় অনেকেই সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা নিয়ে চলে যান।

বুধবার দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চত্বরে চারা ও সার বিতরণ কার্যক্রম চলার সময় কৃষকরা এ অভিযোগ করেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় চারা ও সার বিতরণ করা হচ্ছিল। উপজেলার ২০০ জন কৃষক ও ১০০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আম, জলপাই, নিম ও মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা এবং ৩০ জন কৃষককে লেবুর চারা দেওয়ার কথা। প্রতিটি চারাগাছের সঙ্গে পরিচর্যার জন্য ৩০ কেজি করে জৈব সার দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, চত্বরে এসে সারের বস্তা খুলে তারা দেখেন সেগুলো পলিথিন, প্লাস্টিক ও নানাবিধ বর্জ্যে ঠাসা।

উপজেলার বাড়াকান্দি গ্রামের কৃষক আলতাফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে সরকারি সার দেওয়ার নামে আড়ালে প্রতারণা করা হয়েছে। জৈব সার দেওয়ার নামে বস্তায় ভরে দেওয়া হচ্ছিল পলিথিন আর ময়লা-আবর্জনা। এই বর্জ্য না নিয়ে শুধু চারা নিয়ে ফিরে এসেছি।’

রঞ্জু নামের আরেক কৃষক বলেন, ‘আগে কৃষি অফিস থেকে যেসব সার দেওয়া হতো, সেগুলোর মান ভালো ছিল। কিন্তু এবার বস্তা খোলার পর যা দেখলাম, তা রীতিমতো অপরাধ। এই বর্জ্য কোনোভাবেই জমিতে দেওয়ার যোগ্য নয়।’

এ নিয়ে একাধিক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা স্বীকার করেন, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যে সার এনেছে তা সম্পূর্ণ মানহীন এবং কৃষি কাজের অনুপযোগী। শুধু সারই নয়, চারা সোজা রাখার জন্য আস্ত বাঁশের খুঁটি দেওয়ার সরকারি বরাদ্দ থাকলেও কৃষকদের দেওয়া হয়েছে নামমাত্র চ্যালা বা ফাঁটানো বাঁশ। এমনকি চারাগুলো ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের ও ছোট।

উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক একরামুল কবির বলেন, ‘কৃষকদের কাছ থেকে সারের নিম্নমানের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। সরকারি প্রকল্পে এ ধরনের ফাঁকিবাজি ও হরিলুট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

জানতে চাইলে কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘যেসব বস্তায় ভেজাল ও নিম্নমানের সার পাওয়া গেছে, সেগুলো বাদ দিয়ে কৃষকদের ভালো সার দেখে নিতে বলা হয়েছে। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে এই ভেজাল সার ফেরত পাঠানো হবে।’ তবে কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই সার সরবরাহ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি মুখ খোলেননি।

কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপাশা হোসাইন বলেন, ‘জৈব সারের মান নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরবরাহকারীকে এই সার ফেরত দিয়ে দ্রুত ভালো মানের জৈব সার এনে পুনরায় কৃষকদের মধ্যে বিতরণের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পেছনে কোনো গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুরে মাওলা বলেন, ‘কামারখন্দসহ জেলায় ১৪ হাজার ৬৫০ জন কৃষককে জৈব সার ও চারা প্রদান করা হচ্ছে। জনপ্রতি কেজি চার টাকা হিসেবে ১২০ টাকায় ৩০ কেজি করে জৈব সার প্রদান করা হচ্ছে। তবে চার টাকা কেজি দরে জৈব সার জোগাড় করা দুষ্কর। কামারখন্দে জৈব সারের নিম্নমানের বিষয়ে এরই মধ্যে ইউএনও আমাকে জানিয়েছেন। সরবরাহকারীকে এগুলো পরিবর্তন করে নতুনভাবে সরবরাহ দিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর জন্য হয়তো ২-৩ দিন সময় লাগবে।’

শাসন করায় নারী শিক্ষককে থাপ্পড়-ঘুষি শিক্ষার্থীর

অনলাইন ডেস্ক
শাসন করায় নারী শিক্ষককে থাপ্পড়-ঘুষি শিক্ষার্থীর

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শ্রেণিকক্ষে শাসন করায় এক নারী শিক্ষককে থাপ্পড় ও ঘুষি মারার অভিযোগ উঠেছে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরে গতকাল বুধবার সালিশ বৈঠকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও তাতে সন্তুষ্ট নন ভুক্তভোগী শিক্ষক। ন্যায়বিচার না পাওয়ায় বিদ্যালয়ে আর ফিরতে চান না ওই শিক্ষক।

ভুক্তভোগী শিক্ষকের বাড়ি শেরপুরের নকলা উপজেলায়। এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে ইংরেজি বিষয়ে নিয়োগ পেয়ে প্রায় ছয় মাস আগে ডা. শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগ দেন। গত সোমবার দুপুরে কোনো এক বিষয় নিয়ে শ্রেণিকক্ষে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী সঙ্গে ওই শিক্ষকের কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাকে শাসন করতে একটি থাপ্পড় দেন ওই শিক্ষক। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে কয়েকটি থাপ্পড় ও ঘুষি দেয় ওই শিক্ষার্থী। এই ঘটনার সময় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী ছাড়াও তিন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত শিক্ষক আনিছুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার সাক্ষী আমি। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর ওই ছাত্রকে আমি শাসন করেছি।’

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা সবুর মিয়া একই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। স্থানীয়রা জানান, কিছু দিন আগে স্কুলের ছাত্রীদের বিরক্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী। এই ঘটনায় এক শিক্ষক বিচার করলে তার বাবা উল্টো প্রধান শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে ওই শিক্ষককে শাসান।

নারী শিক্ষককে মারধরের দুইদিন পর গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির নেতাদের সমন্বয়ে এক সালিশ বৈঠকের আয়েজন করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। সালিশে সিদ্ধান্ত হয় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হবে। তার বাবা সবুর মিয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান শিক্ষক ও স্কুল পরিচালনা পরিষদ। ভুক্তভোগী শিক্ষকের পা ধরে ক্ষমা চাইবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী। তবে এই বিচারে সন্তুষ্ট না হয়ে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দেওয়া শুরু করেন স্থানীয়রা। এক পর্যায় উত্তেজিত জনতা জুতা নিয়ে মাতবরদের সামনে চলে যায়। বর্তমানে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার পর তার দুই সহকর্মী পারভীন আক্তার ও রোকেয়া আক্তার বাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর পক্ষ নিয়ে তাকে হুমকি দিয়েছেন। বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘যেখানে শিক্ষকরা শিক্ষককে ও ছাত্ররা শিক্ষককে সম্মান দিতে জানে না সেই বিদ্যালয়ে আর ফিরে যাব না। এই পেশায় আর ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে না। সরকার যদি নিজ জেলায় আমাকে বদলির ব্যবস্থা করে তবে, না হয় ভেবে দেখব।’

শিক্ষক রোকেয়া আক্তার বলেন, ঘটনা মীমাংসা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। তবে তার এবং শিক্ষক পারভীন আক্তারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা সবুর মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে সংবাদকর্মীর পরিচয় পেয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন জানান, সালিশে স্কুলের দপ্তরি সবুর মিয়ার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে তা বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এবং শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সালিশ বৈঠকের প্রধান ছিলেন ধলাপাড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এজহারুল ইসলাম মিঠু ভূঁইয়া। তিনি স্বীকার করেছেন এই বিচারে সন্তুষ্ট না ভুক্তভোগী শিক্ষক ও স্থানীয়রা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার তিন দিন পার হলেও তিনি কিছুই জানেন না। লোকমুখে শুনে গতকাল বুধবার বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন।

ডা. শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়মিত কোনো কমিটি নেই। সভাপতির দায়িত্বে আছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মাহমাদুল হাসান। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক ঘটনাটি তাকে জানাননি। তবে লোকমুখে বিষয়টি শুনেছেন।

চোর আটককে কেন্দ্র করে কোটালীপাড়ায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুর, আহত ২০

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
চোর আটককে কেন্দ্র করে কোটালীপাড়ায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুর, আহত ২০

গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়া উপজেলায় চোর আটককে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও নারীসহ ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) রাতে উপজেলার ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, উপজেলার ঘাঘরকান্দা বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা ব্যাটারি চুরির অভিযোগে উপজেলার কাঠি গ্রামের মোরসালিন মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া ও ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়াকে আটক করে তাদের কার্যালয়ে আটকে রাখে। 

এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাঠিগ্রামের চিতশীর গ্রামের লোকজন এসে মাদক প্রতিরোধ কমিটির কার্যালয়  ভাঙচুর করে ৩ চোরকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা বলেন, আমাদের বেপারীপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে মোরসালিন, রাসেল ও আব্দুলাহ মিলে গাড়ির ব্যাটারি চুরি করে বিক্রি করে দেয়। এ খবর জানার পরে আমরা এই ৩ চোরকে আটক করে আমাদের কার্যালয়ে রেখে পুলিশকে খবর দেয়।

পরবর্তীতে কাঠিগ্রামের লোকজন এসে আমাদের ওপর হামলা ও মারধর করে কার্যালয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ওই ৩ জনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় নারীসহ ২০ আহত হয়।

গুরুতর আহত ওহাব গাজী (৬০), জালাল গাজী (৪৫), খলিল গাজী (৪৮), আরিফুল গাজী (৩০) জলিল গাজী (৪৬) ছনিয়া খানম (১৯), মাজেদা বেগম (৪৫), হান্নান বরকতউল্লাহ (৫৫), মুকুল মুন্সী (৪৮), অলি বরকতউল্লাহ (৩৫), তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ (৪৫), হাবিব মুন্সী (৪২), জাহিদুল বরকতউল্লাহকে (৩৮) উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

কাঠিগ্রামের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা কাউকে মারধর করিনি। আমাদের লোকজনকে মাদক প্রতিরোধ কমিটির লোকজন মরধর করে আহত করেছে।

কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।